‘বস্তিবাসীর জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার’- প্রধানমন্ত্রী

85

বস্তিবাসীর জন্য ফ্ল্যাট নির্মাণের- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বস্তিবাসী নাজুক ভাবে থাকলেও তাদের ভাড়া কোনও অংশে কম না। তারা যেন শান্তিতে থাকতে পারে, সে জন্য ভাড়াভিত্তিক ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিদিন, সপ্তাহ বা মাসভিত্তিক ভাড়া পরিশোধ করতে পারবে তারা।’

আজ (১৫ জুলাই) সোমবার, ইস্কাটনে মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সাতটি প্রকল্পের আওতায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন এক হাজার ৬৭১টি ফ্ল্যাট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সুপরিকল্পিত নগরায়ণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। দ্রুত সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।

শুধু বহুতল ভবন নির্মাণ করলেই হবে না, সেগুলো হতে হবে পরিকল্পনা অনুযায়ী। এখন থেকে অপরিকল্পিত শিল্প-কারখানায় আর বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হবে না। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ঢাকা শহরে জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা। এখানকার বেশিরভাগ খাল ভরাট করা হয়েছে। এ কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।

সুত্র-বি ডি ২৪ লাইভ।

যে কোন সময় বন্ধ হতে পারে শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি ফেরি চলাচল

শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজারের পাইপ ফেলে রাখায় ফেরি চলাচলে মারাত্মক বিঘ্নতার সৃষ্টি হচ্ছে।

যে কোন সময় ফেরির সাথে ফেরির সংঘর্ষ ঘটে যানমালের ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে। এতে যে কোন সময় দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যাবার আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরিণ নৌ পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের মেরিন ম্যানেজার একেএম শাহজাহান জানান, শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটে লৌহজং টানিং পয়েন্টে বেশ কিছুদিন ধরে নাব্যতা সংকট চলছে। এতে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। বিষয়টি বাংলাদেশ অভ্যন্তরিণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) জানালে তারা চ্যানেলের ওই পয়েন্টে নদী খননের জন্য ড্রেজার স্থাপন করে।

কিন্তু ড্রেজারের পাইপগুলো নদীতে যেভাবে ভাসমান অবস্থায় স্থাপন করা হয়েছে, তাতে নৌপথ সরু হয়ে গেছে। এখান দিয়ে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, দুটি ফেরি পাশাপাশি একে অপরকে অতিক্রম করতে পারছে না। একটি ফেরি ড্রেজারের পাইপের ওই অংশ পার না হওয়া পর্যন্ত অপরটি যেতে পারছে না।

ফলে ফেরি পারাপারে সময় লাগছে বেশী। তাছাড়া পদ্মায় এখন প্রচন্ড স্রোতের কারণে চ্যানেলের ওই অংশে ফেরিগুলো ভাসমান অবস্থায় অপেক্ষা করা খুবই কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, স্রোতের টানে ফেরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ফেরি আরেকটির সাথে সংঘর্ষ বেঁধে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এতে যানমালের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। লৌহজং টানিংয়ের ওই অংশে মাঝখানে একটি চর জেগে ওখানে দুটি চ্যানেল বা মুখের সৃষ্টি হয়েছে।

এ দুটি মুখ সচল থাকলে ফেরিগুলো দ্বিমুখী ভাবে চলাচল করতে পারলে আর কোন সমস্যা থাকে না। বিষয়টি বিআইডব্লিউটিএ-কে জানানোর পরেও তারা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। বিআইডব্লিউটিসি’র এজিএম নাসির মোহাম্মদ চৌধুরী জানান, চ্যানেলে অপরিকল্পিত ভাবে ড্রেজারে পাইপ রাখায় চ্যানেলটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

পদ্মার স্রোতের সাথে প্রতিযোতিায় ফেরিগুলো নদীতে স্থির থাকতে পারছে না। সরু ওই জায়গাটি দিয়ে ফেরি চলাচলের সময় ফেরি সাথে ফেরি সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে যানমাল রক্ষার্থে ফেরি চলাচল যেকোন সময় বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে কর্তৃপক্ষ।