নি’হ’ত ডা. সাবিরার বাসায় চল্লিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তির যাতায়াত ছিল

198

রাজধানীর কলাবাগানে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের চিকিৎসক কাজী সাবিরা রহমান লিপি (৪৬) হ”ত্যা”কা”ণ্ডে”র ৮ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও জড়িত কাউকে শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

ঘটনার পর থেকে স’ন্দে’হ’ভা’জন, প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের স্বজনদের দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেও কোনো ক্লু মিলছে না।

তবে ঘটনার আ’লা’ম’ত বিশ্লেষণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, ‘খু”নি ঠাণ্ডা মাথায় খু”ন করে পালিয়েছে।’

এ ঘটনায় থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ, র‌্যাব, পিবিআইসহ সবাই ‘ক্লু’ উদ্ধারে কাজ করছে। সবার ভাষ্য, হ”ত্যা”কা”ণ্ড”টি ক্লু লেস ও জটিল।

সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তারা বলছেন, ডা. সাবিরার কোনো প’র’কী’য়া প্রেমিক আছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সন্দেহ রয়েছে সহভাড়াটিয়া কানিজ সুবর্ণা ও নুরজাহানের প্রতিও।

তবে নুরজাহান ঈদের দিন থেকে গোপালগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে অবস্থান করায় তার দিকে সন্দেহটা কম। এরপরও নুরজাহানকে ডেকে নিয়ে নানান বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গত রোববার (৬ জুন) ও সোমবার (৭ জুন) পিবিআই নুরজাহানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

তবে কলাবাগানের ১ম লেনের ৫০/১ নম্বর বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরী ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, চল্লিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি ডা. লিপির বাসায় যাতায়াত করতেন।

চেহারায় শ্যাম বর্ণের ও শরীরের গঠন হালকা পাতলা ওই ব্যক্তিকে এখনো চিহ্নিত করতে পারেনি। মূলত ঘা”ত”ক নি”হ”তে”র পূর্বপরিচিত-এটা নিশ্চিত পুলিশ। ফ্ল্যাটে প্রবেশ দরজার সামনে যে দুটি সি’গা’রে’টে’র অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে তা ঘা”ত”কে”র কি না-তা নিশ্চিত হতে পারেনি।

গত ৩০ মে কলাবাগানের ফার্স্ট লেনের ৫০/১ ভাড়া বাসা থেকে গ্রিন লাইফ হাসপাতালের কনসালটেন্ট (সনোলজিস্ট) চিকিৎসক কাজী সাবিরা রহমান লিপির (৪৭) র”ক্তা”ক্ত লা”শ উ’দ্ধা’র করে পুলিশ।

প্রথমে ওই বাসায় আ”গু”নে”র খবর পেয়ে ফা’য়া’র সার্ভিসের কর্মীরা যান। পরে ফা’য়া’রে’র কর্মীরা সাবিরার শরীরে র”ক্তা”ক্ত চি’হ্ন দেখে বুঝতে পারেন- এটি একটি খু”ন।

পরে পুলিশ গিয়ে ডা. সাবিরার লা”শ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নি”হ”তে”র মামাতো ভাই রেজাউল হাসান বাদী হয়ে কলাবাগান থানায় একটি হ”ত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্র জানান, আমরা মামলার ক্লু উদঘাটনের চেষ্টা করছি। এখন পর্যন্ত খু”নে”র মো’টি’ভ জানা যায়নি। যাদের সন্দেহ হচ্ছে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ভিকটিমের মামাতো ভাই ও মামলার বাদী রেজাউল হাসান মজুমদার জুয়েল জানান, মামলার তদন্তকারীদের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। তারা খু”নি”কে চি’হ্নি’ত করে আইন আওতায় আনবে বলে আশা করি।