বাড়িওয়ালার যো গ সা জ শে ভাড়াটিয়া তরুণীকে গণ ধ.. র্ষ ণ

57

বাড়িওয়ালার যো গ সা জ শে- পাবনা পৌর সদরের শিবরামপুর মহল্লায় এক তরুণী ভাড়াটিয়া বাড়িওয়ালার যো গসা জ শে গণ ধ.. র্ষ ণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে বাড়িওয়ালা হায়দার আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

গত বুধবার (২৪ জুলাই) রাতে এ ধ.. র্ষ ণে র ঘটে। পরে গতকাল দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ওই তরুণী পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর বিষয়টে পুলিশকে জানান।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইবনে মিজান জানান, ওই তরুণী শিবরামপুর মহল্লায় হায়দার আলীর বাসায় একাই ভাড়া থাকতেন। বুধবার রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে ২টার দিকে তার বাসায় কয়েকজন যুবক এসে তাকে ধ.. র্ষ ণ করে। এতে বাড়িওয়ালা হায়দার আলীর যো গ সা জশ ছিল বলে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।

বিষয়টি একদিন চেপে রাখার পর বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে ওই তরুণী তার ভাইয়ের সঙ্গে এসে পাবনা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। এরপর তারা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে ওই তরুণীর জবানবন্দি নেয়।

তিনি আরও জানান, ওই তরুণীর অভিযোগ পাওয়ার পর শুক্রবার সকালে বাড়িওয়ালা হায়দার আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে সদর থানায় আনা হয়েছে। তবে পুলিশের কাছে হায়দার আলী নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। বাড়িওয়ালা জানিয়েছেন, ওই তরুণী বিবাহিত। তিনি একজনকে স্বামী পরিচয় দিয়েই তার বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন।

এদিকে পাবনা সদর হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. নার্গিস সুলতানা জানান, বৃহস্পতিবার রাতেই ভিকটিমের আলামত সংগ্রহ করা হয়।

পাবনা সদর হাসপাতালের আরএমও ডা. আকসাদ আল -মাসুর আনন জানান, ইতোমধ্যে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। নি র্যা তি তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা শেষে বোর্ড শনিবার (২৭ জুলাই) মেডিকেল রিপোর্ট দেবে।

পাবনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুল হক শুক্রবার দুপুরে জানান, এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রে ফ তা রের চেষ্টা চলছে।

কলেজছাত্রীকে অপ হ র ণচেষ্টা, অতঃপর থানায় হলো বিয়ে….

মেয়ের স্বজনরা থানায় গেলেন অপ হ র ণ মামলা করতে আর বরের স্বজনরা দিলেন বিয়ের প্রস্তাব। সেখানেই বিয়ে হলো তাদের। বৃহস্পতিবার ফেনীর সোনাগাজী মডেল থানায় পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সেরে বর-কনেকে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয়।

পুলিশ ও পরিবার সূত্র জানায়, উপজেলার চর মজলিশপুর ইউনিয়নের দশআনি গ্রামের ওই কলেজছাত্রীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দাগনভূঞা উপজেলার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের বৈরাগপুর গ্রামের নুরনবীর ছেলে প্রবাসী ইয়াকুবুর রহমানের (২৬) প্রায় আড়াই বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল।

সম্প্রতি ইয়াকুব দেশে এসে বিয়ের প্রস্তাব দিলে বরকে অপছন্দ করেন ছাত্রীর মা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বুধবার সন্ধ্যায় ছোট ভাই ইয়াছিনকে (২০) নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে ওই ছাত্রীর বাড়ির আঙিনা থেকে তাকে তুলে নেয়ার চেষ্টা করেন ইয়াকুব। ওই সময় কলেজছাত্রীর চিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে এসে তাদের আটক করে পুলিশে দেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই ছাত্রীর মা নারী ও শিশু নি র্যা তন দমন আইনে থানায় মামলা করতে থানায় গেলে ইয়াকুবের বাবা নুরনবী তার স্বজনদের নিয়ে থানায় এসে বিয়ের প্রস্তাব দেন। পরে মামলা না করে উভয়পক্ষের লোকজনের সম্মতিতে পুলিশের মধ্যস্ততায় থানা মসজিদে কলেজছাত্রীর সঙ্গে ইয়াকুবের বিয়ে পড়ানো হয়।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি মঈন উদ্দিন আহমেদ বিয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বর ইয়াকুব ও তার ভাই ইয়াছিনের কাছ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ওই ছাত্রীকে তুলে নেয়ার চেষ্টাসহ তাদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন।