উত্তরপ্রদেশে রাস্তায় পুলিশের পা ধরে বিজেপি মন্ত্রীর কান্না

137

রাস্তায় পুলিশের পা ধরে বিজেপি মন্ত্রীর- কেন্দ্র ও রাজ্য ক্ষমতায় বিজেপি সরকার। আর সেই বিজেপিরই একজন রাজ্য মন্ত্রী রাস্তায় পুলিশের পা ধরে কান্না করেছেন। এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের মির্জাপুরে। এমন ঘটনা পথচারীরা অবাক হয়ে দেখছেন।

তাদের হতবাক হওয়ার কারণও আছে, এমন ঘটনা যে এর আগে দেখেননি তারা। বিজেপির এক মন্ত্রী রাস্তায় বসে পড়ে পুলিশ সুপারের পা জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলছেন, স্যার, আমার সম্মান চলে গেছে। আমার সরকারে এমন অপমান সহ্য করতে পারছি না। আমি একজন সাধারণ মানুষ। আপনি আমার দিকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে পারেন।

মির্জাপুরের কোতোয়ালি এলাকার নিবির কাছে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ গাড়ি চেক করছিল। তখনই জেলা বিজেপির সাবেক প্রধান তথা কাশী প্রভিন্সের মন্ত্রী অনিল সিং সাংসদ রামশকলের বাড়ি থেকে ফেরার সময় তার গাড়ি আটকানো হয়। কাগজ পত্র ভুলে ফেলে আসায় পুলিশ গাড়িটির জন্য ইনভয়েস কাটে।

এতেই রাস্তায় বসে ধর্না শুরু করে দেন মন্ত্রী। এই খবর পাওয়ার পর অনিল সিংয়ের দলবলও তার সঙ্গে যোগ দেন। এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান পুলিশ সুপার অবধেশ পাণ্ডে। তিনি পৌঁছতেই তার পা জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করেন অনিল সিং।

অনেক বোঝানোর পর তাকে শান্ত করা হয়। পরে পুলিশের অনুরোধে ধর্না তুলে নেন বিজেপির এই মন্ত্রী।

সূত্র- আর টি ভি অনলাইন।

সবচেয়ে বেশি ওজনের সেই পাকিস্তানির মৃ.. ত্যু

চিকিৎসায় অবহেলার কারণে গতকাল (৮ জুলাই) সোমবার হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে পাকিস্তানের সবচেয়ে বেশি ওজনের মানুষ নুরুল হাসান মা রা গেছেন। মৃ ত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর।

জানা গেছে, গত ২৮ জুন ওজন কমাতে ৩৩০ কেজি ওজনের নুরুল হাসানের সফল লাইপোসাকশন অস্ত্রোপচার হয়েছিল। এর আগে, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার নির্দেশে চিকিৎসার জন্য তাকে সেনা হেলিকপ্টারে করে লাহোরের ওই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

অস্ত্রোপচারের পরে হাসানকে হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে স্থানান্তর করা হয়। গতকাল সোমবার হাসপাতালে এক নারী রোগীর মৃ ত্যু কে ঘিরে বিক্ষোভ দেখা দেয়। এরপর আইসিইউ বিভাগে তার ওপর নজরদারি করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ, এ কারণেই মারা গেছেন নুরুল হাসান এবং আরও এক রোগী। হাসপাতালের চিকিৎসক মাজুল হাসানও একই দাবি করেছেন। মাজুল হাসান জানান, অসুস্থ বোধ করা সত্ত্বেও নুরুলের সহায়তায় হাসপাতালের কোনও কর্মী এগিয়ে আসেন নি। এই অবহেলার কারণে মা রা গেছেন তিনি।