বগুড়ার সাদিক নূর ৪০ দিনে মুখস্থ করলেন পুরো কুরআন

942

পবিত্র কুরআনুল কারিম মুখস্থ- কুরআন আল্লাহর কিতাব। এ কুরআনের হেফাজতের ঘোষণাও স্বয়ং তার। তিনিই কুরআন সংরক্ষণ করবেন। কুরআন সংরক্ষণের সেরা স্থান মানুষের সিনা বা হৃদয়। এমনই এক সিনার অধিকারী বগুড়ার মুহাম্মদ সাদিক নূর আলম।

যিনি মাত্র ৪০ দিনে পুরো কুরআন হেফজ সম্পন্ন করেছেন। বগুড়া জেলা সদরের সান্তাহার রোডের গোদারপাড়া মাদরাসাতুল উলুমিশ শারইয়্যাহ-এর হেফজ বিভাগের ছাত্র মুহাম্মদ সাদিক নূর আলম। প্রতিদিন ১৫ পৃষ্ঠা থেকে শুরু করে ১ পারা পর্যন্ত মুখস্ত করেছেন সাদিক।

আর এতে পুরো কুরআন মুখস্থ করতে তার সময় লেগেছে মাত্র ৪০ দিন। অল্প সময়ে শিশুদের কচি মনে পবিত্র কুরআনুল কারিম মুখস্থ থাকা মহান আল্লাহর অসীম রহমত ও কুরআনের অন্যতম মুজিজা। হাফেজ সাদিক নূরই এর প্রমাণ।

বগুড়া সদর উপজেলার বড় কুমিরা গ্রামের মুহাম্মাদ আতাউর রহমান ও মা আঁখি বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় সাদিক নূর। বর্তমানে তার বয়স ৯ বছর ৬ মাস। এ অল্প বয়সেই সাদিক নূর মাত্র ৪০ দিনে পুরো কুরআন হেফজ সম্পন্ন করেছেন।

কুরআনের পাখি হাফেজ মুহাম্মদ সাদিক নূর আলমকে আল্লাহ তাআলা কুরআনের খাদেম হিসেবে কবুল করুন। আমিন।

কুরআনের একটি চিত্রকর্ম বিক্রি হলো ৫০ কোটি টাকায়!

উসমান হামিদ বেইক-এর হাতে আঁকা অটোমান যুগের কুরআন প্রশিক্ষণের প্রতীকী আরেকটি চিত্রকর্ম ৪৫ লাখ পাউন্ডে নিলামে বিক্রি হয়েছে। কুরআন প্রশিক্ষণ নামে প্রসিদ্ধ এ চিত্রকর্মটি লন্ডনের নাজদ ওরিয়েন্টাল আর্ট গ্রুপের মালিকানাধীন ৪০টি বোর্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দামে নিলামে বিক্রি হয়েছে।

৪৫ লাখ পাউন্ডে বিক্রি হওয়া এ চিত্রকর্মটি বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা। গত মাসও উসমান হামিদ-এর ১৩৯ বছরের পুরো তথা ১৮৮০ সালে আঁকা এক নারীর কুরআন পড়ার একটি চিত্রকর্ম ৭৪ লাভ ডলারে বিক্রি হয়।

এ ছাড়াও এই নিলাম সেন্টারে ফ্রান্সের বিখ্যাত ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী জাঁন লিওন জেরোম-এর ‘আরবিয়ান হর্সব্যাক ক্রসিং দ্য ডেজার্ট’ নামক একটি অঙ্কিত ছবি ৩১ লাখ ৩৫ হাজার পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। জার্মানের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী গুস্তাভ পাওরেনফাইন্ডের ‘ইয়াফার বাজার’ নামে প্রসিদ্ধ ছবিটি ৩৭ লাখ ২৭ হাজার পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে।

আর এ যাবত কালের সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হয়েছে কুরআনুল কারিম প্রশিক্ষণের এ প্রতীকী চিত্রকর্মটি। উল্লেখ্য যে, ওসমান হামিদি বেইক ১৮৪২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯১০ সালে মৃত্যুবরণ করণে। তিনি তার জীবদ্দশায় একজন দক্ষ চিত্রশিল্পী ছিলেন। এছাড়াও তিনি প্রত্নতাত্ত্বিক, রাজনীতিবিদ এবং স্থপতি ও যাদুঘরের পরিচালক ছিলেন। তিনি ইস্তাম্বুলের মিউজিয়াম অফ ফাইন আর্টস প্রতিষ্ঠা করেন।