‘মুসলমান হিসাবে আমাদের উচিৎ নামাজ পড়া ও অন্যকে সাহায্য করা’: সাকিব

303

বাংলাদেশ ক্রিকেটের উজ্জল নক্ষত্র সাকিব আল হাসান সম্প্রতি পবিত্র হজ্বব্রত পালন করে এসেছেন। এদিকে সম্প্রতি সময়ে হজ থেকে ফিরে আসার পর সাকিবের দেওয়া একটি স্পিস ভিডিও ভা’ই’রা’ল হয়েছে, যেখানে তিনি মুসলমান হিসেবে আমাদের কি কাজ করা উচিৎ এসব কথাও বলেছেন।

সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আমার বেশি জ্ঞান নেই, ইসলাম সম্পর্কে বেশি কিছু বলতে পারব না। কিন্তু ছোটখাট বিষয়ে হিসেবে আমি বিশ্বাস করি একজন ভালো মুসলমান হওয়ার জন্য যে জিনিসটা দরকার, সেটা আমাদের কাজে প্রমাণ করা উচিৎ। নামাজ পড়া ও অন্যকে সাহায্য করা।’

সাকিন আরো বলেন, ‘আমরা মুসলমান আমাদের এই প্রমাণটা রাখা উচিৎ যে আমরা সবসময় ভালো কাজ করি এবং মানুষের সাথে মিলে মিশে একত্রে থাকার চেষ্টা করি।’

৩১৯৯ বার ওমরাহ পালনকারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেকর্ড যার নামে !

হজের তুলনায় যথেষ্ট সহজ ওমরাহ করা। কিন্তু একজন মানুষ সর্বোচ্চ কয়টি ওমরাহ করতে পারেন ? আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, এক পাকিস্তানি ভদ্রলোক মোট ওমরাহ করেছেন ৩ হাজার ১৯৯টি।

এমন কীর্তি ও সৌভাগ্যের অধিকারী ব্যক্তির নাম সৈয়দ দিলনাওয়াজ শাহ। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ‘দ্য নেশন’ এমনটাই জানিয়েছে। এত গুলো ওমরাহ তিনি গত সতের বছরের বিভিন্ন সময়ে আদায় করেছেন।

বোদ্ধাদের ধারণা মতে, এমন সাফল্য ও সৌভাগ্য হয়তো আর কারো নেই। বিশ্বের সর্বোচ্চ সংখ্যক ওমরাহ পালনকারী হিসেবে এমন চমৎকার ও সম্মানজনক অর্জনে তিনি রেকর্ড করেছেন। পবিত্র মক্কা শরিফে রমজানের বরকতময় মাস কাটানোর পর তিনি নিজ শহর করাচিতে ফিরে আসেন। মক্কায় থাকাকালীন তিনি দৈনিক ৩টি করে ওমরাহ পালন করেন।

এভাবে সব মিলিয়ে প্রায় ৫ ডজন ওমরাহ সম্পন্ন করেছেন এ পবিত্র মাসে। এরপর রমজানের শেষ দশদিন তিনি মদিনা মুনাওয়ারায় পবিত্র মসজিদে নববীতে অতিবাহিত করেন।

সৈয়দ দিলনাওয়াজ ছয় সন্তানের পিতা। ২০১২ সালে অবসর গ্রহণের আগ পর্যন্ত তিনি করাচির একটি গ্যাস কোম্পানির ডেপুটি ম্যানেজার ছিলেন। গত ১৭ বছরের সময়কালে তিনি প্রায় প্রতি বছর একবার করে সৌ’দি আ’রব সফর করছেন।

সর্বাধিক সংখ্যক ওমরাহ পালনকারী সম্পর্কিত কোনো তথ্য নেটে সার্চ দিয়ে পাওয়া যায় না। পারিপার্শ্বিক অন্যান্য তথ্য-উপাত্তেও এমন কোনো হিসেব উল্লেখ নেই। সে সূত্রে ধারণা করা হয়, সৈয়দ দিলনাওয়াজ শাহ-ই সর্বোচ্চ ওমরাহ পালনকারী।

অন্যদিকে, গত ২০ বছর ধরে তিনি টানা প্রতিদিন রোজা রাখছেন। তবে নিষিদ্ধ (ইসলামে) দিনের সময়ে তিনি রোজা রাখেন না। ১৯৯৯ সালের জুন থেকে এত দীর্ঘ সময় রোজা রাখা শুরু করেছেন তিনি।