সেপটিক ট্যাংকে নেমে ৬ শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃ ত্যু !

74

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার জাফরপুর পলাশবাড়ী গ্রামে একটি নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের ছাদ ঢালাইয়ের শার্টার খুলতে গিয়ে ৬ শ্রমিকের ম র্মা ন্তিক মৃ ত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে জাফরপুর গ্রামের নিখিল কুমারের বাড়িতে এ দু র্ঘ ট না ঘটে।

নি হ ত রা হলেন, জাফরপুর পলাশবাড়ী গ্রামের বাড়িওয়ালা নিখিল চন্দ্রের ছেলে প্রিতম চন্দ্র (১৯), মৃ ত গোবিন্দ চন্দ্রের ছেলে গণেশ (৪৫), রেজাউল করিমের ছেলে সজল (২০), সাথী হোসেনের ছেলে শিহাব (১৮), গণিপুর গ্রামের ছামছুল আকন্দের ছেলে শাহিন (৩০) এবং বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলা খলিশ্বর গ্রামের টিটু মন্ডলের ছেলে মুকুল (২৫)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, জাফরপুর পলাশবাড়ী গ্রামের নিখিল চন্দ্রের বাড়িতে মিস্ত্রিরা গত কয়েকদিন আগে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক নির্মাণ করে মুখ বন্ধ করে চলে যান। বুধবার সকালে ওই নির্মাণাধীন সেপটিক ট্যাংকের ছাদ ঢালাইয়ের শার্টার খুলতে শ্রমিকরা ট্যাংকের ভেতরে নামেন। এ সময় বিষাক্ত গ্যাসে ঘটনাস্থলেই ৩ জন ও হাসপাতালে নেয়া হলে আরও ৩ জনের মৃ ত্যু হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস হ তা হ ত দে র উদ্ধার করেন।

আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কিরন কুমার রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ফাঁস দিয়ে ব্যাংক কর্মকর্তার আ ত্ম হ.. ত্যা

রবিউল ইসলাম (৫৫) নামে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) এক কর্মকর্তা আ ত্ম হ ত্যা করেছেন। তিনি নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বড়ভিটা শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

জলঢাকা উপজেলার কলেজপাড়ার নিজবাসায় আজ (বুধবার) সকালে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে আ ত্ম হ.. ত্যা করেন তিনি। তবে এর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রবিউল ইসলামের বাড়ি জলঢাকা উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের বিজলীডাঙ্গা গ্রামে। বাবার নাম আবুল হোসেন।

এলাকাবাসী জানান, রবিউল ইসলামের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ে একটি প্রাইভেট মেডিকেল কলেজের ছাত্রী, আর ছোট ছেলে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দেবে। ছোট ছেলের লেখাপড়ার কারণে স্ত্রী জেলার সৈয়দপুর শহরে থাকেন। রবিউল ইসলাম জলঢাকায় একাই থাকতেন। তবে বাসার পৃথক দুই ইউনিটে দুটি পরিবার ভাড়া থাকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো আজও সকাল ৬টায় রবিউল ইসলামকে বাড়ির বাইরে হাঁটাহাঁটি ও মোবাইলে কথা বলতে দেখেছেন তারা। এরপর তিনি বাসায় ঢোকেন।

তারা আরও জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গৃহকর্মী নাস্তা বানাতে এসে দেখেন রবিউল ঘরে গলায় ফাঁ স দিয়ে ঝুলে রয়েছেন। ঘরের দরজা-জানালা খোলাই ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে আসে। পরে রবিউল ইসলামের স্ত্রী ও গ্রামের বাড়ি থেকে বাবা ও ভাইসহ অন্যরা আসার পর তাদের উপস্থিতিতে পুলিশ ম র দে হ উদ্ধার করে।

পুলিশের জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।