৭৪% ভোট পেয়ে নিষিদ্ধ হয়েও বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হলেন সাকিব !

538

২২ গজে নিষিদ্ধ হয়েও ৭৪% ভোট পেয়ে বর্ষসেরা ক্রিকটার নির্বাচিত হচ্ছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান! ওয়ানডে বিশ্বকাপের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ব্যাটিং এবং বোলিংয়ে দুই বিভাগেই চমৎকার করেছিলেন সাকিব।

২০১৯ বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচে ৬০৬ রান করেছেন সাকিব আল হাসান। সেঞ্চুরি করেছেন দুটি, হাফসেঞ্চুরি রয়েছে মোট পাঁচটি। তুলেছেন মোট ১১ উইকেট।

টুর্নামেন্ট জুড়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেয়া এই অলরাউন্ডারকে নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। অভিযোগ ছিল ভারতীয় বুকি দীপক আগারওয়ালের কাছ থেকে ফি’ক্সিং’য়ের প্রস্তাব পেয়েও গোপন রেখেছিলেন সাকিব। তদন্তের সময় বিষয়টি মেনে নেয়ায় ১ বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয় বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে।

নিষেধাজ্ঞার পর টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিং থেকে তার নাম সরিয়ে ফেলেছে আইসিসি। তবে চলতি বছর ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্সতো কারওই ভোলার কথ নয়। ভারত আর্মির পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক বর্ষসেরা খেলোয়াড় পুরুষ ক্যাটাগরিতে মনোনায়ন পেয়েছেন সাকিব।

৩২ বছর বয়সী এই তারকা ছাড়াও আরও তিন জন রয়েছেন এই তালিকায়। সাকিবের সঙ্গে ভারত আর্মি অ্যাওয়ার্ডের প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেবে রয়েছেন ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস, অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথ ও নিউজিল্যান্ডের কেন উইলিয়ামসন। ভারতের ক্রিকেট সমর্থক গোষ্টি ভারত আর্মি প্রতিবছরই সমর্থকদের ভোটে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করে থাকে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারের পোল পোস্টের মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচিত করা হবে। তবে অন্যদের থেকে অণেক বেশী ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন সাকিব আল হাসান। ৫ দিন শেষে এখন পর্যন্ত শাকিব পেয়েছেন ৭৪ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বেন স্টোকস পেয়েছেন ১২% ভোট। আর কেন উইলিয়ামসন ৮ এবং স্টিভ স্মিথ ৬ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

সেই মানবপাহাড়ে আবারও পিষ্ট আফগানিস্তান…

রাহকিম কর্নওয়ালকে কি দেখেই ভয় পেয়ে যায় আফগানিস্তান? ১৪৬ কেজি ওজনের ক্যারিবীয় অফস্পিনার প্রথম ইনিংসে একাই ধসিয়ে দিয়েছিলেন আফগানদের।

দ্বিতীয় ইনিংসেও বল হাতে আ’ত’ঙ্ক ছড়াচ্ছেন ৬ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার এই অলরাউন্ডার। লক্ষ্মৌ টেস্টের দুইদিন কাটতেই হারের শ’ঙ্কা পেয়ে বসেছে আফগানিস্তানকে। দ্বিতীয় ইনিংসে ১০৯ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়ে বসেছে রশিদ খানের দল। লিড মাত্র ১৯ রানের।

অথচ দুই ওপেনার জাভেদ আহমেদি আর ইব্রাহিম জাদরান শুরুটা করেছিলেন বেশ দেখেশুনে। ২৩ রান করা জাদরানকে ফিরিয়ে ৫৩ রানের ওপেনিং জুটিটি ভাঙেন কর্নওয়াল। ধ’সের শুরু সেখান থেকেই।

ইহসান উল্লাহ মাত্র ১ রান করে রানআউটের ক’বলে পড়েন। এরপর রহমত শাহ আর আসঘর আফগানকে টানা দুই ওভারে শূন্য রানেই সাজঘরের পথ দেখান কর্নওয়াল। পরের সময়টায় ঘূর্ণি বিষ ছড়ান রস্টন চেজ। তিনিও নেন ৩ উইকেট।

একটা প্রান্ত ধরে তবু দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন জাভেদ আহমেদি। দিনের একদম শেষ বলে এই আহমেদিও রস্টন চেজের শি’কা’র হন ৬২ রান করে। এই উইকেটেও হাতের ছোঁয়া ছিল সেই পাহাড়মানব কর্নওয়ালের, ক্যাচটি যে নিয়েছেন তিনিই!