মসজিদের অজুখানায় গোখরা সাপের বাসা ও ডিম !

146

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মসজিদের অজুখানার মেঝে খুঁড়ে ১৭টি গোখরা সাপের ডিম উদ্ধার করেছে গ্রামবাসী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মির্জাপুর পৌর সদরের বাইমহাটী পশ্চিমপাড়া জামে (ছাপড়া) মসজিদের অজুখানায় কয়েকজন মুসল্লি বড় আকৃতির একটি গোখরা সাপ দেখতে পান।

পরে স্থানীয়রা মেঝে ভেঙে তার নিচে একটি গর্ত হতে গোখরার ডিম উদ্ধার করে।

মসজিদের নিয়মিত মুসল্লি বাইমহাটী গ্রামের বাসিন্দা মো. তুলা মিয়া কয়েকদিন পূর্বে মসজিদের অজুখানায় অজু করতে গিয়ে বড় একটি গোখরা সাপ দেখতে পান। একই ভাবে মঙ্গলবার তুলা মিয়ার ছেলে সপ্পু মিয়া ও মসজিদের মুয়াজ্জিনসহ বেশ কয়েকজন মুসল্লি অজু করতে গিয়ে সাপটি আবার দেখতে পান।

পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অজুখানার পাকা মেঝে ভেঙে সাপটি মারার চেষ্টা করেন গ্রামবাসী। কিন্তু মেঝের নিচে গর্ত খুঁড়ে সাপটি মারতে না পারলেও গর্ত থেকে ১৭টি সাপের ডিম উদ্ধার করে। এদিকে সাপের ভয়ে মুসল্লিরা অজুখানায় যেতে সাহস পাচ্ছেন না বলে জানা যায়।

বাইমহাটী পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শামীম মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অজুখানার মেঝে খুঁড়ে সাপের ডিম উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু সাপ মারা সম্ভব হয়নি। তবে সাপ ধরার জন্য ওঝা খোঁজা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

নির্মূল হবে না করোনা, প্রতি বছর ফিরবে নতুন রূপে: চীনা গবেষণা

চীনের গবেষকরা দাবি করেছেন, করোনাভাইরাস পৃথিবী থেকে একেবারে নির্মূল হবে না। প্রতি বছর নতুন নতুন রূপে ফিরে আসবে এই রোগ।

ওই গবেষকদের বরাতে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমিত জায়গাগুলো থেকে এ ভাইরাস দূর হবে না কখনও। বিপুল সংখ্যক উপসর্গহীন রোগীর কারণে প্রতি বছর এ ভাইরাস ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ তার সমগোত্রের অন্য ভাইরাসগুলোর মতো নয়। এটি নিজস্ব গোত্রের ‘সার্স’ বা ‘মার্স’ ভাইরাসের তুলনায় পথ চলে ভিন্ন আঙ্গিকে। এই যেমন সার্স ভাইরাসে আক্রান্ত একজন রোগীকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হলে রোগটি সেখানেই সঞ্চালন বন্ধ করে।

কিন্তু করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে তা নয়, বরং এটি ছড়াতেই থাকে। আর উপসর্গহীন হওয়ার ফলে এই ভাইরাসটি শনাক্ত করাও কঠিন। তার ওপর বিশ্বজুড়ে এখনও প্রশস্ত হয়নি এর পরীক্ষা। তাই উপসর্গহীন এই ভাইরাসটি একবার দীর্ঘ সংক্রমণের পথে হাঁটতে শুরু করলে তা সহজেই নির্মূল হওয়ার সম্ভাবনার পথটি হবে অনেক দীর্ঘ।

চীনের শীর্ষ চিকিৎসা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘প্যাথোজেন বায়োলজি ইনস্টিটিউট’র পরিচালক জিন কি মনে করেন, দীর্ঘকাল ভাইরাসটি মানুষের সঙ্গে সহাবস্থান করবে। এক পর্যায়ে এটি একটি মৌসুমি রোগ হিসেবে জায়গা করে নেবে এবং মানুষের সঙ্গেই মানবদেহের মধ্যে টিকে থাকবে। এটি আসলে পুরোপুরি অদৃশ্য হওয়ার মতো নয়; বরং প্রতি বছরই কোনও না কোনোভাবে এর প্রত্যাবর্তনের আশঙ্কা রয়েছে।