মাদরাসা ছাত্রীকে ধ র্ষ ণের পর বিধবা নারীকে বেঁধে গণধ র্ষ ণ…

66

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রী (১৩) ও এক বিধবা (৩৫) নারীকে ধ র্ষ ণের ঘটনা ঘটেছে। তারা ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার সকালে এ দুটি ঘটনা ঘটেছে।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড় মানিকা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে ওই মাদরাসা ছাত্রীর মা তাকে রেখে তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায়। অপরদিকে তার বাবাও নদীতে মাছ শিকারে যায়। এ সুযোগে একই এলাকার আব্দুল রশিদের ছেলে মো. সোহাগ তাকে ঘরে একা পেয়ে ধ র্ষ ণ করে।

এসময় মেয়েটির বাবা বাড়িতে এলে মেয়ের চিৎকার শুনতে পায়। তিনি এগিয়ে গেলে ধ র্ষ ক তাকে মা র ধ র করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা শুক্রবার বিকেলে বোরহানউদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

অপর দিকে একই উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ফুল কাচিয়া গ্রামের এক নারী (৩৫) স্বামীর মৃ ত্যুর পর সন্তানদের নিয়ে কষ্ট করে সংসার চালিয়ে আসছেন। শুক্রবার ভোরের দিকে তিনি তার মুরগির খামারের খাবার দিতে গেলে ওই এলাকার মা দ ক সেবী মাকসুদ, ছালাউদ্দিন ও আলমগীর তাকে পার্শ্ববর্তী গরুর খামারে নিয়ে হাত পা বেঁধে গণধ র্ষ ণ করে।

পরে সকালে স্থানীয়রা তাকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ওই নারীর বড় বোন বোরহানউদ্দিন থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ভোলা সদর হাসপাতালের সিনিয়র নার্স সারজিনা জানান, ধ র্ষি তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। ধ র্ষ ণের আলামতও পাওয়া গেছে।

বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ওসি মো. এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাদরাসা ছাত্রীর ধ র্ষ ণের ঘটনায় তার বাবা ৩ জনকে আসামি করে থানায় দায়ের করেছেন। অপর ধ র্ষ ণের ঘটনায় এখনও কোনো অভিযোগ থানায় আসেনি।

বিয়ের অনুষ্ঠানে ৭ বছরের শিশুকে ধ র্ষ ণ !

খুলনা মহানগরীর মহিরবাড়ি খালপাড় এলাকায় বিয়ে বাড়িতে গিয়ে ধ র্ষ ণের শিকার হয়েছে সাত বছরের এক শিশু। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে ধ র্ষ ক।

শিশুটির শরীর থেকে অতিরিক্ত র ক্ত ক্ষরণ হওয়ায় শিশুটিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শিশুটির মা বলেন, আমাদের বাসার পাশেই আমার খালাতো বোনের বিয়ের অনুষ্ঠান আজ। সকালে মেয়েকে ১৫-২০ মিনিট পাওয়া না যাওয়ায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। আমাদের বাড়ির এক বাড়ি পরে দোতলা বাড়ির সিঁড়ির নিচে র ক্তা ক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে তাকে। এ বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হবে বলে জানান তিনি।

এলাকাবাসীর সহায়তায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছে, শিশুটির অতিরিক্ত র ক্ত ক্ষরণ হচ্ছে। শিশুটি তার পরিবারকে জানিয়েছে, সে ধ র্ষ ককে চেনে না, তবে দেখলে চিনবে।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) এহসান শাহ বলেন, শিশুটি খুমেকে ভর্তি রয়েছে। ধ র্ষ ককে গ্রেফতার করতে পুলিশের বিশেষ টিম অভিযান চালাচ্ছে।