পৃথিবীর একটি জমজ বোনের খোঁজ পেয়েছে নাসা !

1367

আরেকটি পৃথিবী খুঁজে পেয়েছে নাসা – মার্কিন স্পেস রিসার্চ সেন্টার নাসা এবার দাবি করেছেন, দ্বিতীয় পৃথিবী খুঁজে পেয়েছে তারা।

গ্রহটির আকার প্রায় পৃথিবীর মতোই। কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ—এর মাধ্যমে পৃথিবীর এই যমজ বোনের সন্ধান পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

পৃথিবী থেকে প্রায় ৩০০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থান করছে এই গ্রহটি। পৃথিবীতে সূর্যের আলো যে পরিমাণে আসে, নতুন গ্রহটিতে তার ৭৫ শতাংশ সূর্যের আলো যায়।

নাসা আরও জানায় পৃথিবীর তুলনায় এই নতুন গ্রহটি মাত্র ১.০৬ গুণ বড়। এর আগেও এই নতুন গ্রহের ছবি হাতে পেয়েছিল নাসা। কিন্তু পৃথিবীর জমজ বোন খ্যাত এই গ্রহের উপস্থিতি সম্পর্কে নাসার বিজ্ঞানীগণ নিশ্চিত হতে পারেনি।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, পৃথিবীর মতোই তাপমাত্রা হবে নতুন এই গ্রহের। এমনকি নতুন এই গ্রহে প্রাণের সন্ধান থাকার সম্ভাবনাও প্রবল বলে মনে করছেন তাঁরা। নাসায় কাজ করতে আসা ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী উলফ কুকিয়ার প্রথম এই গ্রহের সন্ধান পেয়েছিল। কুকিয়ার দাবি করেছিল, দু’টি গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।

খুশির খবর হল করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন হয়ে আছে প্রায় পুরো পৃথিবী। বন্ধ আছে পরিবেশ দূষণকারী সব প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞানীর বলছেন, মানব সৃষ্ট কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলো ওজন স্তর তা আবার ধীরে ধীরে সেরে উঠছে।

সম্প্রতি একটি গবেষণায় জানা গিয়েছে, ওজন স্তর ক্ষত সম্পূর্ণভাবে সুস্থ হয় উঠছে। দূষণের ক্ষত সারিয়ে ক্রমশ স্বাভাবিক হচ্চে বায়ুমণ্ডেলের ওজন স্তর। বিজ্ঞানীদের দাবি, করোনা লক ডাউনের জেরে এক ধাক্কায় অনেকটাই কমেছে বায়ু দূষণের মাত্রা। ফলে তার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে আপাদের পরিবেশ ও ওজন স্তরেও।

কলোরাডো বোল্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিআইআরইএস-এর সহযোগী পর্যবেক্ষক অন্তরা ব্যানার্জী জানিয়েছেন, দক্ষিণ গোলার্ধে পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়ার পরিবর্তন লক্ষ করা গিয়েছে।

কলোরাডো বোল্ডার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানাচ্ছেন, দূষণের ফলে ওজন স্তরে গহবরের সৃষ্টি হয়েছিল তা ধীরে ধীরে মেরামত হচ্ছে বলে প্রমাণ মিলেছে। বিজ্ঞানীদের মত, এর ফলে পৃথিবীর পরিবেশ ও জীব জগত বড়সড় বিপর্যয়ের হাত বেঁচে গেল এ যাত্রায়।