নামাজ পড়তে অসুবিধা হতো, তাই অভিনয় ছেড়ে দিয়েছি’

237

নামাজ পড়তে অ’সুবিধা হয় বলে পাঁচ বছর ধরে অভিনয় করেন না বাংলা চলচ্চিত্রে কা’লজয়ী অভিনেত্রী আনোয়ারার মেয়ে মু’ক্তি। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এক ফেসবুক স্ট্যা’টাসে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

মুক্তি লিখেছেন, ‘অনেকই জি’জ্ঞেস করে, আমি অ’ভিনয় ছেড়ে দিলাম কেন? আসলে সময়মতো নামাজ প’ড়তে আমার অ’সুবিধা হতো। তাই প্রায় পাঁচ বছর হলো আমি অ’ভিনয় ছেড়ে দিয়েছি।’

তার এই স্ট্যা’টাসের নিচে অ’নেকেই এই সি’দ্ধান্তের জন্য তাকে সা’ধুবাদ জানিয়েছেন। অনেকে মন খা’রাপ করে মুক্তির অভিনয় মিস করবেন বলেও জানান।

নামাজ পড়তে অ’সুবিধা হওয়ায় অভিনয় ছে’ড়েছেন নায়িকা নামাজ পড়তে অ’সুবিধা হওয়ায় অভিনয় ছে’ড়েছেন নায়িকা মুক্তি দর্শক মুগ্ধ করেছেন হুমায়ূন আহমেদের নন্দিত চলচ্চিত্র ‘শ্রাবণ মেঘের দিনে’ জমিদারের বড় নাতনির চরিত্রে।

এখানে শাহানারূপী মুক্তিকে দ’র্শক মনে রাখবেন অনেকদিন। কাজ করেছেন তিনি হেলাল খানের বি’পরীতে ‘হাছন রাজা’ সিনেমাতেও। কাজ করেছেন কিছু নাটক-টেলিছবিতেও।

উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ সিনেমা দিয়ে যাত্রা শুরু করেন মুক্তি। আ’লোচনায় আসেন একই বছরের সিনেমা ‘চাঁদের আলো’ দিয়ে। ওমর সানীর বিপরীতে এই সি’নেমায় আলো চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

আরো পড়ুন-জার্মান শহরে মাইকে ‘আজান নিষিদ্ধের’ মামলায় জয়ী হলেন মুসলিমরা!

জার্মানির একটি শহরে মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্থানীয়দের করা মা’মলায় জয় পেয়েছেন মুসলিমরা। টানা পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে বুধবার মা’মলাটি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত

জার্মানির একটি শহরে মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্থানীয়দের করা মা’মলায় জয় পেয়েছেন মুসলিমরা। টানা পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে বুধবার মা’মলাটি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।

ফলে, এখন থেকে শহরটিতে মাইকে আজান দিতে আর কোনও বাধা থাকল না। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ২০১৫ সালে জার্মানির উত্তর রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের ওর-এরকেনশিক শহরের বাসিন্দারা আজানের সময় মাইক ব্যবহারের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

মসজিদ থেকে ৯০০ মিটার দূরে বসবাসকারী একটি পরিবারের অভিযোগ ছিল, আজানের শব্দে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। কিন্তু পরিবারটির এ দাবি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।

রায় ঘোষণায় বিচারক বলেছেন, অন্যরাও ধর্মীয় চর্চা করবে এটা প্রতিটি সমাজকে অবশ্যই মানতে হবে। যতক্ষণ কাউকে ধর্মচর্চায় জোর করা হচ্ছে না, ততক্ষণ অভিযোগ জানানোর কোনও সুযোগ নেই।