প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে আবেগে আপ্লুত প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

96

আবেগে আপ্লুত প্রিয়াঙ্কা গান্ধী- কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভারতে সফররত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জড়িয়ে ধরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের পর টুইট বার্তায় প্রিয়াঙ্কা বলেন, শেখ হাসিনার শক্তি ও লড়াই আমার জন্য এক মহান অনুপ্রেরণা।

আজ ৬ অক্টোবর, রোববার নয়াদিল্লির হোটেল তাজমহলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতের জাতীয় কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী, দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কংগ্রেস নেতা মনমোহন সিং ও কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।

সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আলিঙ্গন করেন প্রিয়াঙ্কা।

তার সেই আবেগঘন ছবি নিজের টুইটারে পোস্ট করে প্রিয়াঙ্কা বলেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা ও আলিঙ্গনের জন্য আমি দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় ছিলাম। ব্যক্তিগত শোক কাটিয়ে নানা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে যেভাবে তিনি আজকের ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছেন, তা আমাকে অনেক আগেই উদ্বুদ্ধ করেছিল। তার সেই শক্তি আমার কাছে সারা জীবনের আদর্শ হয়ে থাকবে।

দিল্লিতে এ দিন সোনিয়া গান্ধী ও আনন্দ শর্মাসহ কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে আধা ঘণ্টার বৈঠকে ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।

যেসব খাবারে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আপ্যায়ন করালেন মোদি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে দীর্ঘ দিন ঝুলে থাকা তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি মেলেনি, অন্যদিকে ফেনী নদীর পানি ভারতের ত্রিপুরায় সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে।

সফরের তৃতীয় দিন গতকাল শনিবার নয়া দিল্লিতে শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এটি ছাড়াও ছয়টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।

শীর্ষ বৈঠকের পর হায়দ্রাবাদ হাউসে শেখ হাসিনা তাঁর সম্মানে দেওয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।

শেখ হাসিনাকে বাদশাহী পোলাও থেকে শুরু করে চেন্নাইয়ের মালপোয়াসহ হরেক রকমের আড়ম্বরপূর্ণ ভেজিটেরিয়ান খাবার দিয়ে মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়ন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

খাবারের টেবিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পছন্দের খাবারই ছিল বেশি। উত্তর ভারতের বিখ্যাত খাবার দইয়ে ডোবানো পাপরি, বাদশাহী পোলাও, উত্তর ভারতের আরেক বিখ্যাত মাশরুমের পদ, শাহী ডাল এবং চেন্নাইয়ের মালপোয়াসহ প্রচুর আইটেম ছিল। সবশেষ ছিল কফির চুমুক। আর এই সময়ে বাজছিল পুরানো দিনের জনপ্রিয় গান ‘তুমকো দেখাতো ইয়ে খেয়াল আয়া’, ‘একলা চলোরে’, ‘রাঘুপাতি রাঘব’, ‘রাম রতন ধান পায়ো তো’, ‘ওহ সাম কুছ আজিব থি’ ইত্যাদি।