ভিন্ন কৌশলে কনডমে ই’য়া’বা ভরে খেয়ে ফেলত তারা !

81

কনডমে ই’য়া’বা ভরে খেয়ে- প্রতিদিন আমরা ই’য়া’বা পাচারের বিভিন্ন কৌশলের খবর পড়ে থাকি। কিন্তু এবার একটু ভিন্ন পদ্ধতিতে ই’য়া’বা পাচারের খবর পাওয়া গেছে। র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার-বিন-কাশেম জানিয়েছেন, গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকা থেকে অভিনব কায়দায় মা দ ক পরিবহনকালে মাদক চো’রাকা’রবারী চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রে প্তা র করা হয়েছে।

অভিযানকালে চারজন মা দ ক ব্যবসায়ীকে গ্রে প্তা র করা হয়েছে। তারা হলেন, মো. ফারুক হোসেন (৩৭), মো. শফিকুল ইসলাম ওরফে রমজান (২৯), আক্তারা বেগম (২৮) ও গৌতম চন্দ্র শীল (৩২)।

তিনি জানান, গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানা এলাকায় কতিপয় মা দ ক ব্যবসায়ী ঢাকার দিকে আসছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে আভিযান দলটি বাসন থানার ওয়্যারলেস গেইট টু বিআরটিসি ডিপো রোডস্থ টিএন্ডটি অফিসের দক্ষিণ পাশে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রে প্তা র করা হয়।

তিনি আরও জানান, এ সময় আসামিদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৫৮৫ পিস ই য়া বা, ২১ ক্যান বিয়ার, ২৩ বোতল ফেনসিডিল, ৯টি মোবাইল ফোন, একটি মোটরসাইকেল ও এক লাখ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রে প্তা র কৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ মা দ ক চো’রাচা’লানকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য।

তারা কক্সবাজার জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা টেকনাফ দিয়ে মিয়ানমার থেকে অবৈধ ভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে ই য়া বা র চালান বিমান, ট্রেন অথবা সড়ক পথে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশে এলাকায় নিয়ে আসে। জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যের ভিত্তিতে ইয়াবা পাচারের অভিনব কৌশল সম্পর্কে র‌্যাব জানায়, তারা ই য়া বা ট্যাবলেটের চালান পেটের ভেতরে করে টেকনাফ থেকে ঢাকায় নিয়ে আসত।

তারা তাদের এই অভিনব পন্থার প্রাথমিক পর্যায়ে ইয়াবা ট্যাবলেটের চালানটি ৫০ পিস করে কনডমের ভিতরে রাখে। এরপর কসটেপ পেচিয়ে তা খেয়ে ফেলে। যাতে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো নষ্ট না হয়। পরবর্তীতে ইয়াবা ট্যাবলেটের চালানটি ঢাকায় নিয়ে আসার পর বেশি করে পানি অথবা অন্য খাবার খেলে পেটে চাপ পরে এবং খালি জায়গায় তা বের করে।

তখন ই য়া বা র চালানটি পলিথিনের জিপারে করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় হস্তান্তর করতেন তারা। গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‌্যাব জানায়, সে বিগত প্রায় ১০ বছর যাবত গার্মেন্টেসে চাকুরি করত। বর্তমানে সে এলাকায় ইটের ব্যবসা করে। ইটের ব্যবসায় লাভবান না হওয়ায় স্বল্পসময়ে অধিক লাভবানের আসায় সে মা দ ক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। গ্রেপ্তার অপর আসামি গৌতম তার ই য়া বা ট্যাবলেট ব্যবসার কাজে সহযোগিতা করে। সুত্র-বি ডি ২৪ লাইভ।

শুকরের মাংস-চর্বি দিয়ে সয়াবিন তেল!

রাজধানীর ধামরাইয়ে একটি ভোজ্যতেল তৈরির কারখানায় অভিযান চালিয়ে ১১ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ২ হাজার টন নিষিদ্ধ শুকরের মাংস, হাড়, চর্বি জব্দ করেছে র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার বাথুলি এলাকায় ভোজ্যতেল ও বিভিন্ন খাবার তৈরির কারখানা কেবিসি এগ্রো লিমিটেডে এ অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাব সদরদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সারওয়ার আলম। এ সময় কারখানাটিকে ৭৫ লাখ টাকা জরিমানা করে সিলগালা করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম জানান, কেবিসি এগ্রো (প্রাঃ) লিমিটেড হেলথ কেয়ার নামের প্রতিষ্ঠানটি সয়াবিন তেল তৈরি করার জন্যে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে হংকং থেকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ শুকরের চর্বি আমদানি করে। এছাড়াও একই উপকরণ ব্যবহার করে মাছ ও মুরগির খাদ্যও তৈরি করে বাজারজাত করে আসছিল তারা।

খবর পেয়ে আমরা অভিযানে আসি এবং অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পাই। পরে কেবিসির মহাব্যবস্থাপক তাপস দেবনাথ ও পরিচালক জাহিদুর রহমানের কাছ থেকে ২ লাখ ৯৮ হাজার ২শত ৬০ মেট্রিক টন শুকরের চর্বি, মাংস ও হাড় আমদানির চালান ফরম জব্দ করা হয়।

কিন্তু সেখান থেকে আমরা জব্দ করতে পেরেছি মাত্র ২ হাজার টন। ধারণা করা হচ্ছে বাকিগুলো তারা ব্যবহার করেছে ও বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেছে। র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে অভিযান চলাকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা এমদাদুল হক, ঢাকা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৈয়দ মোঃ আলমগির।