জেলে বসে কোরআন মুখস্থ করলেই মুক্তি দেওয়া হবে আলজেরিয়ায় !

139

কোরআন মুখস্থ করলেই মুক্তি- আলজেরিয়ার কারা অধিদপ্তর ঘোষণা করেছে, জেলখানায় যে সব বন্দি কোরআনে কারিম হেফজ (মুখস্থ) করবে, তাদেরকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হবে। আলজেরিয়ার কারা অধিদপ্তর ঘোষণা করেছে, জেলখানায় যে সব বন্দি কোরআনে কারিম হেফজ (মুখস্থ) করবে, তাদেরকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হবে।

আলজেরিয়ার কারা অধিদপ্তরের প্রধান মুখতার ফালিউন জেলখানার বন্দিদের কোরআন হেফজের প্রতি উৎসাহিত করতে এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, যে সব বন্দি পবিত্র কোরআন হেফজ করবে, তাদেরকে জেল থেকে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শেষে মুক্তি দেওয়া হবে। ‘কারা বন্দিদের ধর্মীয় নির্দেশনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ঘোষণায় তিনি বলেন, কারা বন্দিদের ধর্মীয় শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। আলজেরিয়ার সংবিধানেও এ বিষয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। সেমিনারে আলজেরিয়ার ধর্ম ও বিচার মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ই সেমিনারে মুখতার ফালিউন বলেন, যে সব বন্দি কোরআন হেফজ করবে, তাদেরকে আমরা বিশেষ সুবিধা প্রদান করবো। যেমন- বেকসুর খালাস, অর্ধেক শাস্তি ক্ষমা কিংবা জেল থেকে বের হওয়ার সুযোগ।

তিনি বলেন, এই সুযোগ শুধুমাত্র ওই সব বন্দিদের জন্য প্রযোজ্য হবে, যারা কারাগারে পবিত্র কোরআন হেফজ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করবে এবং নিজেদের সংশোধন করবে। এ ছাড়া যে সব বন্দি মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে এবং যারা নির্দিষ্ট দক্ষতার মাধ্যমে নিজেদেরকে গড়ে তুলবে- তারাও এমন সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

ওই কারা কর্মকর্তা আরও বলেন, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বন্দিরা শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হবে। জেল পরবর্তী জীবনে সৎ জীবনযাপনে উৎসাহী হবে।

আমরা সেটাই চাচ্ছি। সেমিনারে তিনি জানান, ইতোমধ্যেই কারাবন্দীদের ধর্মীয় প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ৪২২ জন ধর্ম প্রশিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বন্দিরা তাদের কাছে ধর্মীয় নানা বিধানসহ কোরআন শেখার সুযোগ পাবেন।

কুমিল্লায় তারেক মনোয়ারসহ ৩ বক্তার ওয়াজ নি”ষি”দ্ধ

ইসলামিক ওয়াজ-মাহফিলে ধর্মীয় উ”স্কা”নি”মূ”ল”ক বক্তব্য রাখার অভিযোগে তারেক মনোয়ারসহ তিনজন বক্তার কুমিল্লায় ওয়াজ করা নি”ষি”দ্ধ করেছেন জেলা প্রশাসন। ওই তিন বক্তা হলেন তারেক মনোওয়ার, আবদুর রাজ্জাক এবং জসিম উদ্দিন।

১১ নভেম্বর, সোমবার কুমিল্লা জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভায় জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথা জানান।

জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর বলেন, ‘উল্লেখিত ওয়াজকারী বক্তারা দীর্ঘ বছর ধরে ওয়াজের নামে সাধারণ মানুষকে বি”ভ্রা”ন্তি করে আসছে। তাদের ওয়াজে ইসলামের আদর্শ দেশ প্রেমের চেয়ে উ”গ্র”বা”দ প্রকাশ পায়, তাই তাদের ওয়াজ কুমিল্লায় নি”ষি”দ্ধ করা হলো।’

জেলা আইনশৃংখলা কমিটির সভায় উপস্থিত জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ওয়াজের নামে ব্যাপক শ’ব্দ’দূ’ষ’ণ হয়। যা কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জন্য ক্ষ’তি’ক’র। যেই স্থানে মাহফিল আয়োজন করা হবে সেখানে অবশ্যই সাউন্ড সিস্টেমটি প্যান্ডেলের ভেতরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।’