যমুনায় ডুবে নিখোঁজ ২ ভাইয়ের মধ্যে একজনের ম র দেহ উদ্ধার…

72

বগুড়ার সারিয়াকান্দি যমুনা নদীতে ডুবে দুইভাই নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এক ভাই ওমর আলীর (১৫) লা শ উদ্ধার হয়েছে। শনিবার (১৭ আগস্ট) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার পাকুরিয়া চর এলাকা থেকে তার লা শ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীরা। অপর ভাই জাহিদ হাসানকে (১৩) উদ্ধারের অভিযান অব্যহত রয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১৬ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার পাকুরিয়া চর সংলগ্ন এলাকায় যমুনায় তারা নিখোঁজ হয়। তারা বগুড়া শহরের আটাপাড়া ওয়াপদা এলাকার হোমিও চিকিৎসক আতিকুর রহমানের ছেলে এবং উপশহর শাহীন ক্যাডেট স্কুলের নবম ও ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

মাসুম বিল্লাহ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, শুক্রবার সকালে তারা ১১ জন আনন্দ ভ্রমণে সারিয়াকান্দি উপজেলায় আসে। অটোরিকশা থেকে নেমে যমুনা নদীর কালিতলা ঘাট হয়ে নৌকায় পাকুরিয়া চরের দিকে রওনা হয়। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে নৌকা পাকুরিয়া চরে ভিড়ে। এ সময় নৌকা থেকে নেমে ওমর ও জাহিদ বল নিয়ে খেলতে শুরু করে। বল নদীতে পড়লে তা আনতে দুই ভাই পানিতে নামে। এ সময় তারা প্রবল স্রোতে নিখোঁজ হয়।

ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আল আমিন জানান, দুপুর ১২টা ৪৮ মিনিটে খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যায়। প্রায় তিন ঘণ্টা নদীতে খুঁজে দুইভাইয়ের সন্ধান পাননি। বগুড়ায় ডুবুরি না থাকায় রাজশাহী ফায়ার স্টেশনে খবর দেওয়া হয়। সেখানে থেকে বিকেলে ডুবুরি দল বগুড়ার দিকে রওনা হয়। তারা বগুড়ায় পৌছে উদ্ধার কাজ শুরু করে।

শনিবার বেলা ১২ টার দিকে সারিয়াকান্দি থানার সাব ইন্সপেক্টর সুব্রত কুমার জানান, ডুবুরী দল এসে নিখোঁজ দুই ভাইকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে। আজ শনিবার বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার পাকুরিয়া চর এলাকা থেকে ওমর আলীর লা শ উদ্ধার করা হয়। ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা অপর ভাইকে উদ্ধারে অভিযান অব্যহত রেখেছে।

ডেঙ্গু কেড়ে নিল কলেজ ছাত্রের প্রাণ !

এবার ডেঙ্গু কেড়ে নিল কায়ছার (১৮) নামে এক কলেজ ছাত্রের প্রাণ। বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) বিকালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। কায়ছার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের চাতলপাড় কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।

এ ব্যাপারে চাতলপাড় কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওমর আলী জানান, কায়ছার ঢাকায় গিয়ে জ্বরে আক্রান্ত হয়। তার পরিবারের লোকজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পরীক্ষা করে জানতে পারে সে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে।

জানতে চাইলে কায়ছারের বড় ভাই শফিকুল বলেন, কায়ছার ঢাকায় গিয়ে জ্বরে আক্রান্ত হয়। তারপর তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডেঙ্গু সনাক্ত হয়। ওই দিনই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় সে পালিয়ে যায়। পরে রামপুরা থানার এক কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করেন। ওই পুলিশ কর্মকর্তা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুনরায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

তিনি বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হবার পর তার রক্তের প্লাটিলেট ১০ হাজারের নিচে নেমে আসে। তারপর হতে সে পাগলের মতো আচরণ করতে থাকে। পরে বাড়িতে এনে স্থানীয় কবিরাজ দিয়ে চিকিৎসা করানো অবস্থায় সে মা রা যায়।