ক্ষুধার জ্বালায় ম’রা কুকুরের মাংস খাচ্ছে মানুষ, ভিডিও ভা’ই’রা’ল !

157

সমস্ত পৃথিবীতে করোনার কারণে চলছে লকডাউন। মানুষ কর্মহীন হয়ে পরায় তাদের খাদ্যের যোগান দিতে পারছে না। রাস্তায় দূর্ঘটনায় মৃ’ত্যু কুকুরের মাংস খাচ্ছে এক জন লোক। ক্ষুধার ও দেশের গরিব মানুষের আসল চিত্র দেখা গেল।

শ্রমিকরা হাঁটছেন কয়েক হাজার কিলোমিটার, রাস্তাতেই মা’রা যাচ্ছেন দুর্ঘটনা বা ক্লান্তিতে। রাজনীতিও চলছে সমানতালে সেই মৃ’ত্যু নিয়ে।

কিন্তু গরিবের অবস্থা পালটাচ্ছে আর কোথায়? তবে, এবার যে চিত্র সামনে এল তা ভ’য়ং’ক’র! খিদের জ্বালায় প্রকাশ্য রাস্তায় বসে এক ব্যক্তি মরা কুকুরের মাংস খাচ্ছে! এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ভা’ই’রা’ল হয়ে গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের জয়পুরের কাছে দিল্লি-জয়পুর হাইওয়ের উপরে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, হাইওয়ের উপরে বসে এক ব্যক্তি। তাঁর সামনে পড়ে রয়েছে একটি ম’রা কুকুর। আর সেই মৃ’ত কুকুরের শরীর থেকে মাং’স ছিঁড়ে খেতে দেখা যাচ্ছে।

বেশ কিছুক্ষণ চলে সেই দৃশ্য। তবে একটু পরে একজন একটি গাড়ি থেকে নেমে এসে ওই ব্যক্তিকে একটি খাবারের প্যাকেট ও জলের বোতল দিয়ে যান।

ঘটনাটি সামনে আসতেই ফের একবার শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিক তথা গরিব মানুষের জন্য পরিকল্পনা না করেই লকডাউন করা হয়েছে দেশে, এই অভিযোগ বারবার উঠছে। এই ধরনের ভ’য়ং’ক’র দৃশ্যগুলো যেন সেই অভিযোগকেই বারবার মান্যতা দিচ্ছে।

সম্প্রতি ভারতের উত্তরপ্রদেশে ৬০ বছরের এক পরিযায়ী শ্রমিকের না খেতে পেয়ে মৃ’ত্যু হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্র থেকে পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে উত্তরপ্রদেশে নিজের বাড়ির দিকে হাঁটা শুরু করেছিলেন ওই শ্রমিক। তিন দিন ধরে টানা হেঁটেই গিয়েছেন।

কিন্তু জোটেনি কোনও খাবার। সঙ্গে যা ছিল তা ১ দিনেই শেষ হয়ে যায়। তিনদিন আগে শেষ খাবার খেয়েছিলেন ওই বৃদ্ধ শ্রমিক। প্রায় ১২০ কিলোমিটার অতিক্রম করে কনৌজ পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলেন তাঁরা। এর পর দুপুরে নিজেদের গ্রাম হারদই জেলার দিকে যাত্রা শুরু করেছিলেন। কিন্তু দুপুরেই এক কিলোমিটার পথ না যেতেই মৃ’ত্যু’র কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

আম্পানে পাবনায় লিচুর ক্ষতি ৩শ কোটি টাকা: কৃষি বিভাগ

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডব পাবনায় লিচুর ব্যাপক ক্ষতি করেছে।

ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা না গেলেও জেলায় ‘প্রায় তিনশ কোটি টাকার’ লিচু নষ্ট হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে কৃষি বিভাগ।

বুধবার দুপুরের পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আঘাত হানে আম্পান। পরে রাতে এ ঝড় প্রবেশ করে বাংলাদেশে। এরপর কয়েকটি জেলায় ব্যাপক তাণ্ডব চালায়।

রাত ১২টার পর থেকে পাবনায় ঝড় শুরু হয়। মাঝরাত থেকে ভোর পর্যন্ত দমকা বাতাস, ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে চলে প্রবল বর্ষণ।

কৃষি বিভাগ জানায়, ঝড়ে জেলার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘড়িয়াসহ নয় উপজেলার অধিকাংশ লিচু বাগানের ডালপালা ভেঙে যায় এবং লিচু ঝরে যায়।

ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা নিরূপণ ও ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের তালিকা তৈরি শুরু করেছে বলে কৃষিবিভাগ জানিয়েছে।

পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজাহার আলী বলেন, লিচু সমৃদ্ধ পাবনায় এ বছর চার হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে লিচুর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৬ হাজার মেট্রিক টন, যার বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে আটশ কোটি টাকা।

“পুরোপুরি হিসাব জানতে আরও সময় রাগবে। তবে প্রাথমিকভাবে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার এক তৃতীয়াংশের বেশি লিচু নষ্ট হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

চাষিরা জানান, সপ্তাহখানেকের মধ্যেই বাজারে উঠত বোম্বাই, চায়না, মোজাফফরীসহ উন্নত জাতের এসব লিচু। ফুল আসার পর লাভের আশায় অনেক ব্যাপারি বিপুল বিনিয়োগ করে বাগান কিনেছিলেন।

এছাড়া তিলে তিলে গড়ে তোলা বাগানের লিচুগাছের ডালপালা ভেঙে গাছ নষ্ট হওয়ায় বাগান মালিকরাও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।