ইতালিতে এক ‘ঐতিহাসিক চুক্তির’ পরে মসজিদগুলো খুলে দেয়া হচ্ছে !

176

ইতালি মসজিদ খুলতে যাচ্ছে – করোনা’ভা’ইরাসের লকডাউন শিথিলতার অংশ হিসেবে মসজিদগুলো খুলে দিতে দেশটির নেতৃত্বস্থানীয় মুসলিম সংগঠনগুলোর সঙ্গে একটি যুগান্তকারী চুক্তি সই করেছে ইতালি সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পালাজ্জো চিগিতে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চুক্তিটিতে সই হয়েছে। ১৮ মে থেকে ক্যাথলিক গির্জাসহ সব ধরনের ধর্মীয় স্থান খুলে দেয়া হচ্ছে।

তবে সেক্ষেত্রে ধর্মীয় কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যগত ও সামাজিক দূরত্বের বিধি বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিতে হবে।-ছবি আরবনিউজ

বৈশ্বিক মহামারী থেকে বাঁচতে গত ৯ মার্চ লকডাউন শুরু হওয়ার পর ইতালিতে মসজিদ, ধর্মীয় কক্ষ ও ইসলামিক কেন্দ্রগুলো এতদিন বন্ধ রাখা হয়েছিল।

দেশটিতে মুসলমান প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরকারের এই প্রথম কোনো চুক্তি সই হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে পরিপূর্ণ আইনগত শনাক্তকরণ ও স্বীকৃতির পথে এটিকে মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চুক্তিতে সই করেন প্রধানমন্ত্রী গুইসেপ্পি কন্টি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুসিয়ানা লামোরজেস ও চারটি ইসলামি সংস্থার প্রতিনিধিরা। তাদের মধ্যে ছিলেন, ইতালীয় ইসলামিক ধর্মীয় কমিউনিটি, ইতালীয় ইসলামি সংগঠন, দ্য গ্রেট মস্ক অব রোম ও ইতালি ইসলামিক কনফেডারেশন।

এ চুক্তিকে ঐতিহাসিক ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন ইতালীয় ইসলামিক ধর্মীয় কমিউনিটির প্রধান ইয়াহইয়া পাল্লাভিসিনি। তিনি বলেন, এই চুক্তি আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার একটি মডেল দাঁড় করিয়েছে। এছাড়া ইতালিতে মুসলমানদের ইবাদতের স্থানের সমান মর্যাদা ও সুযোগও নিশ্চিত হয়েছে।

বাঙালি, পাকিস্তানি ও সেনেগালি মুসলমান সংগঠনের প্রতিনিধিরাও এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। নিরাপদে মসজিদ খুলে দিতে ইতালির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে কয়েক সপ্তাহের আলোচনার পর চুক্তিটি সই হয়েছে।

ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে দ্য ইউনিয়ন অব ইসলামিক কমিউনিটিজের সভাপতি ইয়াসিন লাফরান বলেন, চুক্তি হওয়ার পরেও ঈদুল ফিতরে মসজিদ বন্ধ থাকবে। ২৪ মে’র আগে আমরা মসজিদ ও ইসলামিক কেন্দ্র খুলবো না। এটি অবশ্যই একটি দুঃখজনক সিদ্ধান্ত। কিন্তু আমরা মনে করি, এটা দায়িত্বশীলতার ব্যাপারও।

লাফরাম বলেন, মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামাজিক দূরত্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সংগঠনগুলোর উদ্বেগ, ছোট ও মাঝারি ধরনের মসজিদগুলোতে তা রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

ফেরাউন কি লোহিত সাগরেই ডুবেছিল না নীলনদে?

ডক্টর মরিস বুকাইলি ইসলাম গ্রহণের এক বিস্ময়কর ঘটনা আমরা শুনতে পাই। ১৯৮১ সালে মিসর থেকে ফেরাউনের লাশ আনা হয়েছিল ফ্রান্সে। রাজকীয় সম্বর্ধনা দেয়া হয়েছিল রেমসিস ২য় এর অভিশপ্ত লাশকে।

লাল গালিচা সংবর্ধনা দিয়ে বরণ করা হয় ফেরাউনকে। এর আগে তার পাসপোর্ট তৈরি করতে হয়। পাসপোর্টে তার পরিচয়ে লেখা হয় মহান মিসর সম্রাট।

ফ্রান্সের আইন হিসেবে জীবিত বা মৃত কেউ ফ্রান্সে পাসপোর্ট ছাড়া ঢুকতে পারে না। নিয়ম মেনেই তাকে ফ্রান্সের ল্যাবে হাজির করা হয়।

বিখ্যাত সব সার্জন ও বিজ্ঞানীরা সারা রাত গবেষণা করে আবিস্কার করেন যে রেমসিস-এর মৃত্যু হয়েছে সাগরে। তার শরীরে লবনের কণা পাওয়া গেছে। সাগরে ডুবে মরা ছাড়া এমন লবন কণা পাওয়া সম্ভব নয়।

এ ছাড়া তার কয়েকটি হাড্ডিতে চোটের চিহ্নও প্রমাণ করে বড় বড় ঢেউ রুখতে গিয়ে তার এ অবস্থা হয়েছে।

ডক্টর মরিস বুকাইলিকে কেউ একজন বলে মুসলমানদের কোরআনেও এমন তথ্য রয়েছে।

বুকাইলি বিস্মিত হন। বলেন, অসম্ভব, ফেরাউনের মৃত্যুর এ তথ্য আমরা কেবলই আবিস্কার করলাম। আজ থেকে চৌদ্দশ বছর আগে মোহাম্মাদ কী করে এমন কথা বলবেন?

পরে তিনি কোরআন শরিফ খুলে নিজে যখন এসব আয়াত দেখেন তখন সঙ্গে সঙ্গে ইসলাম গ্রহণ করেন। সুবহানাল্লাহ। এ থেকে প্রমাণ হয় যে কোরআন আল্লাহর কালাম।

মরিস বুকাইলির জন্ম ১৯২০ সালে। মৃত্যু ১৯৯৮ সালে। সত্তরের দশকে তিনি সৌদি আরবের বাদশা ফয়সাল ও মিসরের আনওয়ার সাদাতের পারিবারিক চিকিৎসক ছিলেন। এরপর হঠাৎ আশির দশকে ইসলাম সম্পর্কে তার আগ্রহের খবর পাওয়া যায়।

উপরের গল্পটির মত নানান গল্প ছড়িয়ে পড়ে মুসলমানদের মাঝে। মরিস বুকাইলিকে নিয়ে অনেক তর্ক আছে আরবে। সেসব তর্কে না গিয়ে মূল আলোচনায় প্রবেশ করি।

ফেরাউন আসলে কোথায় ডুবেছিল? লোহিত সাগরে না নীলনদে? উপরের গল্প যথার্থ হলে বলতে হয় সাগরে ডুবেছিল নদে নয়। বুকাইলির গল্পকে একমাত্র উপাত্ত হিসেবে গ্রহণ করা যায় না।

কারণ রেমসিস ২য় ই কি মুসার (আ.) সময়ের ফেরাউন কি না এ নিয়েই প্রত্নতাত্তিক ও ঐতিহাসিকদের মতানৈক্য এখনও শেষ হয়নি।

মুসা (আ.) ও অভিশপ্ত ফেরাউন আজ থেকে সাড়ে তিন হাজার বছর আগের সময়ে তাদের অবস্থান। সেসময়ের লবনের কণা এখনও শরীরে লেগে থাকার তথ্য বিশ্বাস করতে বিজ্ঞানমনষ্ক মুসলিমদের কষ্ট হবে।

আমরা সরাসরি কোরআন থেকেই এর সমাধান বের করার চেষ্টা করতে পারি। পবিত্র কোরআনে হযরত মুসা ও ফেরাউনের ঘটনা বহু স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে। এত অধিক আলোচনা অতীত অন্য কোনো মানুষের ব্যাপারেই করা হয়নি।

এত আলোচনা সত্ত্বেও কোথাও এ কথা স্পষ্ট করা হয়নি যে নদী না সাগরে নিমজ্জিত হয়েছিল ফেরাউন। দুই রকম দাবিই করা হয়ে থাকে। এবং দুই দাবির পক্ষেই রয়েছে বেশ কিছু সাক্ষ্য প্রমাণ।

মূলত কোরআনের আয়াতসমূহের তর্জমাতেও বিভিন্নতা দেখা যায়। যেমন এখানে সুরা যারিয়াতের ৪০ নং আয়াতের অর্থ দেখুন।

গিরীশচন্দ্র তার তর্জমায় লিখছেন, পরে আমি ফেরাউনকে ও ফেরাউনের সৈন্যদেরকে আক্রমণ করিলাম অবশেষে তাহাদিগকে নদীতে নিক্ষেপ করিলাম, এবং সে নিন্দিত হইল। (যারিয়াত ৪০)

একই আয়াত ইফাবার তর্জমায় লিখছে, এবং উহাদের সমুদ্রে নিক্ষেপ করিলাম।

নদীতে না সমুদ্রে এ নিয়ে যেমন মতানৈক্য। তেমনি কোন সাগরে বা কোন নদীতে তা নিয়েও হতে পারে ইখতিলাফ। আরবের কিছু কিছু গবেষকের মতে ভূমধ্যসাগরের কথাও পাওয়া যায়।

অধিকাংশ গবেষকের মত হচ্ছে লোহিত সাগর। আর অনেকের মত হচ্ছে নীল নদ। মিসরে নীলনদ ছাড়া আর কোনো নদী নাই।

কিন্তু সুরা যুখরুফে আল্লাহতায়ালা ফেরাউনের বক্তব্য উদ্ধৃত করেছেন, সে বলছে, হে আমার সম্প্রদায়, মিসর রাজ্য কি আমার নহে? আর এই নদীগুলি আমার পাদদেশে প্রবাহিত; তোমরা ইহা দেখ না? (যুখরুফ ৫১)

এ আয়াত থেকে বোঝা যায় মিসরে এক সময় আরও নদ নদী ছিল। সাম্প্রতিক সময়ে নাসার বিজ্ঞানীরা প্রাচীন মিসরে আরও নদী থাকার দাবী করেছেন। তাই যদি হয় তাহলে অন্য কোনো নদীতেও ফেরাউনের ডোবার সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

বিতর্ক দীর্ঘ না করে নদী না সাগর তার একটা সমাধানে আসার চেষ্টা করা যাক পবিত্র কোরআনের বিবরণ থেকে। মূলত কোরআনে এ ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে দুটি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এক হচ্ছে বাহর। অপরটি ইয়াম।

বর্তমান আরবিতে বাহর শব্দটি বললেই সাগর বোঝাই। কিন্তু কোরআনে বাহর শব্দটি একাধিক স্থানে বার-এর বিপরীতে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ স্থলের বিপরীতে।

যে কোনো জলমগ্ন স্থানকেই আরবি অভিধানেও বাহর বলা হয়েছে। আর ইয়াম শব্দটি কোরআনে ফেরাউনের ডোবার ঘটনা ছাড়া আরও কয়েক স্থানে এসেছে সেখানে নদী অর্থেই ব্যবহৃত হয়েছে।

সাম্প্রতিক ভাষাবিজ্ঞানের গবেষণায় আরও দেখা যাচ্ছে ইয়াম্ম শব্দটি প্রাচীন হায়ারোগ্লাফিক ভাষার শব্দ। হায়ারোগ্লাফিক ভাষায় ইয়াম আরবি মাউন এর সমার্থক। আর এ শব্দের ব্যবহার এখনও পুর্ব সুদানের কিছু কিছু অঞ্চলে রয়েছে।

সুদানের কয়েকটি জাতি ইয়াম শব্দের অর্থ নদীই করে থাকে। লোহিত সাগরের জন্য ইয়াম শব্দের ব্যবহার আরবে কখনওই ছিল না।

মুসা (আ.) বনি ইসরাইলকে নিয়ে অবশ্যই ইসরাইলের দিকে যাত্রা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ফেরাউনের রাজ্যের সীমানা থেকে বের হওয়ার চিন্তা ছিল সবার আগে।

সে হিসেবে তিনি মিসরের উত্তর পশ্চিম সীমান্তের দিকে অগ্রসর না হয়ে অপেক্ষাকৃত কাছে দক্ষিণে সুদানের দিকে নীলনদের ওপারে যাওয়াই ছিল সহজতর। এরপর ধীরে ধীরে তীর ধরে তিনি সিনাই পর্বতের দিকে যাওয়া অসম্ভব নয়।

এখানে এসে সুরা বাকারার একটি আয়াত দেখুন, যখন তোমাদের জন্য নদীকে (অন্য তর্জমা সাগর) বিভক্ত করেছিলাম এবং তোমাদেরকে উদ্ধার করেছিলাম ও ফেরআউনি সম্প্রদায়কে ডুবিয়েছিলাম আর তোমরা তা প্রত্যক্ষ করছিলে। (সুরা বাকারা আয়াত: ৫০)

এ আয়াতে আল্লাহ বলছেন, ফেরাউনের ডুবে যাওয়ার বিষয়টি বনি ইসরাইল দেখছিল। এখন বুঝুন লোহিত সাগরের প্রস্থ তিনশ কিলোমিটার। ওপারে যাওয়ার পর বানু ইসরাইল কমপক্ষে দেড়শ কিলোমিটার দূর থেকে কি ফেরাউনকে দেখেছে?

নীল নদের বর্তমান প্রস্থ প্রায় তিন কিলোমিটার। প্রাচীন মিসরে আরও দীর্ঘ হওয়া অসম্ভব নয়। আমাদের পদ্মা নদীর মত প্রমত্ত অবস্থায় যদি ফেরাউন নীল নদে ডোবে তাহলে কোরআনের বিবরণের সঙ্গে মোটেও অসঙ্গতিপূর্ণ মনে হয় না।

তিন চার কিলোমিটার পথ খালি চোখে দেখা সম্ভব। কিন্তু কয়েকশ কিলোমিটার পথ খালি চোখে দেখা যায় না। তা ছাড়া দক্ষিণ মিসরে বানু ইসরাইলের বসবাসের কথাও প্রত্নতাত্তিক গবেষক ও ঐতিহাসিকরা বলছেন।

সুদানে বানু ইসরাইলের কিছু বংশ বিস্তার হয়েছিল। মিসর থেকে যাত্রার শুরুতেই তারা মরুভূমির পথ বেছে নিয়েছে বলে মনে হয় না। তাওরাতেও হিজরত ১৪ নং অধ্যায়ে লেখা আছে কয়েক মাস পর তারা সিনাই পর্বতে গিয়ে পৌঁছে।

আরও একটি বিষয় হচ্ছে ফেরাউনের ভয়ে হিজরত করা বানু ইসরাইল লোহিত সাগর অভিমুখে যাত্রা করলে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন। কয়েকশ মাইল পাড়ি দিয়ে লোহিত সাগর তারপর আবার লোহিত সাগরের দীর্ঘ পথ রাতারাতি পায়ে হেঁটে পাড়ি দেয়া মোটেও স্বাভাবিক মনে হয় না।

অলৌকিকভাবে তারা রাতারাতি এত দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়েছে এমন কোনো ইঙ্গিত কোরআনে নেই।

সর্বশেষ সুরা ইউনুসের বর্ণনা নিয়ে আলোচনা করব।

ইরশাদ হয়েছে, আজ আমি তোমার (ফেরাউনের) দেহটি রক্ষা করব যাতে তুমি তোমার পরে যারা থাকছে তাদের জন্য নিদর্শন হও। অবশ্যই মানুষের মধ্যে অনেকেই আমার নিদর্শন সম্বন্ধে গাফেল। (ইউনুস, আয়াত: ৯২)

ইমাম তাবারি তার তাফসীর গ্রন্থে ইবন আব্বাস থেকে এর ব্যাখ্যায় বর্ণনা করেন, বানু ইসরাইল জলরাশি পাড়ি দেয়ার পর সন্দেহ করছিল যে ফেরাউন মরেছে কি না, তারা তার লাশ দেখতে চাচ্ছিল।

আল্লাহতায়ালা ফেরাউনের লাশ তীরে ছুড়ে ফেলেন। বানু ইসরাইল তা দেখে নিশ্চিত হয়।

এখন অনেকে এর অর্থ করছেন, কেয়ামতের আগ পর্যন্ত তার লাশ সংরক্ষিত থাকার কথা আল্লাহ বলেছেন। অথচ নিশ্চিত করে এমন দাবি করা যায় না। কোরআনের আয়াতের অর্থ ইবন আব্বাস ও অন্যান্য মুফাসসিররা যা করেছেন তাতে বরং অন্য কিছুই বোঝা যায়।

এ দীর্ঘ আলোচনা থেকে আমাদের শিক্ষা হচ্ছে এই যে, আমাদের অবশ্যই আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুল সা.-এর ওপর ইমান রাখতে হবে। বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত হোক বা না হোক কোরআন সর্বাবস্থায় সত্য।

বিজ্ঞান মিথ্যা হতে পারে কোরআন কখনও মিথ্যা হতে পারে না। কোরআনের কোনো বিষয়ে বৈজ্ঞানিক কোনো সমর্থন পেয়ে উল্লসিত হওয়া ঠিক নয়। ভালো করে যাচাই করে নেয়া উচিত।

ফেরাউন লোহিত সাগর না ভূমধ্য সাগর না নীলনদ না অন্য কোনো নদীতে ডুবেছে তা আমরা নিশ্চিত করে বলতে পারি না। এর কোনোটি নিয়ে বাড়াবাড়ি করা পাগলামো ছাড়া কিছু নয়।

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আমাদেরকে পবিত্র কোরআনের প্রতিটি বিষয়ের দৃঢ় বিশ্বাস নসিব করুন। আমীন।

লিখেছেনঃ ফয়জুল্লাহ আমান