ঝুঁকিপূর্ণ শট দিতে গিয়ে মারাত্মক আহত নায়ক বাপ্পি

320

ঝুঁকিপূর্ণ শট দিতে গিয়ে মারাত্মক আহত- ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা বাপ্পি। বর্তমানে ব্যস্ত আছেন ‘ডেঞ্জার জোন’ সিনেমা নিয়ে। এই ছবিতে তার বিপরীতে কাজ করছেন অভিনেত্রী জলি। এই সিনেমার একটি দৃশ্যে শুটিং করতে গিয়ে মারাত্মক আহত হয়েছেন বাপ্পি।

গাজীপুরের ন্যাশনাল পার্কে গহীন অরণ্যে ঝুঁকিপূর্ণ শট দিতে গিয়ে আহত হন তিনি। বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান ডেঞ্জার জোন’ ছবির পরিচালক বেলাল সানি। আজ ২৪ জুলাই, বুধবার এ ঘটনা ঘটে। বেলাল সানি বলেন, অ্যাকশন দৃশ্যে অংশ নিয়েছিলেন বাপ্পী ও জলি।

ঝুকিপূর্ণ একটি শট নিতে গিয়ে আহত হয়েছে বাপ্পি। বাপ্পির কোমরে বাঁধা ছিল ক্রেনের কালো সুতা। এমন সময় জাদুর বাতাসের ধাক্কায় উড়ে যাবেন নায়ক। ভুল ক্রমে কোমরে বাঁধা সুতার টানটা এতটাই জোরে হয়েছিল যে ঘাড়টা বাঁকা হয়ে নিচের দিকে চলে যায় বাপ্পির। এ সময় জ্ঞানও হারায় বাপ্পি।

প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আজ বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরবেন বাপ্পি। ঢাকায় ফিরেই উন্নত চিকিৎসা নিতে হবে এ নায়কের। সাকসেস মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত ছবিটিতে বাপ্পী-জলি ছাড়াও অভিনয় করছেন ডিজে সোহেল, অঞ্জলি সাথি, সীমান্ত, শামীম, রাজু সরকার প্রমুখ। সুত্র-বি ডি ২৪ লাইভ।


জীবন বাঁ চা তে দারোয়ানের চাকরি করছেন চিত্র পরিচালক!

আশির দশকের জনপ্রিয় চিত্র পরিচালক সুব্রতরঞ্জন দত্ত। টলিউড পাড়ায় অনেকেই তাকে এক নামে চেনে।

কিন্তু শেষ বয়সে এসে হাতে কাজ না থাকায় নিরাপত্তাকর্মীর চাকরি করতে হচ্ছে এ গুনি পরিচালকের। তার দিন কাটছে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করে। ভারতের একটি ভিআইপি রোডের আবাসনে নিরাপত্তা রক্ষীর কাজ করে সুব্রতরঞ্জন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিচালক রাজা সেন বলেন, সুব্রত নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেন। ওর নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করাটা একেবারেই মানা যায় না। ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স ডিরেক্টর অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিমল দে বলেন, এটা দুর্ভাগ্যের। সুব্রতবাবু টালিগঞ্জের পরিচিত মুখ।

এখন যাদের হাতে ক্ষমতা, তাদের দলের লোকজনই শুধু কাজ পায়। সুব্রতবাবুর মতো অভিজ্ঞ মানুষেরা কাজ পান না। এতে বাংলা ইন্ডাস্ট্রির দৈন্য দশাই ফুটে উঠছে।

সুব্রতরঞ্জন দত্তের কথায়, স্ত্রী, মেয়েকে নিয়ে সংসার। চলতে তো হবেই। বেশ কয়েক বছর বসে রয়েছি।

শেষে সাড়ে ছয় হাজার টাকায় এই কাজেই ঢুকে গেলাম। কোনও কাজই ছোট নয়। এর মধ্যেই সময় পেলেই নতুন চিত্রনাট্যের খসড়া তৈরি করার চেষ্টা করি এখনও। তবে সময় বার করাটাই কঠিন। ঋত্বিক ঘটকের সৃতিচারণ করে সুব্রত বলেন, তখন উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছি।

ঋত্বিকবাবুর যুক্তি তক্কো আর গপ্পো সিনেমার সেটে দাঁড়িয়ে ওর কাজ দেখতাম আর শিখতাম। তারপরে চিত্র পরিচালক শঙ্কর ভট্টাচার্যের সঙ্গে সহকারী পরিচালকের কাজের সুযোগ পাই। নয়ের দশকে মুম্বাই থেকে কলকাতায় ফেরার পরে সহকারী পরিচালক থেকে পরিচালক হতেই কেটে যায় দেড় দশক। প্রথম ছবি ‘প্রবাহিণী’ ছবি মুক্তি পায় ২০১৬ সালে।