ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে আমবাগানে একা পেয়ে ৯ বছরের শিশুকে ধ’র্ষ’ণ !

98

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার কাচারীকোয়ালীপাড়া ইউনিয়নের কাচারীকোয়ালীপাড়া গ্রামে আম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বুধবার (২০ মে) বিকেলে নয় বছরের এক শিশু মেয়েকে ধ’র্ষ’ণে’র অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনা প্রকাশ হবার পর স্থানীয় লোকজন আত্নগোপন করা অবস্থায় ধ’র্ষ’ক মজিবুর রহমানকে (৪৬) ধরে পুলিশে দিয়েছে। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে আজ বুধবার দুপুরের পরে এলাকায় ঝড় ও বৃষ্টি শুরু হয়। এসময় কাচারীকোয়ালীপাড়া গ্রামের নয় বছরের এক শিশু প্রতিবেশীদের একটি বাগানে আম কুড়াতে যায়।

শিশুকে আমবাগানে একাকী পেয়ে মজিবুর রহমান নামের স্থানীয় একজন ভ্যানচালক তাকে বাড়িতে রাখা আম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তার বাড়ির ভেতরে নিয়ে যান। এসময় ওই ভ্যানচালকের বাড়িতে কেউ ছিল না।

এক পর্যায়ে ওই শিশুকে ঘরের ভেতরে নিয়ে গিয়ে ধ’র্ষ’ণ করে। এ সময় ওই শিশু চিৎকার আরম্ভ করলে ভ্যানচালকের প্রতিবেশিরা ছুটে আসে। অবস্থা বেগতিক দেখে শিশুকে ঘরে রেখেই পালিয়ে যান মজিবুর রহমান।

প্রতিবেশিরা শিশুটিকে উদ্ধার করে এলাকার গ্রাম পুলিশদের কাছে নিয়ে যান। থানায় মুঠোফোনে খবর দেওয়া হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পরে এলাকার লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে ভ্যানচালককে খুঁজতে থাকেন।

বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তাঁকে বাড়ির আরেকটি কক্ষের খাটের নিচ থেকে আত্নগোপন করা অবস্থায় ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয় তারা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন বলেন, ঘটনাটি অমানবিক ও পৈশাচিক। জনতা তাকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন।

শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। যোগাযোগ করা হলে বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতাউর রহমান জানান, ধ’র্ষ’ণে’র ঘটনায় শিশুকে উদ্ধার করে তার চিকিৎসার ব্যবসা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত কে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে শিশুর জন্ম, নাম রাখা হল আম্ফান!

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডরেব সময় রাতে প্রসব বেদনা নিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন প্রসূতি মা। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ভোলার মনপুরায় ভোর রাত ৪টায় হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের প্রচেষ্টায় ওই প্রসূতি মায়ের সুস্থ ছেলে সন্তানের জন্ম হয়।

ডাক্তার ও নার্সরা খুশিতে নবজাতকের নাম দেন আমফান। ওই প্রসূতি মা হলেন, উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরযতিন গ্রামের বাসিন্দা ছালাউদ্দিনের স্ত্রী সামিয়া (২৫)।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড়ের রাতে হাসপাতালে বেশ অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন প্রসূতি মা সামিয়া। উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলেও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে তাকে ভোলা নেয়া হচ্ছিল না। তারপরও রাতভর ডাক্তার ও নার্সদের চেষ্টায় সুস্থ সন্তান পৃথিবীর আলো দেখে।

শিশুটিই ওই মায়ের প্রথম সন্তান। খুশিতে ডাক্তার-নার্সরা জন্ম নেয়া ওই ছেলের নাম দেন আমফান। ওই মা ও সন্তান আম্পান সুস্থ রয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য প.প কর্মকর্তা ডাঃ মাহমুদুর রশীদ জানান, ওই প্রসূতি মা আশঙ্কজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে ওই প্রসূতি মা ছেলে সন্তান দিলে আমরা নাম দেই আমফান। মা ও আমফান সুস্থ্ আছে, সকালে বাড়ি চলে গেছে।