যাত্রীদের পদ্মা পাড়ি ঠেকাতে ১৯ ট্রলার ডুবিয়ে দিয়েছে পুলিশ !

106

শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে সোমবার বিকেল ৩টা থেকে সকল প্রকার চলাচল বন্ধ থাকলেও কিছু অসাধু ট্রলার ও সিবোর্ট চালকরা নদী পারাপার করে আসছিলেন।

পুলিশের নজর এড়াতে তারা সরাসরি শিমুলিয়া ঘাটের বদলে মাওয়া পুরাতন ফেরি ঘাট থেকে যাত্রী পারাপারের চেষ্ট করছিলেন। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ৪৮টি ট্রলার ও দুই সিবোট আটক করেছে। এর মধ্যে পদ্মায় ডুবিয়ে দিয়েছে ১৯টি।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সিরাজুল কবির জানান, গত মঙ্গলবার থেকে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরিসহ সকল প্রকার নৌযান দিয়ে যাত্রী পারপার সম্পূর্ণ বন্ধ করেছে প্রশাসন। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে কড়া নজরদারী করছে নৌপুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবারও ভেঙ্গে ভেঙ্গে কিছু যাত্রী আসছে মাওয়ার দিকে। তবে তারা শিমুলিয়া ঘাটে না গিয়ে মাওয়া চৌরাস্তা থেকে পশ্চিমে পুরাতন ফেরি ঘাটে চলে যাচ্ছে। এখানে একটি চক্র ট্রলার ও সিবোট দিয়ে ওপারে চর জানাজাত ঘাটে এসব যাত্রীদের পারাপার করে যাচ্ছিল।

খবর পেয়ে সকাল থেকে অভিযান চালিয়ে ৫টি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। যাত্রী নামিয়ে এর মধ্যে দুটি ট্রলার পদ্মায় ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে বুধবার পর্যন্ত ১৭টি ট্রলার পদ্মায় ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে।

সর্বমোট ৪৮টি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে, এর মোট ১৯টি ট্রলার আজ পর্যন্ত ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২টি সিবোটও জব্দ করা হয়েছে অবৈধভাবে লোকজন পারাপারের জন্য। তবে এখন আর মানুষের ঢল নেই শিমুলিয়া ঘাটে।

এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, বুধবার পর্যন্ত ঘাট এলাকায় প্রায় দুইশতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকে ছিল পারাপারের জন্য। গভীর রাতে এগুলো পার করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঘাটে নতুন করে আরও পণ্যবাহী প্রায় চারশ ট্রাক এসেছে। সুযোগমত জণস্বার্থে এগুলো পার করে দেওয়া হবে।

এছাড়া জরুরি পরিসেবার কোনো গাড়ি আসলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে সেগুলো পার করা হবে। তবে কোনো মতেই এখন এই ঘাট দিয়ে কোনো যাত্রীবাহী গাড়ি বা যাত্রী পার করা হবে না। সুত্রঃ ইত্তেফাক

ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে শিশুর জন্ম, নাম রাখা হল আম্ফান!

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডরেব সময় রাতে প্রসব বেদনা নিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন প্রসূতি মা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভোলার মনপুরায় ভোর রাত ৪টায় হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের প্রচেষ্টায় ওই প্রসূতি মায়ের সুস্থ ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।

ডাক্তার ও নার্সরা খুশিতে নবজাতকের নাম দেন আমফান। ওই প্রসূতি মা হলেন, উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের বাসিন্দা ছালাউদ্দিনের স্ত্রী সামিয়া (২৫)।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড়ের রাতে হাসপাতালে বেশ অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন প্রসূতি মা সামিয়া। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তাকে ভোলা নেয়া হচ্ছিল না। তারপরও রাতভর ডাক্তার ও নার্সদের চেষ্টায় সুস্থ সন্তান পৃথিবীর আলো দেখে। শিশুটিই ওই মায়ের প্রথম সন্তান। খুশিতে ডাক্তার-নার্সরা জন্ম নেয়া ওই ছেলের নাম দেন আমফান। ওই মা ও সন্তান আম্পান সুস্থ রয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডাঃ মাহমুদুর রশীদ জানান, ওই প্রসূতি মা আশঙ্কজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে ওই প্রসূতি মা ছেলে সন্তান দিলে আমরা নাম দেই আমফান। মা ও আমফান সুস্থ্ আছে, সকালে বাড়ি চলে গেছে।