ছেলেধ’রার মতো ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে গু’জব ছড়ানো হচ্ছে

62

ছেলেধ’রার মতো ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা- দেশের সাড়ে ৩ লাখ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে এটা পদ্মা সেতুর মতোই গু জ ব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন।

এদিকে মশক নিধনে ছিটানো ওষুধ কার্যকর বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

আজ (২৫ জুলাই) বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে ‘মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ উপলক্ষে একটি র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিতে অংশ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা করে বর্তমানে ছিটানো ওষুধে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। ওষুধ কাজ করছে।

আর দক্ষিণের মেয়র বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ করলেও লক্ষ্য পূরণ করা যাচ্ছে না। এ সময় সাঈদ খোকন বলেন, ‘মশা নিয়ে কোনো রাজনীতি কাম্য নয়। যেমন বলা হচ্ছে সাড়ে ৩ লাখ মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। এটা ভুল এবং কাল্পনিক তথ্য। ছেলে ধরার মতোই এটা গু জ ব।’

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু মোকাবিলায় বাসার আশপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান জাতীয় দলের ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মোর্তজা। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের আশেপাশে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আমাদের আরও সচেতন হতে হবে। আমরা সচেতন হলেই ডেঙ্গু কমে আসবে।’

এছাড়াও অনুষ্ঠানে গাজীপুর সিটি মেয়র, চিত্রনায়ক ওমর সানি, চিত্রনায়িকা মৌসুমিসহ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। দেশে মশক নিধন এবং মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী ‘মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা সপ্তাহ’ পালন করা হবে। সুত্র-সময় সংবাদ।

অনাহারে কাটছে পানিবন্দী মানুষের দিন

জামালপুরের সরিষাবাড়িতে বন্যার পানিতে ডুবে ৫ শিশুর মৃ.. ত্যু হয়েছে। উত্তরের কয়েকটি নদীর পানি বাড়ায় সিরাজগঞ্জ, কুড়িগ্রাম ও বগুড়ায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন পানিবন্দী মানুষ। অন্যদিকে, শরীয়তপুর ও শেরপুরে বন্যার পানি নামতে শুরু করেছে।

গত কয়েকদিনে সিরাজগঞ্জে পানি কমলেও নতুন করে যমুনা নদীর পানি বাড়ায় আবারো পানিতে ভাসছে ৫ উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে থাকায় চলাচলে দুর্ভোগ চরমে তাদের। সেই সাথে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটের পাশাপাশি আক্রন্ত হচ্ছে পানিবাহিত রোগে।

কুড়িগ্রামে বন্যার ১৩ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো উন্নতি হয়নি পরিস্থিতির। ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি বাড়ায় চরম মানবিক বিপর্যের মুখে ৯ উপজেলার সাড় নয় লাখ পানবন্দী মানুষ। খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে দিন কাটছে তাদের।

বগুড়ায় বাঙ্গালী নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে জেলার সোনাতলা,

সারিয়াকান্দি ও ধুনটে নতুন করে পানি বেড়ে মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে আছেন বন্যার্তরা।

শরীয়তপুরে পানি কমলেও এখানো পানিবন্দী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের মানুষ। কিছু কিছু এলাকায় বাড়ি থেকে পানি নামতে শুরু করায় পানিবাহিত রোগে আক্রান্তের পাশাপাশি স্পষ্ট হচ্ছে সড়কের ক্ষয়ক্ষতি। শেরপুরে কমতে শুরু করেছে পানি। তবে পানিতে তলিয়ে থাকায় সাতদিন ধরে জেলার সাথে জামালপুর, টাঙ্গাইল ও উত্তরবঙ্গের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ করেছে।

জামালপুরে পানি কমে গেলেও রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট বিধ্বস্ত থাকায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জেলার অভ্যন্তরীন যোগাযোগ ব্যবস্থা।