প্রেমের অপরাধে তরুণীকে অর্ধন’গ্ন করে গ্রাম ঘোরালেন মোড়ল

106

অন্য সম্প্রদায়ের এক তরুণের সঙ্গে প্রেম করার ‘অপরাধে’ আদিবাসী এক তরুণীকে বেধড়ক মা’র’পি’টের পর অর্ধন’গ্ন করে গ্রামে ঘুরিয়েছেন স্থানীয় জনগণ। অর্ধন’গ্ন করে গ্রামে ঘোরানোর সাজায় সায় ছিল ওই তরুণীর পরিবারেরও। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভারতের মধ্যপ্রদেশের আলিরাজপুর জেলার তেমাচি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। দেশটির একটি দৈনিক বলছে, তেমাচির ভিলালা সম্প্রদায়ের ১৯ বছর বয়সী ওই তরুণীর সঙ্গে ভিল সম্প্রদায়ের এক তরুণের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। দু’জনের এই প্রেমের কথা জানাজানি হয়ে যায় গ্রামবাসীদের মাঝে।

পরে গ্রামের মোড়লরা সালিশি বৈঠক ডাকেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় ওই তরুণীকে লাঠি দিয়ে মা’র’ধর করার। পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাকে অর্ধ’ন’গ্ন করে পুরো গ্রামে ঘোরানো হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, মোড়লদের কাছে প্রাণভিক্ষা চাইছেন ওই তরুণী। কিন্তু তার কান্না শুনে কেউই এগিয়ে আসেননি। এমননি তাকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মা’র’পিট করা হয়।

মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত পুলিশের কাছে কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি। আলিরাজপুর জেলার জোবাট পুলিশের সাব ডিভিশনাল অফিসার আর সি ভাকর বলেছেন, তরুণীকে মা’র’ধরের ঘটনার কথা আমাদের কানে এসেছে।

কিন্তু এখন পর্যন্ত ওই তরুণী কিংবা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ঘটনা তদন্ত করতে পুলিশ গ্রামে গিয়েছিল। কিন্তু ঘটনার পর থেকে তরুণী ও তার বাবা গ্রাম ছেড়ে চলে গিয়েছেন। যে কারণে ওই তরুণীর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

পাঞ্জাবে আতশবাজি কারখানায় বি’স্ফো’র’ণ, নি হ ত ১৭

ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের গুরুদাসপুরে একটি আতশবাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বি’স্ফো’র’ণে অন্তত ১৭ জন নি হ ত হয়েছেন। পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমস এক অনলাইন প্রতিবেদনে জানিয়েছে বুধবার বিকেলে এ বি’স্ফো’র’ণের ঘটনা ঘটে।

দেশটির আরেক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আতশবাজি তৈরির ওই কারখানায় বি’স্ফো’র’ণের পর সেখানে আটকা রয়েছেন অন্তত ৫০ জন মানুষ। তাদের মধ্যে অনেকের হতাহত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা।

গুরুদাসপুরের বাটলা এলাকায় ওই আতশবাজি তৈরির কারখানাটি অবস্থিত। বি’স্ফো’র’ণের পর আ’গু’ন নেভাতে ও ভেতরে আটক মানুষকে উদ্ধারে সেখানে হাজির হয়েছে দমকল বাহিনী বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন। সরকারি কর্মকর্তারাও সেখানে উপস্থিত রয়েছেন।

পাঞ্জাব প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং বলেছেন, ‘বাটালায় আতশবাজি তৈরির একটি কারখানায় বি’স্ফো’র’ণে অনেকের নি হ ত হওয়ার খবর শোনার পর খুব খারাপ লাগছে। জেলা কালেক্টর এবং পুলিশের জ্যেষ্ঠ মহাপরিদর্শকের তত্ত্বাবধানে উদ্ধার অভিযান চলছে।’