কুয়েত প্রবাসীকে যে কারণে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিয়ে হলো

53

কুয়েত প্রবাসীকে যে কারণে বাংলাদেশে পাঠানো হলো – মিজান আল-রহমান নামে এক বাংলাদেশিকে কুয়েত থেকে দেশে পাঠিয়ে দিয়েছে কুয়েত।

বিভিন্ন অ’নৈ’তি’ক কাজে জড়িত থাকার দায়ে তাকে দেশে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

মিজানের কর্মকাণ্ডে কুয়েতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হচ্ছিল বলেও অভিযোগ দূতাবাসের।

জানা গেছে, নারী সংশ্লিষ্ট অ’শ্লী’ল’তা’স’হ বেশকিছু অ’সা’মা’জি’ক ও অ’নৈ’তি’ক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ১০ অক্টোবর কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিজান আল-রহমানকে গ্রে’ফ’তা’র করে। গত বৃহস্পতিবার তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

কুয়েত দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রায় দশ মাস আগে কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাস ভা;ঙ;চু;র ও শ্রমিক বি’দ্রো’হে মিজানের সম্পৃক্ততা ছিল।

এ ছাড়াও কুয়েতের ভিসা ব্যবসায়ী দা’লা’ল’চক্র’ ও বিভিন্ন অ’বৈ’ধ ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও মিজানের সখ্য ছিল।

কুয়েত দূতাবাসের কাউন্সিলর ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দশ মাস পর সেই ৮ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল ভারত…

চার শিশু, তিন নারী ও এক পুরুষসহ মোট ৮ বাংলাদেশিকে ফেরত দিয়েছে ভারত।

গত বছরের ৫ ডিসেম্বর সীমান্তপথে অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের আ’ট’ক করে বিএসএফ। এরপর তাদের কারাগারে পাঠায় ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ১০ মাস ১২ দিন ভারতের কারাগারে আ’ট’ক থাকার পর অবশেষে ১৭ অক্টোবর তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠায় ভারত সরকার।

ভারতে প্রায় ১ বছর কারাভোগ শেষে দেশে ফেরা ৮ বাংলাদেশি হলেন- নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার ঘোষপাড়া পূর্ববাজারের ভূপেন্দ্র সরকারের ছেলে নির্মল সরকার, স্ত্রী সুমা সরকার, দুই কন্যা নিঝুম সরকার তিস্তা ও সুস্মিতা সরকার তিশা।

নওগাঁও গ্রামের রিপন রায়ের স্ত্রী কনা রাণী তালুকদার, কবি রঞ্জন তালুকদারের স্ত্রী নুপূর রাণী তালুকদার এবং দুই ছেলে কর্ণ তালুকদার ও প্রিতোষ তালুকদার।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নেত্রকোনার বিজয়পুর জিরো পয়েন্টে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে পতাকা বৈঠকের পর তাদের ফেরত দেয় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (বিএসএফ)।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে কোচবিহারে রাশিমনি মেলা দেখতে অ’বৈ’ধ’ভা’বে কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল এই আটজন। সে সময় তারা বিএসএফের হাতে আটক হয়। এ ঘটনায় তাদের তিন মাসের জেল দেয় ভারতের আদালত। এরপর ১০ মাস ১২ দিন জেলে থাকার পর বৃহষ্পতিবার তাদের মুক্তি দেয়া হয়।