জার্মানিতে বাচ্চাদের জনপ্রিয় নাম হচ্ছে ‘মোহাম্মদ’

202

জার্মানিতে শীর্ষ জনপ্রিয় নাম ‘মোহাম্মদ’- জার্মানির বার্লিনে ২০১৮ সালে ছেলে নবজাতকের জন্য সবচেয়ে বেশি ‘মোহাম্মদ’ নামটি বেছে নেয়া হয়েছে। সাধারণত ইসলাম ধর্মের শেষ নবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) এর নামের সঙ্গে মিলিয়ে সন্তানদের নাম রাখেন মুসলমানরা। জার্মানিতে মুসলিমদের সংখ্যা ৭ শতাংশের বেশি না হলেও এখানে এই নামটি জনপ্রিয়তার শীর্ষে চলে এসেছে।

জার্মানির বার্লিনে ২০১৮ সালে ছেলে নবজাতকের জন্য সবচেয়ে বেশি ‘মোহাম্মদ’ নামটি বেছে নেয়া হয়েছে। এছাড়া দেশটির ১৬টি রাজ্যের ছয়টিতেই শীর্ষ দশ পছন্দের তালিকায় রয়েছে এ নাম। সম্প্রতি নবজাতকের নাম বিষয়ক সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর জার্মান ল্যাঙ্গুয়েজেরর জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

সংগঠনটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আন্দ্রে এওয়েলসের ধারণা, অভিবাসনের ব্যাপকতার ফলে, মোহাম্মদ নামটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ২০২১ বা ২০২২ সালের মধ্যে নামটি জার্মানদের পছন্দ তালিকার শীর্ষ দশে জায়গা করে নেবে।

বর্তমানে গোটা জার্মানিতে ছেলে শিশুদের নামের শুরুর অংশ হিসেবে সবচেয়ে জনপ্রিয় ‘বেন’ আর মেয়ে শিশুদের জন্য ‘এমা’। এছাড়া ছেলেদের জন্য পল, লিও, নোয়াহ ও লুইস এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে জোনাস, এলিয়াস, হেনরি, ফেলিক্স ও লুকাস নাম সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

২০১৫ সালের পর থেকে গত কয়েক বছরে প্রায় ১০ লাখ মুসলিম অভিবাসী ঢুকেছে জার্মানিতে। সিরিয়া, লিবিয়া, আফগানিস্থানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসলিম অভিবাসীরা জার্মান সংস্কৃতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। এছাড়া তুরস্কের বিশাল একটি জনগোষ্ঠী জার্মানিতে বসবাস করে।

মালয়েশিয়া যাওয়ার চেষ্টাকালে ৬ রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণী উদ্ধার…

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা থেকে সমুদ্রপথে অ’বৈ’ধ’ভা’বে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় ছয় রোহিঙ্গা তরুণ-তরুণীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ শনিবার ভোর ৬টার দিকে সদর ইউনিয়নের লম্বরীঘাট থেকে তাদের আ’ট’ক করা হয়। আ’ট’ক’দে’র মধ্যে চার তরুণী ও দুই তরুণ আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গাদের আনুমানিক বয়স ১৮ থেকে ২২ বছর। এদের মধ্যে বালুখালী ক্যাম্পের তিনজন, কুতুপালং ক্যাম্পের দুজন ও উনচিপ্রাং ক্যাম্পের একজন রয়েছেন।

টেকনাফ মডেল থানার এসআই জামসেদ জানান, শনিবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে সাগর পথে অ’বৈ’ধ’ভা’বে মালয়েশিয়া যা’ও’য়া’র সময় সদর ইউনিয়নের লম্বরী ঘাট থেকে দুই তরুণ ও চার তরুণীসহ মোট ৬ রোহিঙ্গাকে আ’ট’ক করে স্থানীয়রা।

পরে বিষয়টি টেকনাফ মডেল থানাকে অবহিত করা হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই রো’হি’ঙ্গা’দে’ টেকনাফ থানায় নিয়ে আসেন।

উ’দ্ধা’র’কৃ’ত রোহিঙ্গারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, রো’হি’ঙ্গা হাসেম ও লেঙ্গুর এলাকার বাসিন্দা সোনামিয়ার নেতৃত্বে মালয়েশিয়া যা’ও’য়া’র লক্ষ্যে ট্রলারের ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তারা।

উ”র’কৃ’ত’দে’র পরিবার ও ক্যাম্প মাঝিদের সংবাদ দেয়া হয়েছে। তারা উপস্থিত হলে যাচাই বাচাই করে তাদের পরিবারে কাছে ফিরিয়ে দেয়া হবে।