খাঁচায় বন্দি আমন্ত্রণপত্রে প্রধানমন্ত্রীকে বিয়ের দাওয়াত সাব্বিরের

114

প্রধানমন্ত্রীকে বিয়ের দাওয়াত সাব্বিরের- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় সাব্বির রহমান তার বিয়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

গতকাল শুক্রবার বিকালে মা ও বাবাকে সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এসে তার কাছে আমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করেন সাব্বির রহমান । প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমন্ত্রণপত্রটি ছিল একটি পাখির খাঁচার মধ্যে।

এর ব্যাখ্যায় সাব্বির প্রধানমন্ত্রীকে হেসে বলেন, ‘বিয়ের পর তাকে খাঁচায় বন্দি করা হবে।’ ইহসানুল করিম জানান, আমন্ত্রণপত্র গ্রহণকালে সাব্বিরের জীবনের নতুন ইনিংসে তার সাফল্য কামনা করে আশীর্বাদ করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রেস সচিব জানান, সাব্বির রহমানের বিবাহত্তোর সংবর্ধনা আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ঘরোয়া পরিবেশে সম্পন্ন হয় এই অলরাউন্ডারের আকদ অনুষ্ঠান। সাব্বিরের স্ত্রী অর্পা, যিনি উচ্চ মাধ্যমিকের দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা করছেন।

সুত্র- দৈনিক ইত্তেফাক।

আত্ম হ ত্যা করেছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার

আত্ম হ ত্যা করলেন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার ভিবি চন্দ্রশেখর। তিনি প্রিমিয়র লিগের ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিবি কাঞ্চি বীরান্সের মালিক ছিলেন। এছাড়া ভিবি’স নেস্ট নামে একটি ক্রিকেট অ্যাকাডেমিও চালাতেন প্রাক্তন ভারতীয় তারকা। চন্দ্রশেখরের ম র দেহ রয়াপেত্তা সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ময়না তদন্তের জন্য।

গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাইলাপুরে নিজের বাসভবনে পাখার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় চন্দ্রশেখরকে। তদন্তকারী পুলিশ অফিসার সেন্থিল মুরুগান জানিয়েছেন যে, ৫৭ বছর বয়সি চন্দ্রশেখর কোনও সুই’সা’ইড নোট লিখে যাননি। চন্দ্রশেখরের স্ত্রী সৌম্য পুলিশকে জানিয়েছেন যে, বিকাল ৫টা ৪৫ নাগাদ পরিবারের সকলের সঙ্গে চা খেয়ে বাড়ির দু’তলায় প্রাক্তন ক্রিকেটার নিজের বেডরুমে চলে যান।

সন্ধ্যায় দরজায় ধাক্কা দিয়ে কোনও সাড়া না মিললে তিনি জানালায় উঁকি দিয়ে চন্দ্রশেখরকে পাখার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি এও জানিয়েছেন যে, সম্প্রতি নিজের ক্রিকেট ব্যবসায় ক্ষতির মুখ দেখতে হওয়ায় চন্দ্রশেখর মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।

জাতীয় দলের হয়ে ৭টি ওয়ানডে খেলেছেন চন্দ্রশেখর। আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত চন্দ্রশেখরের ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার বিপুল অভিজ্ঞতা ছিল। ৮১টি প্রথম শ্রেনীর ম্যাচে ৪৯৯৯ রান করেছেন তিনি। ১৯৮৭-৮৮ মরশুমে রঞ্জি ট্রফি জয়ী তামিলনাড়ু দলের সদস্য ছিলেন চন্দ্রশেখর।

শুধু তামিলনাড়ুর হয়েই নয়, চন্দ্রশেখর ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন গোয়ার হয়েও। পরে জাতীয় নির্বাচক, রাজ্য দলের কোচ, ক্রিকেট প্রশাসক ও ধারাভাষ্যকার রূপেও কাজ করেছেন। ২০০৮ সালে আইপিএল আত্মপ্রকাশের পর চেন্নাই সুপার কিংস ফ্রাঞ্চাইজির প্রথম অপরেশন ডিরেক্টর ছিলেন চন্দ্রশেখরই। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪।

স্বাভাবিকভাবেই চন্দ্রশেখরের এই অকাল প্রয়াণে স্তম্ভিত তামিলনাড়ু তথা দেশের ক্রিকেটমহল। চন্দ্রশেখরের আকস্মিক মৃ ত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন এস বদ্রিনাথ, কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত, অনিল কুম্বলে, সুরেশ রায়নার মতো তারকা ক্রিকেটার।

১৯৮৮ সালে ইরানি ট্রফিতে অবশিষ্ট ভারত একাদশের বিরুদ্ধে মাত্র ৫৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন চন্দ্রশেখর। ২০১৬ সালে ঋষভ পন্ত রঞ্জি ট্রফিতে ৪৮ বলে শতরান করার আগে পর্যন্ত চন্দ্রশেখর ছিলেন প্রথম শ্রেনীর ক্রিকেট দ্রুততম শতরানকারী ভারতীয় ব্যাটসম্যান।