শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ২৫ তারিখ হতে কোচিং সেন্টার বন্ধ

111

২৫ অক্টোবর থেকে কোচিং সেন্টার বন্ধ- বছরের প্রায় শেষ সময় এবং জে এস সি পরীক্ষা খুব কাছাকাছি। তাই আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সব পর্যায়ের সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। আর এই নির্দেশনা এসেছে খোদ শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মণির কাছ থেকে।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. দীপু বলেন, জেএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকল মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কোচিংয়ের বিষয়ে আমাদের কঠোর হতে হবে। পরীক্ষার সময় কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হলো কেউ কেউ বাইরে তালা লাগিয়ে ভেতরে কোচিং করান।

তিনি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে মনিটরিং বাড়ানো আহ্বান জানান। সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিরা।

রাজীবের মৃ’ত্যু, এক মাসের মধ্যে ১০ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ….

তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীবের মৃ’ত্যু’র ঘটনায় স্বজন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে এক মাসের মধ্যে রাজীবের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা ক্ষতি পূরণ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ রোববার প্রধান বিচার পতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে স্বজন পরিবহনের পক্ষে ছিলেন আইন জীবী শফিকুল ইসলাম বাবুল। রাজীবের পরিবারের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

ব্যারিস্টার কাজল বলেন, হাইকোর্ট বিভাগ রাজীবের পরিবারকে ২৫ লাখ টাকা করে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতি পূরণ দিতে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর বিরুদ্ধে স্বজন পরিবহন আপিল বিভাগে আবেদন করেছিল।

আজ রোববার আপিল বিভাগ তাদের বলেছেন, এক মাসের মধ্যে ১০ লাখ টাকা রাজীবের দুই ভাইকে দিতে হবে। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

গত বছরের ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার কাছে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের দুই বাসের রে’ষা রে’ষিতে হাত হারান রাজীব। দু’র্ঘ’টনার পরপরই তাকে পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে নেয়া হয়।

পর দিন ৪ এপ্রিল রাজীবের চিকিৎসা ও ক্ষতি পূরণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজীবের অবস্থার অ’ব’নতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। ১৩ দিন চিকিৎসার পর ১৬ এপ্রিল মধ্য রাতে মা’রা যান রাজীব। পরে রাজীবের পরিবারকে ১ কোটি টাকা ক্ষতি পূরণ দিতে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।