কাতারে মোবাইল অ্যাপ ছাড়া রাস্তায় বের হলে জরিমানা !

69

রেজিস্ট্রেশন না করে রাস্তায় বের হলে – বিশ্বের বিভিন্ন দেশ করোনা সং’ক্র’ম’ণ ঠেকাতে উঠে পড়ে লেগেছে । পিছিয়ে নেই কাতারও। এবার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি।

এহতেরাজ নামে মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে দেশটিতে। অ্যাপে রেজিস্ট্রেশন না করে রাস্তায় বের হলে সর্বোচ্চ দুই লাখ রিয়াল জরিমানা ও তিন বছরের জেল হতে পারে।

নিজেদের সুরক্ষায় কাতার সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, প্রবাসীদের অ্যাপটি ডাউনলোডের অনুরোধ জানিয়েছে কাতার সরকার।

আশপাশে করোনা রোগী থাকলে সংকেত দেবে এই অ্যাপ। আগামীকাল শুক্রবার থেকে বাইরে বের হলে বাধ্যতামূলক চালু করতে হবে। কাতার সরকারের নির্দেশনা মেনে শুক্রবারের মধ্যেই সব প্রবাসীকে মোবাইলে ওই অ্যাপ ডাউনলোডের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

কাতারে করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্তের সংখ্যা ৩৮ হাজার ছাড়িয়েছে। ৫ বাংলাদেশিসহ এখন পর্যন্ত দেশটিতে মা’রা গেছেন অন্তত ১৬ জন। সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৭ হাজারের বেশি।

পুলিশের সহায়তার অপহৃত সন্তানকে ফেরত পেলেন বাবা

রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে অপহৃত হওয়া শিশু সিফাতকে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার বাসার সামনে থেকে অপহৃত হয় ফিরোজ হওলাদারের ছোট ছেলে সিফাত। তারপর থেকেই সমস্ত এলাকা তন্নতন্ন করেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না সিফাতের।

দুপুর সোয়া একটার দিকে অজ্ঞাত একটি মোবাইল নম্বর থেকে সিফাতের বাবার মোবাইলে কল করে জানানো হয়, ‘সিফাতকে অপহরণ করা হয়েছে। ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণের বিনিময়ে সে তার ছেলেকে ফিরে পেতে পারে। পুলিশকে জানালে বা কোনরকম চালাকি করলে ছেলের লাশের খোঁজও পাবে না’।

পুরো বিষয়টি মোবাইল ফোনে হাতিরঝিল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রশীদকে জানিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে সিফাতের বাবা। অন্যদিকে অপহরণকারীদের হুমকিতে ভয় পেয়ে সিফাতের বাবাকে পুলিশের সাথে যোগাযোগ করতে বাধা দিচ্ছিলেন সিফাতের মা।

সিফাত অপহরণের বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে তা অপহরণকারীরা ঘুণাক্ষরেও টের পাবে না বুঝিয়ে আশ্বস্ত করা হয় অপহৃত সিফাতের বাবা-মাকে। তারপর দুই বছর আগে তোলা সিফাতের একটি সাদাকালো ছবি নিয়ে সিফাতকে উদ্ধারে নামে পুলিশ।

এদিকে পুলিশের নির্দেশনা মোতাবেক অপহরণকারীদের সাথে মুক্তিপণের ব্যাপারে যোগাযোগ করে যাচ্ছিলেন সিফাতের বাবা। তার সূত্র ধরেই বুধবার রাতে হাতিলঝিল পুলিশের একটি দল রওয়ানা হয় পাটুরিয়া ঘাটের দিকে। সেখানে পৌঁছেই পুলিশের দলটি দুভাগে ভাগ হয়ে খুঁজতে থাকে সিফাতকে। সম্বল সিফাতের দুই বছর বয়সী একটি সাদাকালো ছবি।

তারপর রাত ১১.৪০-এর দিকে একটি টং ঘরের দেয়াল ঘেঁষে ঘুমন্ত অবস্থায় সিফাতকে উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের পর সিফাত জানায়, সে বাসার বাহিরে খেলার সময় মিলন মামা চকোলেট কিনে দেয়ার জন্য তাকে দোকানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নিয়ে যায়।

সিফাতের বাবা জানায়, মিলন কয়েক মাস যাবত তার সহকারী হিসেবে কাজ করছিল। বাসায় প্রায়ই আসতো। যে কারণে তাকে মামা ডাকতো সিফাত। পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত মিলনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।