ঘুরে আসতে পারেন বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর গ্রাম ‘পানতুমাই’

1990

‘পানতুমাই’ বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর গ্রাম। পানতুমাই সিলেট জেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের একটি গ্রাম যা ভারত সীমান্তের মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।

পানতুমাই গ্রামের স্থানীয় নাম “পাংথুমাই” কিন্তু সঠিক উচ্চারণ “পানতুমাই”। এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর গ্রাম বলার যথেষ্ঠ কারন রয়েছে।

নয়নাভিরাম, অপূর্ব, অসাধারন, নান্দনিক, হৃদয়স্পর্শী, এই সবগুলো শব্দও যদি এই নামের সঙ্গে লাগানো হয় তারপরও “পানতুমাই” সৌন্দর্যের বিশ্লেষণ করা শেষ হবে না।

অবশ্য বাংলাদেশেই যে এত চমৎকার, নৈর্সগিক একটি গ্রাম আছে তা অনেকেরই অজানা! দেশ বিদেশের বিভিন্ন অঞ্চল, শহর, নগরীর সৌন্দর্যের খেতাব থাকলেও বাংলাদেশের ছোট্ট অথচ অনিন্দ্য সুন্দর এই গ্রামের কোন খেতাব নেই।

আমাদের প্রতিবেশী ভারতের মেঘালয়ের গহীন অরণ্যের কোল ঘেঁসে বাংলাদেশের বুকে নেমে এসেছে অপরূপ সুন্দর এক ঝর্ণাধারা।

যার কুল কুল ধ্বনিতে মন নাচিয়ে আপনাকে নিয়ে যাবে প্রকৃতির পানে। ঝর্ণাটির স্থানীয় নাম ফাটাছড়ির ঝর্ণা, কেউ কেউ একে ডাকেন বড়হিল ঝর্ণা বলে।

ঝর্ণাটি প্রতিবেশী দেশ ভারতের মধ্যে পড়লেও পিয়াইন নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে খুব কাছ থেকে উপভোগ করা যায় ঝর্ণাটির অপূর্ব রূপ সুধা। পাশেই বিএসএফ ক্যাম্প, আর বরইগাছের সারি দিয়ে দুই দেশের সীমানা ভাগ করা।

অবশ্য বিজিবির কোনো চৌকি নেই এখানে, তাই সীমানার কাছাকাছি যাওয়া চিন্তা না করাই মঙ্গলজনক। সীমান্তের কাছাকাছি না গিয়েও ঝর্ণাটির মোহনীয় সৌন্দর্য্য রস উপভোগ করতে পারবেন প্রাণভরে বাধাহীন।

গ্রামের শেষে, পাহাড়ি গুহা বেয়ে উচ্ছল ভঙ্গিমায় ছুটে চলছে হরিণীর মতোই লীলায়িত নাম না জানা ঝর্ণার জলরাশি। ছিটকে পড়ে মেলে ধরেছে নিজের রূপের মাধুরী।

তবে সাবধান, ঝর্ণার কাছাকাছি যাওয়া নিষেধ। অনেক আগে ঝর্ণার কাছে যদিও যাওয়াও যেত, ঝর্ণার পানিতে নেমে গোসলও করা যেত, কিন্তু সেই সময় বিএসএফ এর ক্যাম্প ছিল না। তবে ভ্রমন পিপাসুরা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে এর অপরূপ নৈর্সগিক সৌন্দর্য্য অবলোকন করতে পারবেন।

সিলেটের আম্বরখানা পয়েন্ট থেকে সিএনজি নিয়ে যাবেন গোয়াইনঘাট থানা সংলগ্ন বাজারে। ভাড়া পড়বে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। সেখান থেকে আরেকটি সিএনজিতে পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের পাংথুমাই বা পানতুমাই যেতে ভাড়া লাগে মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।

পানতুমাইয়ে কোনো খাবার হোটেল বা থাকার ব্যবস্থা না থাকায় শুকনা খাবার অবশ্যই সাথে রাখতে হবে। রাতে থাকতে চাইলে স্থানীয়দের সহায়তা নিয়ে থাকাই উত্তম। তবে এক্ষেত্রে আপনার ২০০-৩০০ টাকা ব্যয় হতে পারে।

গায়ে দুর্গন্ধযুক্ত চাদর, পরনে ছেঁড়া লুঙ্গি … কাঁধের ঝোলায় মিললো চার লাখ টাকা!

তার গায়ে ময়লা-দুর্গন্ধযুক্ত চাদর, পরনে ছেঁড়া লুঙ্গি, মুখভর্তি সাদা দাড়ি, মাথায় উশকো-খুশকো লম্বা চুল আর কাঁধে ঝোলানো ময়লা ও ছেঁড়া কাপড়ের ব্যাগ!

তিনি ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করেন। লোকে তাকে পাগল বলে। তার কাঁধের সেই ছেঁড়া-ময়লা ব্যাগে মিললো প্রায় চার লাখ টাকা!

ঘটনাটি খুলনার খালিশপুরের। পাগলের কাঁধে ঝোলানো ময়লা ও ছেঁড়া কাপড়ের ব্যাগে পাওয়া যায় ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৪৯ টাকা। নগরীর দৌলতপুর বাজার, বিএল কলেজ, খালিশপুর পিপলস গোল চত্ত্বর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে এই পাগলকে দেখা যায়।

বৃহস্পতিবার সকালে কৌতুহলবশত স্থানীয় কয়েকজন যুবক খালিশপুর মিল গেট এলাকায় তার ব্যাগ তল্লা’শি করলে এই টাকা পাওয়া যায়।

ভাঁজ ভাঁজ করে রাখা ৫শ টাকার নোটের কয়েকটি ব্যান্ডিল পাওয়া যায় তার ব্যাগের মধ্যে।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পাগলকে ঘিরে ভিড় করে অসংখ্য মানুষ। ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পু’লিশ টাকাসহ ওই পাগলকে নিজেদের জিম্মায় নেয়।

কারো কাছে তিনি কখনো টাকা চান না। লোকজন খুশি হয়ে তাকে টাকা ও খাবার দিতো। প্রাথমিকভাবে তার নাম জেবাল হক বলে জানা গেছে।

খুলনার খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরদার মোশরফ হোসেন বলেন, টাকার মালিক জেবাল হক পাগল নয়, তবে মস্তিষ্ক বি’কৃত মানুষ। জিজ্ঞাসাবাদে নাম জেবাল হক বললেও বাড়ির ঠিকানা বলতে পারেনি। বেশি টাকা হলেই সে ১০০ ও ৫০০ টাকার নোট বানিয়ে ব্যাগের মধ্যে রাখতো।

তিনি বলেন, তার বিষয়ে সমাজ কল্যাণ অধিদফতরের সাথে কথা হয়েছে। তাদের তত্ত্বাবধায়নে সেখানে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এরইমধ্যে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। তবে ভাইরাল হওয়া ছবিটি প্রসঙ্গে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।