বহু রোগের সমাধান এই ১টি গাছেই !

1490

বহু রোগের সমাধান ১টি- সজনে গাছ সবার কাছেই খুব পরিচিত। সজনে ডাঁটা, পাতা ও ফুল সবই খাওয়ার উপযোগী। তাছাড়া সজনের আছে নানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। সজনের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে অনেকেরই অজানা।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক সজনে সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-

১-প্রতি গ্রাম সজনে পাতায় একটি কমলার চেয়ে সাত গুণ বেশি ভিটামিন সি, দুধের চেয়ে চার গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দুই গুণ বেশি প্রোটিন, গাজরের চেয়ে চার গুণ বেশি ভিটামিন এ এবং কলার চেয়ে তিন গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান।

২- এতে প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালংশাকের চেয়ে তিন গুণ বেশি আয়রন বিদ্যমান। যা এ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৩- সজনে শরীরে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অন্যতম অবদান রাখে।

৪- সজনে ফুল ও পাতা শাকের মতো রান্না করে বসন্তকালে খেলে বসন্তের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে অর্থাৎ সজনে বসন্ত রোগের প্রাকৃতিক টিকা।

৫- মানুষের শরীরের প্রায় ২০% প্রোটিন যার গাঠনিক একক হলো এমাইনো এসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবোলিজম এবং অন্যান্য শারীরবৃত্ত্বীয় কার্যাবলী পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে এমাইনো এসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যা সজনেতে পরিপূর্ণ থাকে।

৬- এটি শরীরে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

৭- সজনে নিয়মিত সেবনে শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

৮- এটি শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবে কাজ করে।

৯- শরীরের ওজন কমাতেও ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

১০-এটি মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই। পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪% প্রোটিন, ৪০% ক্যালসিয়াম, ২৩% আয়রণ বিদ্যমান।

১১- এটির এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এটি যকৃত ও কিডনী সুস্থ্য রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্য বর্ধক হিসেবেও কাজ করে থাকে।

১২- সজনেতে প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের এন্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান।

১৩- এতে ৩৬ টির মতো এন্টি-ইনফ্ল্যামমেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

ধীরে ধীরে হাঁটলে কী ক্ষতি হয়, জানেন?

হাঁটা হলো ওয়ার্ক আউটের সবচেয়ে সহজ ও সেরা পদ্ধতি। নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে, আয়ু বাড়ে এবং বেশি বয়স পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকা যায়। এমনকি এই ওয়ার্ক আউটে শারীরিক চোট লাগার সম্ভাবনাও সবচেয়ে কম।

কিন্তু হাঁটাহাঁটি করে আপনি কতটা উপকার পাবেন, তা নির্ভর করছে, আপনি কীভাবে হাঁটছেন তার ওপর। যেকোনো ব্যায়ামের মতো হাঁটার ক্ষেত্রেও আপনি কতক্ষণ হাঁটছেন এবং কতটা জোরে হাঁটছেন তার ওপর সুফল-কুফল নির্ভর করে।

সম্প্রতি মার্কিন গবেষণাপত্রে প্রকাশিত হয়েছে, ধীরে ধীরে হাঁটলে শুধু যে আপনি হাঁটার উপকারিতা থেকে বঞ্চিত হবেন তা নয়, ভবিষ্যতেও নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে পারেন।

সবচেয়ে বড় কথা, বৃদ্ধ বয়সে আপনি কতদিন কর্মক্ষম থাকবেন, তা নির্ভর করছে আপনি অল্প বয়সে কেমন হাঁটাহাঁটি করেন তার ওপর। বিশেষ করে নারীরা অল্প বয়সে হাঁটাহাঁটি করলে বেশি বয়সে গিয়ে ডায়াবেটিস, হাঁটুর ব্যথা, ডিপ্রেশন এবং স্থ‌ূলতার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

হাঁটার গতি কেমন, তার ওপরেই নির্ভর করে শারীরিক ও মানসিকভাবে আপনি কতটা ফিট থাকবেন।