২০০ টাকা ছাড়ালো প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম !

73

কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না পেঁয়াজের বাজার। দাম তো কোনভাবে কমছেইনা উল্টো আরও বাড়ছে। রাজধানীতে আজ পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ২০০ ছুঁই ছুঁই। পেঁয়াজের এমন লাগামহীন দামে ক্ষোভ ক্রেতাদের মাঝে।

পেঁয়াজের বাজার কারা নিয়ন্ত্রণ করছেন সে প্রশ্ন সাধারণ মানুষের। মিয়ানমার থেকে ৪২ টাকা দরে পেঁয়াজ কেনার পরেও দেশে কোন অজুহাতে এত দাম সে প্রশ্নও ক্রেতাদের। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান তাদের।

ঈশ্বরদীর খুচরা বাজারে আজ বৃহস্পতিবার দেশি পেঁয়াজ ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দাম বেড়েছে কেজিতে ৪০ টাকা। বুধবার পাইকারি আড়তগুলোতে দেশি পেঁয়াজ ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বৃহস্পতিবার দাম বেড়ে ১৮০ টাকা হয়েছে।

খুচরা বাজারে বুধবার পেঁয়াজের কেজি ছিল ১৬০ টাকা। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালের দিকে পাইকারি আড়তে পেঁয়াজের কেজি ১৮০ টাকা বিক্রি হলেও বেলা ১২টার দিকে দাম কেজিতে ১০ বেড়ে ১৯০ টাকা হয়েছে। অর্থাত্ ৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মণ প্রতি ৪০০ টাকা বেড়ে গেছে।

ঈশ্বরদীর বাজারে বিদেশ হতে আমদানিকৃত পেঁয়াজ দেখা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে আড়তদার শহীদ জানান, যেসব পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে সেগুলো ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজারেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। এদিকে আসছে না। ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ নেই। দেশি পেঁয়াজের মজুদও প্রায় শেষ।

ঘূর্ণিঝড়ে পেঁয়াজ পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। তাই দাম বেড়েছে। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘূর্ণিঝড়ের পর এক লাফে দাম বেড়ে যাওয়াটা ব্যবসায়ীদের নতুন আরেকটি অজুহাত মাত্র।

থাযথ নজরদারির অভাবে প্রশ্রয় পেয়েছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। সরবরাহ প্রচুর থাকলেও মোকামে ঘাটতি কথা বলে এই চক্র সকল ধরনের পেঁয়াজ পাইকারি ও খুচরা বাজারে কেজিতে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এ মৌসুমে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আসছে না পেঁয়াজের দাম।

এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিহাব রায়হান বলেন, পেঁয়াজের দাম সারা দেশেই উর্দ্ধমূখি। এ বিষয়ে আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি। মোবাইল কোর্ট অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।