১২ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বা, ঈদের দিন ধরা পড়ল ধ র্ষ ক…

36

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ১২ বছরের এক শিশুকে দিনের পর দিন ধ র্ষ ণ করেছে মোহন্ত (২৩) নামে এক যুবক। এতে ১২ বছরের ওই শিশু অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে।

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ওই যুবককে অভিযুক্ত করে রোববার (১১ আগস্ট) বিরামপুর থানায় নারী ও শিশু নি র্যা তন দমন আইনে মামলা করেন শিশুটির মা। মামলার পর অভিযান চালিয়ে ওই যুবককে গ্রে ফ তার করে সোমবার (১২ আগস্ট) জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

বিরামপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা বলেন, আট মাস ধরে ওই শিশুকে ধ র্ষ ণ করেছে মোহন্ত হাসদা নামে একই এলাকার এক যুবক। শনিবার বিয়ের দাবি নিয়ে ওই যুবকের বাসায় গেলে তার বাবা-মা মেয়েটিকে বাসা থেকে বের করে দেয়। এ ঘটনায় রোববার ওই যুবককে অভিযুক্ত করে মামলা করেন মেয়েটির মা। পরে অভিযুক্ত যুবককে গ্রে ফ তার করে জেল হাজতে পাঠায় পুলিশ।

শিশুটির মা বলেন, অনেক দিন ধরে আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধ র্ষ ণ করে মোহন্ত। কয়েক দিন ধরে মেয়ের শারীরিক পরিবর্তন ঘটলে বিষয়টি আমাকে জানায়। বিষয়টি যাচাই করার জন্য শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে আল্ট্রাসনোগ্রাম করানো হয়। পরে রিপোর্টে মেয়েটি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে নিশ্চিত করেন ডাক্তার।

বিরামপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ধ র্ষ ণের শিকার মেয়েটির মায়ের মামলার পর ওই যুবককে গ্রে ফ তার করা হয়। সোমবার সকালে তাকে দিনাজপুর জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মেয়েটিকে ধ র্ষ ণের কথা স্বীকার করেছে মোহন্ত।

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হ ত্যার অভিযোগ !

সাতক্ষীরায় এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হ ত্যার পর ঘরের আড়ার সঙ্গে ম র দে হ ঝুলিয়ে দিয়ে আত্ম হ ত্যা বলে প্রচার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার ভোররাতে শহরের সুলতানপুর পালপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নি হ ত গৃহবধূ দীপিকা হাজরা কালিগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর গ্রামের অমীয় হাজরার মেয়ে।

নি হ ত গৃহবধূর মা কল্পনা হাজরা বলেন, ২০১৮ সালে আমার মেয়ের সঙ্গে সুলতানপুর পালপাড়া গ্রামের অপারেষ পালের ছেলে অনিমেষ পালের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে মেয়েকে যৌতুকের দাবিতে মা র ধ র করতো জামাই। চাহিদা মতো কয়েক দফায় মেয়ের জামাইকে যৌ তু কের টাকা দেয়া হয়। মেয়ের জামাই অনিমেষ পাল বাগেরহাটে চাকরি করে। মেয়েকে সেখানে যেতে দিতো না শাশুড়ি নিয়তি পাল ও শ্বশুর অপারেষ পাল। এমনকি মোবাইলে মেয়েকে জামাইয়ের সঙ্গে কথা বলতে দিতো না তারা।

তিনি আরও বলেন, চারদিন আগে আমার বাড়ি থেকে মেয়েকে নিয়ে যায় জামাই। মেয়ে প্রথমে যেতে না চাইলে তাকে মা র ধ র করে জামাই। মঙ্গলবার ভোর রাতে জামাই ফোন করে জানায় আপনার মেয়ে গলায় দড়ি দিয়ে আত্ম হ ত্যা করেছে।

খবর শোনার পর আমরা গিয়ে দেখি ঘরের ভেতর গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে মেয়ে। শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলতে থাকে রাতে গলায় দড়ি দিয়ে আত্ম হ ত্যা করেছে মেয়ে। মেয়েকে নামানোর পর দেখা যায় তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন। মেয়েকে হ ত্যা করে গলায় দড়ি দিয়ে আত্ম হ ত্যা বলে প্রচার করছে তারা।

সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্ম হ ত্যা। ম র দে হ উদ্ধার করে ম য় না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ম য় না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।