জার্মান বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা, মুসলিমরাই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী

1157

মুসলিমরাই পৃথিবীতে সবচেয়ে- প্রতিটি মানুষ অবিরত ছুটে চলেছে সুখের পিছনে। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী কে? এ নিয়ে দীর্ঘ সমীক্ষা চালিয়েছে জার্মানির ম্যান হেইম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।

তারা ৬৭ হাজার ৫৬২ জনের ওপর সমীক্ষার পর গবেষণার যে ফলাফল প্রকাশ করেছেন তাতে উঠে এসেছে মুসলিমরাই এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী।

নিজেদের জীবন নিয়ে তাঁরাই সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্ট। এর কারণ হিসেবে উঠে এসেছে মুসলিমদের একত্ববাদে বিশ্বাস। মুসলিমরা একজন সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহর ওপর পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রেখে জীবন অতিবাহিত করেন। মুসলমানরা তকদির বা ভাগ্যে বিশ্বাস করেন। ফলে অল্পতেও তারা সন্তুষ্টি বোধ করেন। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে খ্রিষ্টানরা। এরপর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা।

তারপর রয়েছে হিন্দুরা। সমীক্ষায় উঠে এসেছে, যারা ধর্মে বিশ্বাস করেন না নাস্তিক, তারাই পৃথিবীতে সবচেয়ে অসুখী। ব্রিটেনের ‘ডেইলি মেইল’ এক প্রতিবেদনে জানায়, জার্মানির ম্যান হেইম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাটি যুক্তরাষ্ট্রের সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, আল্লাহর একত্ববাদ আর আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাস মুসলিমদেরকে প্রভাবিত করায় হতাশা ও উদ্বেগ তাদেরকে খুব একটা গ্রাস করতে পারে না। মানুষের প্রতি মুসলিমদের সহানুভূতি অনেক বেশি। এ কারণেই তাদের মধ্যে আ”ত্ম”হ”ত্যা”র প্রবণতা অনেক কম।

ম্যানহেইম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইকোলজিস্ট ড. লরা ম্যারি এডিনগার-স্কন্স এ গবেষণার ফলাফল তৈরি করেন। তিনি বলেন, গবেষণাটির ফলাফলে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে যে, মানুষের সন্তুষ্টির সঙ্গে একত্ববাদের সরাসরি সম্পর্ক আছে। ধর্মসংক্রান্ত মনস্তাত্ত্বিক জ্ঞানের ক্ষেত্রকে আরো প্রসারিত করেছে এ একত্ববাদ।

মুসলিমদের সন্তুষ্টিতে ধর্মের প্রভাবের বিষয়টি আরো বেশি প্রভাব বিস্তার করে। মুসলিমদের মনে আল্লাহর ভয় বদ্ধমূল থাকে। এ জন্য তারা বহুবিধ পা’পা’চা’র থেকে বিরত থাকে। তাই তারা বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সুখী। গবেষণার বিশ্লেষণে দেখা যায়, উচ্চ ধার্মিকতা বিষন্নতা এবং মা.. দ’ক’দ্র’ব্যে’র অ’প’ব্য’ব’হা’র ও আ”ত্ম”হ.. ত্যা”র ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে, ধর্ম ও সুখের সঙ্গে একটি ইতিবাচক সংযোগ আছে।

রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে স্বপ্নে দেখার আমল

ইসলামবিষয়ক প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠান ‘আপনার জিজ্ঞাসা’য় রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে স্বপ্নে দেখার আমল কী, সে বিষয়ে উত্তর দিয়েছেন বিশিষ্ট আলেম ড. মুহাম্মাদ সাইফুল্লাহ।


তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে স্বপ্নে দেখার কোনো আমল মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) উল্লেখ করেননি। তবে সুফেসালিহীনগণ মহানবী (সা.) কে দেখার জন্য দুটি জিনিস করতেন।

একটি হলো, প্রতিটি পর্যায়ে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর দিকনির্দেশনা অনুসরণ করা। নবীর (সা.) দিকনির্দেশনার কাজটি যদি কেউ নিয়মিত করেন, তাহলে তিনি নবী (সা.)-কে স্বপ্নে দেখতে পারেন।

দ্বিতীয় যে কাজটি সুফেসালিহীনগণ করতেন সেটি হলো, মহানবী (সা.)-কে স্বপ্নে দেখার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন।

রাসুল (সা.)-কে যারা ভালোবেসেছেন, তাদের ভালোবাসার দাবি হচ্ছে যে যাঁকে আমরা ভালোবেসেছি, যাঁর প্রতি আমাদের অন্তরের অনুরাগ রয়েছে, তাঁকে আমরা স্বপ্ন দেখব। এ জন্য তারা আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন।

এ দুটি কাজের মধ্যে আপনি যেকোনো একটি কাজ করতে পারেন বা দুটি কাজই করতে পারেন, তাহলে হয়তো আপনি আল্লাহর প্রিয় হাবীব রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে স্বপ্নে দেখতে পারবেন।