ছাত্রীকে স্কুল থেকে বাড়িতে নিলেন শিক্ষক, ধরলেন এলাকাবাসী

156

ছাত্রীকে বাড়িতে নিলেন শিক্ষক- গাইবান্ধা সদর উপজেলায় দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে অবৈ ধভাবে মেলামেশা করার সময় এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েছেন এক শিক্ষক। উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রহমতপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়া শরিফুল ইসলাম রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের রহমতপুর আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। একই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ম মেয়ে বানিয়ে অবৈ ধভাবে মেলামেশার সময় এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়েন তিনি।

এ ঘটনায় সহকারী শিক্ষক শরিফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে রহমতপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি শিক্ষক শরিফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি জানায়।

এলাকাবাসী জানায়, দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ম মেয়ে বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে অবৈ ধভাবে মেলামেশা করে আসছিলেন শিক্ষক শরিফুল। কয়েকদিন আগে স্কুলের টিফিনের সময় ওই ছাত্রীকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান শরিফুল। বাড়িতে ওই ছাত্রীর সঙ্গে অবৈ ধভাবে মেলামেশার সময় দেখে ফেলে স্থানীয়রা।

সেই সঙ্গে মুহূর্তেই বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। পরে ওই শিক্ষককে হাতেনাতে ধরে ফেলে এলাকাবাসী। সেখান থেকে শিক্ষক শরিফুল পালিয়ে যান। বিষয়টি নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন ওই শিক্ষক। এ অবস্থায় শনিবার বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভায় শিক্ষক শরিফুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

তবে শিক্ষক শরিফুল ইসলামের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে ঘটনাটি ষড় যন্ত্রমূলক। ওই ছাত্রীর সঙ্গে কোনো ঘটনা ঘটেনি। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি।

এ বিষয়ে সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ছাত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়ায় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শরিফুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বারহাট্টায় অ প হৃত স্কুলছাত্রীকে ডেমরা থেকে উদ্ধার….

নেত্রকোনার বারহাট্টা থেকে অপ হর ণের দুদিন পর এক স্কুলছাত্রীকে (১৩) উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে রাজধানীর ডেমরা থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে বারহাট্টা থানা পুলিশ।

এসময় অপ হর ণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বারহাট্টা উপজেলার মনাস গ্রামের আবদুল আজিজের ছেলে মো. মুন্না মিয়া (২২) ও ঢাকার ডেমরার সারুলিয়া ওয়াসা রোডের মো. নূরুল ইসলামের ছেলে মো. রায়হানকে (২৪) গ্রে ফতার করা হয়েছে। গ্রে ফতারদের শনিবার বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, বারহাট্টা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিপড়ুয়া ওই ছাত্রীকে গত বুধবার সকালে বারহাট্টা মধ্যবাজার থেকে অপ হরণ করা হয়। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করে তাকে কোথাও পায়নি। এ ঘটনায় ওইদিন রাতে বারহাট্টা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন অপ হৃত ছাত্রীর বাবা।

বারহাট্টা থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকার ডেমরার সারুলিয়া ওয়াসা রোডের জাহাঙ্গীরের বাসা থেকে শুক্রবার বিকেলে অপ হৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও অপ হরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. মুন্না মিয়া ও মো. রায়হানকে গ্রেফ তার করে।

পরে শুক্রবার রাতে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বারহাট্টা থানায় নারী ও শিশু নি র্যা তন দমন আইনে আবদুল আজিজের ছেলে মো. মুন্না মিয়া, মুন্নার মা শেফালী আক্তার ও ডেমরার সারুলিয়া ওয়াসা পাড়ার নূরুল ইসলামের ছেলে মো. রায়হানের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত দু-তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বদরুল আলম জানান, অপ হৃত ছাত্রীকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। অপ হরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেফ তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আ সামিদের গ্রেফ তারের জন্য চেষ্টা চলছে।