নুসরাতকে পু ড়িয়ে হ ত্যা: ৪ ডাক্তার- নার্সের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন

93

নুসরাতকে পু ড়িয়ে হ ত্যা- ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পু ড়িয়ে হ ত্যা মামলায় বৃহস্পতিবার তিন চিকিৎসক ও একজন নার্স সাক্ষ্য দিয়েছেন।

ফেনীর নারী ও শিশু নির্যা তন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে রাফির এই চিকিৎসক ও নার্সের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়। ফেনী জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাড. হাফেজ আহাম্মদ ও বাদী পক্ষের আইনজীবী শাহজাহান সাজু জানান, আলোচিত এই হ ত্যা মামলায় ৯২ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত ৮৪ জনের সাক্ষ্য ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ, বার্ন ইউনিটের মেডিকেল অফিসার ডা. ওবায়দুল ইসলাম ও ডা. একেএম মনিরুজ্জামান এবং সিনিয়র স্টাফ নার্স অর্চনা পাল আদালতে সাক্ষ্য দেন।

পরে আ সামি পক্ষের সিনিয়র আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন নান্নু, কামরুল হাসান, আহসান উল্যা বেঙ্গেল তাদের জেরা করেন। আগামী ১৮ আগস্ট মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওইদিন চট্টগ্রাম সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার ও হস্তলিপি বিশেষজ্ঞ মো. শামছুল আলমের সাক্ষ্যগ্রহণের কথা রয়েছে।

ডা. ওবায়দুল ইসলাম সাক্ষ্য দেয়ার সময় আদালতকে বলেন, ‘নুসরাত জাহান রাফি মৃ ত্যুর কোলে ঢলে পড়ার আগে ৬ এপ্রিল বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ডা. একেএম মনিরুজ্জামান ও সিনিয়র স্টাফ নার্স অর্চনা পালের সামনে তার জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করি।

রাফি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তার ওপর নির্যা তনের বর্ণনা দিয়েছে। রাফির বক্তব্য লেখা শেষ হলে তা আমি পড়ে শোনাই। তখন তার স্বাক্ষর করার মতো অবস্থা ছিল না, ফলে তার টিপসই নিই।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. সোহেল মাহমুদ সাক্ষ্য দেয়ার সময় বলেছেন, গত ১০ এপ্রিল রাতে রাফির মৃ ত্যু হলে পরদিন পুলিশ কনস্টেবল রমজান আলী ম র দেহ নিয়ে এলে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করি।

এ সময় একই বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. প্রদীপ বিশ্বাস ও ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস উপস্থিত ছিলেন। আমরা সুরতহাল প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করি। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় কী পাওয়া গেছে তা তিনি আদালতে তুলে ধরেন। লিখিত ওই জবানবন্দিতে তিনজনেরই স্বাক্ষর আছে বলে আদালতকে জানান তিনি।

ডা. একেএম মনিরুজ্জামান ও সিনিয়র স্টাফ নার্স অর্চনা পাল আদালতে যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন তা মিলে যাওয়ায় ডা. ওবায়দুল ইসলামের সাক্ষ্যটি তাদের সাক্ষ্য বলে গ্রহণ করেন আদালত। গত ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌ ন নিপী ড়নের দায়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ্দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পরে ৬ এপ্রিল ওই মাদ্রাসার সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আ গুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচ দিন মৃ ত্যুর সঙ্গে লড়ে মা রা যান তিনি।

সুত্র-যুগান্তর।

৯ দিন বন্ধ সোনামসজিদ স্থলবন্দর

পবিত্র ঈদুল আজহা ও সাধারণ ছুটির কারণে ৯ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৯ দিন বন্ধ থাকবে সোনামসজিদ স্থলবন্দর।

ফলে সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে সব ধরনের আমদানি-রফতানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সোনামসজিদ স্থলবন্দর সহকারী কাস্টমস কমিশনার বিল্লাল হোসেন ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মেসবাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, পবিত্র ঈদুল আজহা ও সাধারণ ছুটির কারণে ৯ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ৯ দিন স্থলবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৮ আগস্ট থেকে যথারীতি বন্দরের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। তবে সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াতের জন্য ইমিগ্রেশন অফিস খোলা থাকবে বলে জানান তিনি।