রূপগঞ্জে গণ’ধ র্ষ ণের পর প্রেমিকাকে রাস্তায় ফেলে গেল প্রেমিক !

161

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক তরুণীকে দু’দিন আটকে রেখে গণ ধ র্ষ ণের অভিযোগে তরুণীর প্রেমিকসহ পাঁচ যুবককে গ্রে ফ তা র করেছে পুলিশ। রুপগঞ্জ থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলার পিতলগঞ্জ পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি ঘরে ওই তরুণীকে দু’দিন আটকে রেখে ধ র্ষ ণ করে র ক্তা ক্ত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় ধ র্ষ ণ কারীরা। পরে এক সিএনজি চালকের সহায়তায় উদ্ধার হয়ে শুক্রবার রাতে ধ র্ষি তা রূপগঞ্জ থানায় গিয়ে মামলা করেন। পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে পাঁচ ধ র্ষ ক কে গ্রে’ফ’তা’র করে।

এজাহারের বরাত দিয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রূপগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক রফিকুল হক জানান, পিতলগঞ্জ এলাকার গোলজার মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়ার সঙ্গে কিছুদিন আগে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে পরিচয় হয় ওই তরুণীর। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

বৃহস্পতিবার রাসেল তার প্রেমিকাকে কাঞ্চন ব্রিজের নিচে দেখা করতে বলে। পরে ওই তরুণী রাত ৮টার দিকে কাঞ্চন ব্রিজের নিচে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে যান। এ সময় রাসেল তার বাবা-মায়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কথা বলে ওই তরুণীকে একটি সিএনজিযোগে পিতলগঞ্জ পশ্চিমপাড়া রফিক মিয়ার বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। পরে তাকে মারধর করে এবং হ ত্যা র ভ’য় দেখিয়ে ধ র্ষ ণ করে।

একই ঘরে পিতলগঞ্জ পশ্চিমপাড়া এলাকার আহসান উল্লাহর ছেলে আশিক মিয়া, সিরাজ মিয়ার ছেলে শাকিল মিয়া, হারিন্দা টেকপাড়া এলাকার হযরাত আলীর ছেলে সামছু দোহাই ও তাদের বন্ধু নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার সুন্দরখাতা এলাকার আহাম্মদ আলীর ছেলে শের আলী তাকে ধ র্ষ ণ করে।

ওই ঘরে দুইদিন আটকে রেখে পালাক্রমে ধ র্ষ ণে র পর অসুস্থ হয়ে পড়লে শুক্রবার মধ্যরাতে তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ধ র্ষ ণ কারীরা। পরে এক সিএনজি চালকের সহায়তায় সেখান থেকে রূপগঞ্জ থানায় গিয়ে রাসেলসহ পাঁচজনকে আসামি করে ধ র্ষ ণ মামলা দায়ের করেন ওই তরুণী।

স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধ র্ষ ণের দায়ে ছাত্র গ্রে ফ তার….

শরীয়তপুর সদর উপ‌জেলায় এক স্কুলছাত্রী‌কে অপহরণ ক‌রে ধ র্ষ ণের দা‌য়ে সুজন গাজী (১৯) না‌মে এক স্কুলছাত্র‌কে গ্রে ফ তা র ক‌রে‌ছে পু‌লিশ।

শ‌নিবার (৩ আগস্ট) দুপুরে শরীয়তপুর সদর উপ‌জেলার ম‌নোহর বাজার এলাকা থে‌কে তা‌কে গ্রে ফ তা র করা হয়। এর আগে শুক্রবার রা‌তে ছাত্রীর বাবা বাদী হ‌য়ে পালং ম‌ডেল থানায় এক‌টি মামলা ক‌রেন।

গ্রে ফ তা র সুজন গাজী চাঁদপুর জেলার ফ‌রিদগঞ্জ উপ‌জেলার ধানুয়া গ্রা‌মের দুলাল গাজীর ছে‌লে। সে স্থানীয় এক‌টি মাধ্য‌মিক বিদ্যাল‌য়ের নবম শ্রে‌ণির ছাত্র। মে‌য়ে‌টি শরীয়তপু‌র সদ‌রের স্থানীয় এক‌টি মাধ্য‌মিক বিদ্যাল‌য়ের অষ্টম শ্রে‌ণির ছাত্রী।

পু‌লিশ ও ভুক্ত‌ভো‌গী প‌রিবার জানায়, চাঁদপুর জেলার ফ‌রিদগঞ্জ উপ‌জেলার ধানুয়া গ্রা‌মের সুজন গাজীর স‌ঙ্গে শরীয়তপুর সদর উপ‌জেলার চরপালং এলাকার এক স্কুলছাত্রীর স‌ঙ্গে মোবাইল ফো‌নে প্রথমে বন্ধুত্ব ও প‌রে প্রেমের সম্পর্ক গ‌ড়ে ওঠে।

বি‌য়ের প্রলোভন দে‌খি‌য়ে গত ৪ জুলাই দুপুর আড়াইটার দি‌কে বন্ধু‌দের সহ‌যো‌গিতায় ওই স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ক‌রে চাঁদপুরে তার বা‌ড়ি‌তে নি‌য়ে যায় সুজন। বা‌ড়ি‌তে রে‌খে প্রায় ১ মাস ধ র্ষ ণ ক‌রে। পরে অসুস্থ হয়ে পড়ে মেয়েটি। মে‌য়েকে কোথাও খুঁ‌জে না পে‌য়ে গত ২৪ জুলাই পালং ম‌ডেল থানায় এক‌টি সাধারণ ডায়‌রি (জি‌ডি) ক‌রেন বাবা।

ওই স্কুলছাত্রীর বাবা ব‌লেন, আমার মে‌য়ে অষ্টম শ্রে‌ণি‌তে প‌ড়ে। সে নাবালিকা। আমার মে‌য়ে‌কে ফুস‌লি‌য়ে অপহরণ ক‌রে চাঁদপু‌রের সুজন গাজী। প‌রে আমি থানায় জি‌ডি ক‌রি। জি‌ডির প‌র গত সপ্তা‌হে সুজ‌নের বাবা‌ দুলাল গাজী আমার মোবাই‌লে ফোন দেন। ফোন দি‌য়ে ব‌লেন, আপনার মে‌য়ে আমার বা‌ড়ি‌তে।

তিনি আরও বলেন, আমি মেয়ের সন্ধান পেয়ে গত শুক্রবার থানায় একটি মামলা করি। প‌রে শ‌নিবার সুজন ওই মে‌য়ে‌কে নি‌য়ে শরীয়তপু‌রে আসে। মে‌য়ে অসুস্থ হ‌য়ে প‌ড়েছে। তাই শরীয়তপুর সদর হাসপাতা‌লে ভ‌র্তি ক‌রি।‌ আমার অবুঝ মে‌য়ের সা‌থে সুজন খারাপ কাজ ক‌রে‌ছে। আমি এর স‌ঠিক বিচার চাই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পালং ম‌ডেল থানা পু‌লি‌শের এসআই রুপু রায় জানান, ওই ঘটনায় মে‌য়ের বাবা বাদী হ‌য়ে থানায় মামলা ক‌রে‌ন। মামলার আসামি সুজন গাজী‌কে ম‌নোহর বাজার এলাকা থে‌কে গ্রে ফ তা র করা হ‌য়েছে।