দিল্লিতে কিশোরী সাঁতারুকে ধ র্ষ ণের অভিযোগে গ্রেফতার কোচ …!

134

স্বর্ণজয়ী কিশোরী সাঁতারুকে যৌ ন হে’ন’স্তা ও ধ র্ষ ণের অভিযোগে অবশেষে গ্রেফতার হলেন কোচ সুরজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ভারতের দিল্লির কাশ্মীরি গেট থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ওই কিশোরীকে যৌ ন হে’ন’স্তার ভিডিও ভাইরাল হতেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন অভিযুক্ত কোচ।

গত ৪ আগস্ট ওই কিশোরীকে যৌ ন হে’ন’স্তার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয় ভিডিওটি। ভারতের প্রতিভাবান এই সাঁতারুর সঙ্গে হওয়া অ’শ্লী’ল আচরণ নজরে আসে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজুর। তারপরই কোচের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার সুরজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে যাবতীয় চুক্তি বাতিল করে গোয়া সুইমিং অ্যাসোসিয়েশন। এমনকি, সুরজিৎ যেন ভবিষ্যতে কোথাও চাকরি না পান, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সেই নির্দেশও দেন সুইমিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়াকে।

বৃহস্পতিবার সকালে সুরজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে রিষড়া থানায় তথ্যপ্রমাণসহ অভিযোগ দায়ের করেন কিশোরীর মা-বাবা।

অভিযুক্ত কোচের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ (ধ র্ষ ণ), ৩৫৪ (যৌ ন হে’ন’স্তা) এবং ৫০৬ (সমাজবিরোধী কার্যকলাপ) নম্বর ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পাশাপাশি পকসো আইনেও মামলাও করা হয়।

দেশ টির পুলিশ বলেছে, বিভিন্ন শহরে পালিয়ে গ্রেফতারি এড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছিলেন সুরজিৎ। তার দুটো ফোন ই সুইচড অফ ছিল। তাকে খুঁজে বের করার জন্য তৈরি হয় একটি বিশেষ দল। যেখানে ছিলেন উত্তর গোয়ার পুলিশ সুপার উৎকৃষ্ট প্রসূন, মাপুসার এসডিপিও গজানন্দ প্রভুদেশাই এবং ইনস্পেক্টর কপিল নায়েক। ভোপাল, বেঙ্গালুরুর মতো বেশ কয়েকটি শহরে তল্লাশি চালায় বিশেষ দলটি।

ভারতের প্রত্যেক শহরের পুলিশকেও এবিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছিল। অবশেষে তাকে খুজে পাওয়া যায় দিল্লির কাশ্মীরি গেট। সেখানেই দিল্লি পুলিশের জালে ধরা পড়েন তিনি। জিজ্ঞাসা বাদের জন্য তাকে নিজে দের হেফাজতে চাইবে গোয়া পুলিশ।

ভারতীয় কিশোরীকে যৌ ন হে’ন’স্থা পাক যুবকের….

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের একটি হোটেলের লিফটের ভেতর ১২ বছরের এক ভারতীয় কিশোরীকে যৌ ন হেন’স্থা’র অভিযোগ উঠেছে এক পাকিস্তানি যুবকের বিরুদ্ধে। ভারতীয় গণমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই নির্যা তিতা কিশোরীর আইনজীবী জানিয়েছেন, ৩৫ বছর বয়সী ওই অভিযুক্ত পাকিস্তানি পেশায় একজন ডেলিভারি কর্মচারী। কোনো একটি অর্ডারের ডেলিভারি দিতে যাওয়ার সময় লিফটের মধ্যে ওই কিশোরীকে যৌ ন হে’ন’স্থা করেন।

তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে তার বিরুদ্ধে ওঠা সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এই ঘটনার পর দুবাইয়ের আল রাফা পুলিশ স্টেশনে ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়।

স্থানীয় এক নারী জানিয়েছেন, ওই কিশোরী তার কাছে অঙ্ক পড়তে গিয়েছিল। কিন্তু কিছু কাগজ ভুলে রেখে আসার জন্য আবার তাকে ফেরত যেতে হয়। যখন সে ফিরে আসে প্রচণ্ড ভয় পেয়ে কান্নাকাটি করছিল এবং রীতিমত কাঁপছিল।

মেয়ে টি জানায়, অভিযুক্ত ওই কর্মচারী কথা বলতে বলতে লিফটের ভেতরে ঢুকে একটা ঠিকানা জিজ্ঞেস করে তাকে। সে সময় সে আচমকা তাকে স্পর্শ করে। শিশুটির কাছে সব শুনে ওই নারী নিরাপত্তা কর্মীদের সিসি টিভি দেখতে বলেন।

সিসি টিভিতে দেখা যায়, ওই লোকটির ছয়তলায় একটি জিনিস দেওয়ার কথা থাকলেও সে তার রাস্তা বদল করে এবং জিনিসটি ডেলিভারি না করে ওই কিশোরী কে ফলো করতে থাকে এবং লিফটের মধ্যে একা পেয়ে তার গায়ে হাত দেয়।