মশানাশক ওষুধ ছিটাতে নতুন মেশিন আনছে ডিএনসিসি

36

মশানাশক ওষুধ ছিটাতে নতুন মেশিন- মশানাশক ওষুধ ছিটানোর জন্য নতুন ফগার লার্ভিসাইড মেশিন আনছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এরমধ্যে ৫শটি ফগিং মেশিন এবং ১শ ৪০টি লার্ভিসাইড মেশিন।

আজ ১৩ আগস্ট, মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশান নগর ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

আতিক বলেন, মশার ওষুধ ছিটানোর জন্য নতুন মেশিন আনছি আমরা। এরমধ্যে এই ১৭ তারিখেই ২শটি ফগার মেশিন আসছে। আর আগামী মাসের ১০ তারিখে আসছে আরও ৩শটি ফগার মেশিন। এছাড়াও মশার লার্ভা ধ্বংসের জন্য আমরা আনছি আরও ১৫০টি লার্ভিসাইড মেশিন।

আতিকুল ইসলাম আরও বলেন, মশার ওষুধ ছিটানোর প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত করছি আমরা। প্রতিটি ওয়ার্ডে অন্তত ১০টি করে ফগিং মেশিন থাকবে আমাদের। একটি করে মোটরবাইক ও গাড়ি ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে। মশককর্মীদের ইতোমধ্যে জিপিএস ট্র্যাকারের আওতায় আনা হয়েছে।

এখন আমরা তাদের আইওটি অর্থ্যাৎ ইন্টারনেট অব থিংসের আওতায় আনছি। অনেক সময়েই অভিযোগ আসে, মশার ওষুধ সঠিক পরিমাণে দেওয়া হয় না। সেই অভিযোগের বিষয়েও জানা যাবে এ প্রযুক্তির মাধ্যমে। একই সঙ্গে ঈদ উদযাপন শেষে রাজধানীতে ফেরত আসা নাগরিকদের ডেঙ্গু বিষয়ে সচেতন ও সাবধান থাকার আহ্বান জানান মেয়র।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোমিনুর রহমান মামুন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মঞ্জুর হোসেনসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সুত্র-বাংলা নিউজ ২৪ ডট কম।

চামড়ার দাম নেই, এতিমখানা-মাদ্রাসায় দান

নীলফামারীর সৈয়দপুরে এবার কোরবানির চামড়ার বাজারে ব্যাপক ধস নেমেছে। দাম কম হওয়ায় অনেকে তা দান করেছেন এতিমখানা-মাদ্রাসায়।

শহরের চামড়া পাইকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকার ট্যানারিগুলোতে তাদের পাওনা রয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা। গত বছরের টাকা পরিশোধ করেনি তারা।

এজন্য স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পড়েছেন বিপাকে। কেউ কেউ নিজের স্বল্প পুঁজি নিয়ে চামড়া কিনতে মাঠে নামেন। কিন্তু এ নিয়ে পাইকারেরা বেশ উদ্বিগ্ন। যদি অল্পদিনের মধ্যে ঢাকার ট্যানারি মালিকেরা চামড়াগুলো না কেনেন তাহলে ভয়াবহ বিপাকে পড়তে হবে তাদের।

সৈয়দপুর শহরের মিস্ত্রীপাড়া চামড়া আড়তের মহাজন আজিজুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, কোরবানি ঈদের দিন সামান্য পুঁজি নিয়ে চামড়া কিনেছি। বাজারে চামড়ার দাম কম, ধস নেমেছে চামড়া খাতে। তবুও নিচে ২০০-৩০০ টাকায় চামড়া কিনে মজুদ করেছি। এসব চামড়া ঢাকায় পাঠানোর অপেক্ষা করছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাঠে নামেনি ট্যানারি মালিকেরা।

এদিকে, সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবুপাড়ার চিকিৎসক খায়রুল বাশার তার দুটি কোরবানির গরুর চামড়া মাদ্রাসায় দান করেছেন। তিনি বলেন, চামড়ার টাকা গরীবের হক, ইচ্ছে ছিল চামড়া বেচে বেশি টাকা পেলে তা গরীবদের দান করবো। কিন্তু দাম না মেলায় চামড়া দুটি মাদ্রাসায় দিয়ে দিয়েছি। আমার মতো অনেকই এভাবে পশুর চামড়া এতিমখানা-মাদ্রাসায় দান করেছেন।

মহাজনদের একটি পক্ষ অভিযোগ করে বলেন, ঢাকার মালিকেরা সিন্ডিকেট করায় এবার চামড়া বাজারে ধস নেমেছে। কিছুদিনের মধ্যে ট্যানারি মালিকেরা কমদামে এসব চামড়া কিনে নেবেন। এদিকে, চামড়ার দাম কম হওয়ায় এর একটা বড় অংশ ভারতে পাচার হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কিছু খুচরা চামড়া ব্যবসায়ী।