যে কারনে নিজ হাতে গড়া দল থেকে বহিষ্কার মাহাথির

125

নিজের হাতে গড়া রাজনৈতিক দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৮ মে দেশটির পার্লামেন্টের অধিবেশন চলাকালীন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের আসনে বসায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ইউনাইটেড ইনডিজিনাস পার্টি অব মালয়েশিয়ার এক বিবৃতিতে বলা হয়, মাহাথিরের সদস্যপদ তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

এই রাজনৈতিক দলটির সরকার বর্তমানে মালয়েশিয়ার ক্ষমতায় রয়েছে। যার নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় বহুল প্রচারিত একটি চিঠিতে দলটি জানিয়েছে, গত সপ্তাহে সংসদে বৈঠককালে বিরোধী দলের আসনে বসেন মাহাথির। প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতির পদে মুহিউদ্দিনের নেতৃত্বকে প্রত্যাখ্যান করায় স্বাভাবিকভাবেই তার সদস্যপদ বাতিল হয়।

৯৫ বছর বয়সী মাহাথির এক সময় ইউনাইটেড ইনডিজিনাস পার্টি অব মালয়েশিয়ার সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

দীর্ঘদিনের ক্ষমতা ভাগাভাগির লড়াইয়ের পর জোট ভেঙে গেলে ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়েন মাহাথির।

রান্না খারাপ হওয়ায় স্ত্রীকে গাছে বেঁ’ধে গরম র’ডে’র ছ্যাঁ’কা!

রান্না খারাপ হওয়ার অভিযোগ তুলে শ্বশুর-শাশুড়ির সামনেই খাদিজা খাতুন (২১) নামে এক গৃহবধূকে অ’মা’নু’ষি’ক নি’র্যা’ত’ন করেছে স্বামী। বাড়ির ভেতরের লিচু গাছের সঙ্গে বেঁ’ধে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লো’হা’র রড গরম করে ছ্যাঁ’কা দিয়েছে স্বামী শাকিল হোসেন।

গৃহবধূর খাদিজা খাতুনের আ’র্ত চি’ৎ’কা’রে বাড়ির সদর দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে আক্কেলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন প্রতিবেশীরা।

বুধবার রাতে গৃহবধূ নি’র্যা’ত’নে’র এ ঘটনা ঘটেছে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌর এলাকার শ্রীকৃষ্টপুর স্কুলপাড়া মহল্লায়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ স্বামী শাকিল হোসেন ও তার বড় ভাই আসলাম হোসেনকে গ্রে’ফ’তা’র করেছে।

নি’র্ম’ম নি’র্যা’ত’নে’র শিকার গৃহবধূ খাদিজা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, তিন বছর আগে আমার বিয়ে হয়। আমার বাবা বাড়ি সান্তাহারের লকু কলোনীতে। আমার স্বামী শাকিল হোসেন রা’জমি’স্ত্রির কাজ করে। বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর-শাশুড়ি আমাকে সহ্য করতে পারছিলেন না।

তিনি বলেন, বুধবার রাতে বাড়িতে ফিরে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই রান্না খারাপ হয়েছে বলে আমাকে মা’র’ধ’র করে আমাকে বাড়ির আঙিনায় লিচুর গাছ তলায় নিয়ে যায়। সে লিচুর গাছের সঙ্গে পিটমোড়া দিয়ে আমার হাত বেঁ’ধে ফেলে। তখন আমার শ্বশুর-শাশুড়ি উঠানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এরপর আমার স্বামী লো’হা’র র’ড গরম করে আমার দুই গালে, দুই হাতে, পায়ে ছ্যাঁ’কা দেয়। য’ন্ত্র’ণা স’হ্য করতে না পেরে চি’ৎ’কা’র দিয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।