পি’স্ত’ল পরিষ্কার করে নিজের মাথায় গু লি করলেন পুলিশ কর্মকর্তা

148

কুড়িগ্রামে নিজের মাথায় গু লি চালিয়ে আত্ম হ ত্যা করেছেন পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই)। নিজের নামে ইস্যু করা সরকারি পি’স্ত’ল দিয়ে নিজের মাথায় গু লি করেন তিনি।

বুধবার বিকেল ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত পুলিশ কর্মকর্তার নাম সেলিম জাহাঙ্গীর। তার গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায়। কুড়িগ্রাম সদর পুলিশ ফাঁড়ির হাটিরপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি। ওই বাসায় আত্ম হ ত্যা করেন তিনি।

সেলিম জাহাঙ্গীর সদর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার আবুল কালাম আজাদের একমাত্র সন্তান ছিলেন জাহাঙ্গীর। ২০০৭ সালে এএসআই হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন তিনি। পরে পদোন্নতি পেয়ে এসআই হন।

নি হ তের পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে সদর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কামরুজ্জামান বলেন, বুধবার বিকেলে এসআই জাহাঙ্গীর বাসায় বসে পি’স্ত’ল পরিষ্কার করছিলেন। এ সময় হঠাৎ মাথায় পি’স্ত’ল ঠেকিয়ে গু লি করেন তিনি। জাহাঙ্গীরের আট বছর বয়সী ছেলে ছাড়াও ওই সময় বাসায় ছিলেন তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, বাবা ও মা। তবে প্রাথমিকভাবে তার আত্ম হ ত্যার কারণ জানা যায়নি। এ ঘটনায় পুলিশ ফাঁড়িতে তার সহকর্মীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শাহীনুর রহমান সরদার বলেন, ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃ ত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার মাথার ডান দিকে কানের ওপরে গু লির চিহ্ন রয়েছে। গু লিতেই তার মৃ ত্যু হয়েছে।

কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মুহিবুল ইসলাম খান জানান, এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে নিজের মাথায় গু লি চালিয়ে আত্ম হ ত্যা করেছেন এসআই সেলিম জাহাঙ্গীর। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরে বিস্তারিত জানানো হবে। তদন্তের মাধ্যমে এর কারণ জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে প্রাণ গেল দুইজনের !

ময়মনসিংহের নান্দাইলে পৃথক স্থানে বিদ্যুৎ’স্পৃ’ষ্টে দুইজনের মৃ ত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের শাইলধরা ও পংকরহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নি হ তরা হলেন- গাংগাইল ইউনিয়নের শাইলধরা গ্রামের চাঁনফর আলীর ছেলে আবু সিদ্দিক (৫৫) ও একই ইউনিয়নের পংকরহাটি গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে ফজলুর রহমান (৫০)।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের শাইলধরা গ্রামের নূরুল ইসলাম তার মুরগির খামারের সুরক্ষায় চারপাশে বিদ্যুতের ফাঁদ তৈরি করে রাখেন। বুধবার সকালে ওই গ্রামের আবু সিদ্দিক খামারের পাশের জমিতে কাজ করার সময় পড়ে থাকা বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই মা রা যান।

অপরদিকে একই ইউনিয়নের পংকরহাটি গ্রামের ফজলুর রহমান বাড়ির পাশে সেচপাম্প চালাতে গিয়ে বিদ্যুৎ’স্পৃ’ষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মা রা যান।

নান্দাইল মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর আহম্মদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিদ্যুৎ’স্পৃ’ষ্টে দুইজনের মৃ ত্যু র ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি অপ মৃ ত্যু মামলা হয়েছে।