মসজিদে কোরআন তিলাওয়াত শুনলেন ব্রিটিশ প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী

272

কোরআন তিলাওয়াত শুনলেন ব্রিটিশ রাজ পরিবারের- লাহোরে একটি মসজিদে বসে কোরআন তিলাওয়াত শুনেছেন যুক্তরাজ্যের ডিউক অব কেমব্রিজ প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী ডাচেস অব কেমব্রিজ কেট মিডলটন।

গত কাল বুধবার পাকিস্তানের সফরের তৃতীয় দিনে লাহরের বাদশাহী মসজিদে বসে কোরআন তিলাওয়াত শোনেন ব্রিটিশ রাজ পরিবারের দুই সদস্য। সম্প্রতি সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল।

সংবাদ মাধ্যমগুলো জানিয়েছেন, প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেট মিডলটন লাহোরের বাদশাহী মসজিদে যান। সেখান কার ইমাম তাদের স্বাগত জানান। তারপর তাদেরকে মসজিদের ভেতরে নিয়ে যান ইমাম। ভেতরে প্রবেশের সময় মুসলমান নারীদের মতো মাথায় ওড়না জড়িয়ে নিজেকে ঢেকে নেন কেট। এরপর মেঝেতে বসে ইমামের কোরআন তিলওয়াত শোনেন এই ব্রিটিশ রাজ পরিবারের সদস্যরা।

আরও পড়ুন- এবার ‘মা’তা’ল’ চালক শনাক্তের ডিভাইস চালু হলো

ম’দ বা নে’শা’জাতীয় দ্রব্য খেয়ে মা’তা’ল অবস্থায় গাড়ি চালানো চালক দের শনাক্ত করতে বিশেষ একটি ডিভাইস নিয়ে মহাসড়কে অভিযান শুরু করেছে হাইওয়ে পুলিশ। খবর ইউএনবি’র।

‘অ্যা’ল’কো’হ’ল ডিটেক্টর’ নামের ওই যন্ত্র দিয়ে গত ১২ অক্টোবর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড মীরসরাইয়ের বিভিন্ন স্পটে এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

জানা যায়, চীন থেকে আমদানি করা এ যন্ত্রটি সারা দেশের হাইওয়ে পুলিশের কাছে দেয়া হয়েছে। যাতে দুর পাল্লার বাস-ট্রাক এবং ভারী যানবাহন চালানোর সময় চালক দের পরীক্ষা করা যায়।

গত রবিবার সকালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বার আউলিয়া ও মীরসরাইয়ের সোনাপাহাড় এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ যন্ত্র নিয়ে অ’ভিযান চালায় হাইওয়ে পুলিশ।

জানতে চাইলে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল আউয়াল ইউএনবিকে বলেন, ‘অ্যালকোহল ডিটেক্টর দিয়ে মহাসড়কে অভিযানের খবর শুনে ইতো মধ্যে অনেক চালক সচেতন হয়েছেন। প্রথম দিন অভিযানে কয়েকজন চালকের মুখে অ্যা’ল’কো’হ’ল বা মা’দ’ক পাওয়া গেলেও প্রাথমিক ভাবে আমরা তাদের নে”শা গ্রস্থ হয়ে যানবাহন না চালানোর জন্য সর্তক করে ছেড়ে দিয়েছি।’

হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, এই প্রথমবারের মতো ‘অ্যালকোহল ডিটেক্টর’ যন্ত্র নিয়ে অভিযানে নেমেছেন তারা। মুখের বাতাস শুঁকে যন্ত্রটি ৪ সেকেন্ডের মধ্যে ওই ব্যক্তি ম’দ্য’প কি না, তা শনাক্ত করতে পারে।

হাইওয়ে পুলিশের এক সদস্য জানান, ফলাফল ‘হ্যাঁ’ হলে সে ক্ষেত্রে ওই চালকের নাম, গাড়ির নম্বর, লাইসেন্স নম্বর ও পরীক্ষাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নাম, ব্যাজ নম্বর ও দায়িত্বরত ইউনিটের নাম যন্ত্রটিতে লিখে দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওই চালক ও পুলিশ কর্মকর্তার সব তথ্যসহ একটি প্রিন্ট কপি বের হবে। তখন এ কাগজ দিয়ে মোটরযান আইনের ১৪৪ ধারায় অ’ভি’যুক্ত চালকের বি’রুদ্ধে মামলা করা যাবে।

পুলিশ জানায়, অনেক মা’দ’ক’সেবী চালক মা’দ’কা’সক্ত হয়ে গাড়ী চালানোর ফলে দু’র্ঘ’টনা ঘটে। এ অবস্থা রোধে এবং মা’দ’কা’সক্ত চালকদের চিহ্নিত করতে ‘অ্যা’ল’কো’হল ডিটেক্টর’ আমদানি করা হয়েছে।

‘অ্যা’ল’কো’হ’ল ডিটেক্টর’ যন্ত্রটি দেখতে অনেকটা বড় মুঠো ফোন সেটের মতো। সামনের দিকে চিকন পাইপের মতো বের হওয়া একটি অংশ আছে। মা’দ’ক পরীক্ষার অংশ হিসেবে এই যন্ত্রের সামনের পাইপ মুখে দিয়ে ফুঁ দিতে হয় চালকদের। এরপর চার সেকেন্ডের মধ্যেই যন্ত্রের মনিটরে ভেসে ওঠে ফলাফল। চালক ম’দ্য’প হলে শতাংশ সহ ‘ইয়েস’ লেখা ওঠে। আর মদ্যপ না হলে ওঠে ‘নো’।

জোরারগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক সোহেল সরকার বলেন, গতকাল থেকে তারা মীরসরাইয়ে অভিযান শুরু করেছেন। প্রথম দিন মহা সড়কের সোনা পাহাড় এলাকায় বিভিন্ন যান বাহনের ২৫ জন চালককে পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কোনো ম’দ্য’প চালক পাওয়া যায়নি।