জোর করে নির্জন বাড়িতে নিয়ে মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণ…

86

মাদারীপুর সদর উপজেলার উত্তর হাজরাপুর গ্রামে মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধ র্ষ ণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাকিব বেপারীকে গ্রে প্তা র করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মাদ্রাসার ছাত্রী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। অভিযুক্ত সাবিক বেপারী সদর উপজেলার পশ্চিম হাজরাপুর গ্রামের রজব বেপারীর ছেলে।

শনিবার সকালে অভিযুক্ত ধ র্ষ ক সাকিব বেপারীকে মাদারীপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মো. সাইদুর রহমান তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।

পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে জো র করে একটি অটো রিকশায় নিয়ে যায় ওই মাদ্রাসার ছাত্রীকে। ওই রাতে মস্তফাপুর পর্বত বাগানের ভিতরে একটি নির্জন বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোর-পূর্বক ধ র্ষ ণ করে সাকিব। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঐ ছাত্রী বাড়িতে এসে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়।

এ ঘটনায় এলাকার লোকজন একটি শালিস বৈঠকে বসে মিমাংশার চেষ্টা করে। পরে সমাধান না আসায় সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে ধর্ষণের শিকার ঐ ছাত্রীর বাবা।

ছাত্রীর বাবা বলেন, আমার মেয়েকে ধ র্ষ ণের ঘটনায় গ্রামের শালিসরা মিমাংসা করার চেষ্টা করেছিলো কিন্তু ছেলের পরিবারের কেউ তাতে রাজি হয়নি। পরে শুক্রবার দুপুরে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে মেয়েকে ভর্তি করি। আমি আমার মেয়ের ধ র্ষ ণ কারীর কঠোর শাস্তির দাবি জানাই।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার অখিল সরকার বলেন, ধ র্ষ ণে র বিষয় নিয়ে একটি মেয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। আমরা গাইনি ডাক্তার দিয়ে মেডিকেল চেকআপ করেছি। আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। মেয়েটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ বদরুল আলম মোল্লা বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, মাদ্রাসার ছাত্রীকে সদর উপজেলার মস্তফাপুর পর্বত বাগানের ভিতরে একটি নির্জন বাড়িতে নিয়ে গিয়ে জোর পূর্বক ধ র্ষ ণ করে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। ধ র্ষ ক সাকিব বেপারী (১৮) কে গ্রে প্তা র করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

প্রাইভেটে যাওয়ার কথা বলে প্রেমিকের বাসায় স্কুলছাত্রী !

প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা বলে প্রেমিকের বাড়িতে চলে গেল স্কুলছাত্রী (১৫)। ঘটনার দুদিন পর প্রেমিকের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া ওই স্কুলছাত্রী রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার বাসিন্দা। সে পুঠিয়ার বানেশ্বর শহীদ নাদের আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। শুক্রবার প্রেমিকের বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় পুলিশ দেখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান স্কুলছাত্রীর প্রেমিক এবাদুল ইসলাম (২৯)। প্রেমিক এবাদুল ইসলাম গাজীপুরের আবদুর রশিদের ছেলে। ছাত্রীর বাবার অ প হ র ণ মামলায় তাকে গ্রে ফ তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

এর আগে ২৮ আগস্ট প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় স্কুলছাত্রী। এরপর আর বাসায় যায়নি সে। বানেশ্বর থেকে ওই ছাত্রীকে অ প হ র ণ করা হয়েছে এমন অভিযোগে পুঠিয়া থানায় মামলা করেন ছাত্রীর বাবা। এরপর তাকে উদ্ধারে অভিযানে নামে পুলিশ। অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে উদ্ধার এবং কথিত অপহরণকারীদের গ্রে ফ তারে অভিযানে যায় পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পুঠিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাকিল উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, শুক্রবার রাতে গাজীপুরে অভিযান চালিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার প্রেমিক পালিয়ে যায়। উদ্ধারের পর রাতেই ওই ছাত্রীকে পুঠিয়ায় আনা হয়। শনিবার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। জবানবন্দি নিতে তাকে আদালতে নেয়া হবে।

স্কুলছাত্রীর বরাত দিয়ে ওসি সাকিল উদ্দিন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফে স বু কে ওই ছাত্রীর সঙ্গে এবাদুলের পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২৮ আগস্ট প্রেমিক এবাদুল বানেশ্বরে এসে ওই ছাত্রীকে গাজীপুরে নিয়ে যান। তার বাড়ি থেকে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ। মামলা হওয়ায় প্রেমিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাকে গ্রে ফ তারের চেষ্টা চলছে।