সাপ ধরে কা’মড়ে টুকরো টুকরো করল এই যুবক !

273

সাপ কা’মড় দেয়ায় প্র তি শো ধ হিসেবে ওই সাপকে ধরে কামড়ে টুকরো টুকরো করে হ.. ত্যা করেছেন মা দ কা স ক্ত এক ব্যক্তি। রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের এতাহ জেলার একটি গ্রামে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, এতাহ জেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা রাজ কুমার মা দ ক সে বনের পর মা তা ল অবস্থায় ছিলেন। এ সময় একটি সাপ বাড়িতে ঢুকে তাকে কামড় দেয়। পরে সাপটিকে ধরে কামড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলেন তিনি।

রাজ কুমারকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা বলেছেন, তার অবস্থা গুরুতর। রাজ কুমারের বাবা বলেন, সাপটিকে কামড়ে কয়েক টুকরো করার সময় তার ছেলে ম দ্য প ছিলেন।

বার্তাসংস্থা এএনআইকে রাজ কুমারের বাবা বাবু রাম বলেন, আমার ছেলে মা তা ল ছিল। এমন সময় একটি সাপ আমাদের বাড়িতে ঢুকে এবং রাজ কুমারকে কামড় দেয়। পরে সে সাপটিকে কামড়ে কয়েক টুকরো করে। তার অবস্থা আ শ ঙ্কা জ ন ক। আমরা তার চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে পারছি না।

হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, একজন রোগী আমার কাছে এসে জানান যে, তিনি একটি সাপকে কামড় দিয়েছেন। আমি ভুল বুঝেছিলাম যে, সাপ তাকে কামড় দিয়েছে। তার অবস্থা গু রু ত র। পরে তাকে অন্য একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার পর রাজ কুমারের পরিবার সাপটিকে মাটিতে পুঁতে ফেলেছে।

‘নোবেলের প্রতি অবিচার করা হয়েছে’

অবশেষে বাংলা সংগীত রিয়েলিটি শো ‘জি বাংলা সা রে গা মা পা ২০১৯’ চূড়ান্ত পর্ব প্রচারিত হলো। রোববার রাতে প্রচারিত হয়েছে পর্বটি। তবে অনেক আগেই অনলাইনে ফাঁস হয়ে গিয়েছিল এই আয়োজনের চূড়ান্ত পর্বের ফলাফল। জানা গিয়েছিলো বাদ পড়ছেন তুমুল আলোচিত বাংলাদেশের প্রতিযোগী নোবেল।

অনুষ্ঠান প্রচারের সময় সেই ফলাফলের কোনো ব্যতিক্রম দেখা যায়নি।

‘সা রে গা মা পা ২০১৯’ র সেরার মুকুট উঠেছে উত্তর চব্বিশ পরগনার অঙ্কিতার মাথায়। যৌথভাবে প্রথম রানার আপ নির্বাচিত হয়েছেন কলকাতার গৌরব এবং উত্তর দিনাজপুরের স্নিগ্ধজিৎ। দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছেন নৈহাটির প্রীতম ও ওপার বাংলার মাঈনুল আহাসন নোবেল। আর কালিকা প্রসাদ ভট্টাচার্য স্মৃতি সম্মান দেওয়া হয়েছে সুমনকে।

এই প্রতিযোগিতার ফলাফল নিয়ে খুশি হতে পারেননি নোবেলের ভক্তরা। চলার পথে, বাসে সোশ্যাল মিডিয়াতে সবখানে আলোচনা হচ্ছে বিষয়টি নিয়ে। অনেকেই বলছেন পুরো শোতে বিচারকরা যেখানে নোবেলের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন চূড়ান্ত পর্বে এসে নোবেলের সঙ্গে অবিচার করেছেন তারা।

শেখ শাহাদাত তাসিন নামের এক নোবেল ভক্ত ফেসবুকে লিখেছেন, ‘অবিচার করা হয়েছে নোবেলের ওপর। এটা মানা কষ্টকর। কেননা যাকে সেরা বর্ষসেরা শিল্পী হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়েছে তার থেকে অনেক ভালো পারফরম্যান্স ছিল নোবেলের। ইন্ডিয়া কখনো বাংলাদেশর একজন শিল্পীকে পুরস্কৃত করবে না।

ইন্ডিয়া সবসময় দুর্নীতি করে বাংলাদেশের সঙ্গে। এটা নতুন কিছু না। আজও তাই হলো এই গ্রান্ড ফিনালেতে। যেমনটা দেখতে পাই ক্রিকেট খেলায়। সমস্যা নেই। নোবেল সবার সেরা সেটা সাবাই জানে। রেজাল্টের দিকে তাকানোর কোনো প্রয়োজন নেই।’

সংগীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মোনালি ঠাকুর এবং শ্রীকান্ত আচার্যের মন জয় করে অন্যান্যদের পেছনে ফেলে ফাইনালের টিকিট পেয়েছিল মোট ৬ জন প্রতিযোগী। সুমন, গৌরব, স্নিগ্ধজিৎ, নোবেল, অঙ্কিতা ও প্রীতম। ফাইনালে স্পেশাল গেস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সুখবিন্দর সিং।

প্রসঙ্গত ‘সা রে গা মা পা ‘র মেগা ফাইনালের সম্প্রচার রোববার হলেও এর শুটিং সম্পন্ন হয় ২৯ জুন নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে। তাই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ও নিউজ পোর্টালে আগে থেকেই এর ফলাফল প্রকাশ হয়ে যায়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে রোববার সম্প্রচারের পর আবারও আলোচনা, সমালোচনা শুরু হয়েছে গানের এই প্রতিযোগিতাটি নিয়ে।