জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা, মুসলিমরাই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী

554

মুসলিমরাই পৃথিবীতে সবচেয়ে- প্রতিটি মানুষ অবিরত ছুটে চলেছে সুখের পিছনে। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী কে? এ নিয়ে দীর্ঘ সমীক্ষা চালিয়েছে জার্মানির ম্যান হেইম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।

তারা ৬৭ হাজার ৫৬২ জনের ওপর সমীক্ষার পর গবেষণার যে ফলাফল প্রকাশ করেছেন তাতে উঠে এসেছে মুসলিমরাই এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী।

নিজেদের জীবন নিয়ে তাঁরাই সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্ট। এর কারণ হিসেবে উঠে এসেছে মুসলিমদের একত্ববাদে বিশ্বাস। মুসলিমরা একজন সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহর ওপর পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রেখে জীবন অতিবাহিত করেন। মুসলমানরা তকদির বা ভাগ্যে বিশ্বাস করেন। ফলে অল্পতেও তারা সন্তুষ্টি বোধ করেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে খ্রিষ্টানরা। এরপর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।

তারপর রয়েছে হিন্দুরা। সমীক্ষায় উঠে এসেছে, যারা ধর্মে বিশ্বাস করেন না নাস্তিক, তারাই পৃথিবীতে সবচেয়ে অসুখী। ব্রিটেনের ‘ডেইলি মেইল’ এক প্রতিবেদনে জানায়, জার্মানির ম্যান হেইম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাটি যুক্তরাষ্ট্রের সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, আল্লাহর একত্ববাদ আর আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস মুসলিমদেরকে প্রভাবিত করায় হতাশা ও উদ্বেগ তাদেরকে খুব একটা গ্রাস করতে পারে না। মানুষের প্রতি মুসলিমদের সহানুভূতি অনেক বেশি। এ কারণেই তাদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা অনেক কম।

ম্যানহেইম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজিস্ট ড. লরা ম্যারি এডিনগার-স্কন্স এ গবেষণার ফলাফল তৈরি করেন। তিনি বলেন, গবেষণাটির ফলাফলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে, মানুষের সন্তুষ্টির সঙ্গে একত্ববাদের সরাসরি সম্পর্ক আছে। ধর্মসংক্রান্ত মনস্তাত্ত্বিক জ্ঞানের ক্ষেত্রকে আরো প্রসারিত করেছে এ একত্ববাদ।

মুসলিমদের সন্তুষ্টিতে ধর্মের প্রভাবের বিষয়টি আরো বেশি প্রভাব বিস্তার করে। মুসলিমদের মনে আল্লাহর ভয় বদ্ধমূল থাকে। এ জন্য তারা বহুবিধ পাপাচার থেকে বিরত থাকে। তাই তারা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সুখী। গবেষণার বিশ্লেষণে দেখা যায়, উচ্চ ধার্মিকতা বিষন্নতা এবং মা.. দকদ্রব্যের অপব্যবহার ও আত্মহ.. ত্যার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, ধর্ম ও সুখের সঙ্গে একটি ইতিবাচক সংযোগ আছে।

সূত্র- দৈনিক ইত্তেফাক।

চীনের ভয়ে দালাইলামার জন্মদিন পালন করতে দিচ্ছে না নেপাল

তিব্বতিদের অনুরোধ রাখলো না নেপাল। শনিবার ৮৪ তে পা দিয়েছেন তিব্বতীদের ধর্মগুরু দালাইলামা। সেই মাহেন্দ্রক্ষণ উপলক্ষ্যে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে উৎসব পালন করার আর্জি জানিয়েছিলেন তিব্বতীরা। কিন্তু নেপাল সরকার তা বাতিল করে দিয়েছে। নেপাল সরকারের দাবি, ‘এই সুযোগে অনুপ্রবেশকারীরা দেশে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।’

বলা হচ্ছে, নিরাপত্তার ঘাটতি প্রকাশ্যে আসায় আধ্যাত্মিক গুরু দলাই লামার জন্মদিন পালন করার পরিকল্পনা বন্ধ করে দেয় নেপাল সরকার। রবিবার একথা জানান, নেপাল সরকারের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা।অন্যদিকে, নেপাল সরকারের এমন সিদ্ধান্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নেপালের তিব্বতী কমিটি।

ভারত ও চীনের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মণ্ডিত একটি দেশ নেপাল বিশ্বের ১০টি দরিদ্রতম দেশগুলির মধ্যে একটি। দালাইলামাকে বিপজ্জনক এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে মনে করে চীন। অন্যদিকে নেপালের নিরাপত্তা রক্ষার্থে সেনা মোতায়েন করে থাকে বেইজিং।

চীনা শাসনের বিরুদ্ধে ব্যর্থ বিদ্রোহের পর ১৯৫৯ সালের শুরুতে দালাইলামা ভারতে পালিয়ে যান। কাঠমান্ডুর সহকারী জেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা কৃষ্ণ বাহাদুর কাতুয়াল বলেন, ‘সরকার এই আর্জি বাতিল করেছে। তার কারণ এই সুযোগে বহিরাগতরা দেশে প্রবেশ করতে পারে।’