বাচ্চাদের সামনে গরু জ’বাই করবেন না ? অবশ্যই করবেন…

447

বাচ্চাদের সামনে গরু জ’বাই করবেন না ? অবশ্যই করবেন। তাদের শেখাবেন মানুষের বাচ্চা হিসেবে খাদ্যের প্রয়োজনে গরু জ’বাই করো। ছাগল, মুরগিকে জ’বাই করো। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে বিসিএস দিয়ে পুলিশ হয়ে ক্রসফা’য়া’র করো না।

মানুষকে একটা থাপ্পরও দিও না। মানুষকে ভালোবাসো৷ মানুষকে কেটো না। গু লি করো না। মানুষটা যদি তোমার বিচার করতে আসে ন্যায় করো। আ সামি হলেও দয়া করো। বিচারের আগেই তাকে যেন অবিচার পেতে না হয় তাই রিমান্ড দিও না।

মানুষটা যদি শিবিরও হয় জোর করে জেলেভরে রেখো না। তোমার মতোই যে আরেকটা মানুষের বাচ্চা তাকে কখনো আঘাত করো না। ঘৃণা করো না। এসব বাচ্চাদের শেখান। বাচ্চাদের রোবট বানাবেন না। নিষ্ঠুরতা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ঠাসা মেশিন বানাবেন না।

বাচ্চকে দিয়ে কোরবানির গোশত চালাচালি করান। একটু বয়স হলে চা’পাতি হাতে তুলে দেন। নিজ হাতে গোশত কাটুক।। তারপর সেই গোশত গরিবের পাতে তুলে দিক। দেওয়ার সময় যেন তার মনে থাকে ভিক্ষা দিচ্ছে না, বরং মানুষের হক আদায় করছে।

গোশতের বাটি হাতে সন্তানকে স্বজনের বাড় নিয়ে যান। বাচ্চার বয়স কম হলে সঙ্গে রেখে শেখান বুঝান। তাকে দায়িত্ব শেখান। গরু কোরবানি দিয়ে তাকে বোঝান কোনটা কর্তব্য আর কোনটা বারণ। শোনেন ফেইক মানবতাবাদী হবেন না।

আপনার সন্তান গেইমস খেলে, কার্টুন দেখে, মুভি দেখে। সেখানে সে আরেকটা মানুষকে গু লি করে মা রতে দেখে। এক মানুষ অপর মানুষকে মা র ধর করে দেখে। এসব দেখে আপনার সন্তান খু নী হয়। সে চাকরিতে গিয়ে খু ন করে।

ফেসবুকে এসে অপরকে খু নের পক্ষে কথা বলে। ক্রসফা’য়ার খোর হয় সে। এসব নিয়ে আপনি কখনো কনসার্ন না। আপনার হুঁশ নাই। আপনি আসছেন বাচ্চাকে দায়িত্ব বুঝতে না দিতে। নবাবের বাচ্চা গরম গোশত খাবে, কিন্তু কিভাবে গোশত আসবে তা তাকে দেখাবেন না।

যেভাবে পড়বেন ঈদের নামাজ

ত্যাগ ও উৎসর্গের ঈদ হলো ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখ এ ঈদ পালিত হয়। আগামী ১২ আগস্ট ১০ জিলহজ পবিত্র কোরবানির ঈদ অনুষ্ঠিত হবে। বছরে দুইবার ঈদের নামাজ পড়তে হয়। ঈদের নামাজ দুই রাকাত। যা আদায় করা ওয়াজিব এবং তা জামাআতে আদায় করতে হয়।

দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ার কারণে অনেকেই ঈদের নামাজের নিয়মগুলো ভুলে যায়। তাই সবার সুবিধার্থে ঈদের নামাজ পড়ার নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো- আসুন জেনে নেই ঈদুল আজহার নামাজের নিয়ম। ১. ঈদের দুই রাকাত নামাজে অতিরিক্ত ছয় তাকবির দিতে হয়।

প্রথম রাকাত: আল্লাহ তাআলার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে ঈদুল আজহার দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ ছয় তাকবিরের সঙ্গে এই ইমামে পিছনে আদায় করছি বলে নিয়ত বাঁধতে হয়। প্রথমেই- তাকবিরে তাহরিমা- ‘আল্লাহু আকবার’ বলে নিয়ত বাঁধবেন। ইমাম ও মুসল্লিরা নিয়ত বাঁধার পর ছানা অর্থাৎ এ দোয়াটি পড়বে-

উচ্চারণ- সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তাআলা ঝাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুক।

তারপর ইমামের উচ্চস্বরে তাকবির বলার সঙ্গে সঙ্গে মুসল্লিরাও তাকবির বলবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবির বলার সময় উভয় হাত কান বরাবর ওঠিয়ে ছেড়ে দিবেন। তৃতীয় তাকবিরের সময় উভয় হাত কান বরাবর ওঠিয়ে না ছেড়ে হাত বাঁধবেন। এরপর ইমাম সাহেব সূরা ফাতিহা এবং অন্য সুরা মিলিয়ে রুকু, সিজদা করবেন; মুসল্লিরাও ইমামের সঙ্গ রুকু সিজদা করবেন।

দ্বিতীয় রাকাত : ইমাম সাহেব দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা মিলানোর পর রুকুতে যাওয়ার পূর্বে অতিরিক্ত তিন তাকবির প্রথম রাকাতের মতোই আদায় করবেন। অতপর রুকু-সিজদা করার পর অন্যান্য নামাজের মতোই সালাম ফিরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করবেন।

এ নিয়মে ঈদুল ফিতরও আদায় করা হয়। উভয় ঈদের আগে পরে কোনো নফল বা সুন্নত নামাজ নেই। এমনকি ঈদের নামাজের জন্য কোনো আজান ও ইকামাতেরও প্রয়োজন হয় না।

সূত্র- যুগান্তর