আরব আমিরাতে বাংলাদেশি মালিককে মে’রে ৪ কেজি স্বর্ণ নিয়ে পালাল ৪ ভারতীয় নাগরিক !

308

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় বাংলাদেশি মালিকানাধীন একটি স্বর্ণের ওয়ার্কশপের মালিককে গু’রু’ত’র আ’হ’ত করে চার কেজি স্বর্ণের বিস্কুট নিয়ে পালিয়েছে চার ভারতীয় নাগরিক।

জানা যায়, গত শুক্রবার ৫৭ বছর বয়সী ওই বাংলাদেশিকে মা’র’ধ’র করে স্বর্ণের ওয়ার্কশপের চার কর্মচারী। তারা লকার থেকে নিজ নিজ পাসপোর্ট ছি’নি’য়ে স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যায়।

ওয়ার্কশপ মালিকের ছেলে শিশির কুমার দাস বলেন, গত শুক্রবার আমার দেশে যাওয়ার কথা ছিল। বাবাকে ওয়ার্কশপ থেকে আনতে গিয়ে দেখি বাবা নেই।

পাশে কর্মচারীদের বাসায় গিয়েও তাদের পাওয়া যায়নি। বাসায় এসেও না পেয়ে রাতে স্থানীয় পুলিশ স্টেশনে নিখোঁজ হিসেবে মামলা করি।

পুলিশ এসে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাবাকে আ’হ’ত অবস্থায় ওয়ার্কশপের ভেতর থেকে উদ্ধার করে।

প্রশাসনের ভাষ্যমতে, ওয়ার্কশপের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়- তিনজন কর্মচারী ভেতরে ঢুকে মালিককে বে’ধ’ড়’ক মা’র’ধ’র করে এবং একজন বাইরে পাহারা দেয়।

চার ভারতীয় কর্মচারী স্বর্ণ ছি’ন’তা’ই’য়ে’র এক ঘণ্টার মধ্যেই দুবাই ত্যাগ করে। এটা পূর্বপরিকল্পিত চু’রি। দ্রুত সময়ে অ’প’রা’ধী’দে’র ইন্টারপোলের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা হবে এবং স্বর্ণের বিস্কুট উদ্ধার করা হবে।

কিডনি তার পায়ে !

বিরল রোগে ভুগছে ইংল্যান্ডের হামিশ রবিনসন নামের ১০ বছরের এক বালক। জিনগত কোনো সমস্যার কারণেই তার এ রোগ দেখা দিয়েছে বলে চিকিৎসকদের অভিমত।

চিকিৎসকরা আরো জানিয়েছেন, হামিশই হয়তো একমাত্র মানুষ- যার দেহে একটি নির্দিষ্ট ক্রোমোজোম নেই। এই বিরল রোগটির নাম তাই চিকিৎসকরা দিয়েছেন ‘হামিশ সিনড্রোম’।

এই রোগে শরীরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সঠিক স্থানে না থেকে অন্য স্থানে থাকতে পারে। হামিশের ক্ষেত্রে তার শরীরে কিডনির অবস্থান দেখা যাচ্ছে ডান দিকের উরুর ওপরের দিকে। এ ধরনের ঘটনা আজ অবধি চিকিৎসা ক্ষেত্রে কখনও দেখা যায়নি বলেই জানিয়েছেন হামিশের চিকিৎসকরা।

নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় ৬ সপ্তাহ আগেই ভূমিষ্ঠ হন হামিশ। হামিশের ওজন ছিল মাত্র ২ পাউন্ড বা ৯০০ গ্রাম। এছাড়া হামিশের কথা বলতেও সমস্যা হয় বলে জানিয়েছেন তার মা