‘আমাকেও মে’রে ফেলুন, বাবা-মা একবারেই কষ্ট পাবে’ : আবরারের ভাই ফায়াজ

56

আবরারের ভাই ফায়াজ- ‘বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফায়াজকে মা’র’ধ’র করেছে পুলিশ’ এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এমনটা অভিযোগ করেন আবরার এর ছোট ভাই ফায়াজ। তিনি বলেন, আমার ভাইয়ের হ”ত্যা”র বিচার না করলে আমাকেও এখনই মে”রে ফেলুন। যাতে বাবা-মা দুইবারে কষ্ট না পায়। একবারেই কষ্ট পায়।

তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো…

“আজকে Additional SP (উনি বলেন উনার নাম মোস্তাফিজুর রহমান) কোথা থেকে সাহস পায় আমার গায়ে হাত দেয়ার? আমার ভাবি কে মা’র’ছে? নারী দের গায়ে নিষ্ঠুরভাবে হাত দেয়? এই চাটুকার দের কি বিচার হবে না? তিনি কালকে ২মিনিটে জানাযা শেষ করতে বলেন কিভাবে? যেই ছাত্র লীগ মা’র’ল তারা কেন সর্বত্র? বিচার চাই,,আমি বিচার চাই,,,নয়তো আমাকে মে”রে ফেলুন বাবা মা কষ্ট একবারে পাবে।।।”

এর আগে আজ নি”হ”ত বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফায়াজকে পি’টি’য়ে’ছে পুলিশ। ফাহাদের ক’ব’র জিয়ারত শেষে বুয়েট উপাচর্য সাইফুল ইসলাম ফাহাদের বাড়িতে প্রবেশ করতে গেলে বাধা দেয় গ্রামবাসী। এসময় গ্রামবাসীদের বি’ক্ষো’ভে’র মুখে ভিসি ফাহাদের বাড়ি যেত পারেননি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এগিয়ে আসে। এতে গ্রামবাসীদের সঙ্গে পুলিশের সং’ঘ’র্ষ’ বাধে। এসময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ ছাড়াও তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারী আ’হ’ত হন।

আজ ৯ অক্টোবর, বুধবার বিকেলে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বুয়েট উপাচার্যকে ‘এখন কেন আসছে এত দেরি করে’ নি”হ”ত ফাহাদের ভাই ফায়াজ এমন প্রশ্ন করার সময় পুলিশ তাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়।

আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ অভিযোগ করে বলে, আমার গায়ে হাত দিয়েছে। বুকে গুতা মে’রে’ছে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান নিজে আমাকে মে’রে’ছে। আমার এক ভাইকে পি’টি’য়ে মে’রে’ছে এবার পুলিশ কি আমাকে মা’র’বে?

ফাইয়াজ বলেন, আমার গায়ে হাত দেয়া কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সপুার মোস্তাফিজুর রহমানকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রত্যাহার করতে হবে। এই পুলিশ কর্মকর্তা আমাদের পরিবারের জন্য হু’ম’কি। ভাইয়ার জানাজার দিনেও তিনি হু’ম’কি দিয়ে ২ মিনিটের মধ্যে জানাজা শেষ করতে বলেন।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম তানভীর আরাফাত বিষয়টিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, আবরারের বড় ভাই ভিসি সাহেবকে শারীরিক ভাবে লা’ঞ্ছি’ত করতে হাত তুলেছিলেন। মোস্তাফিজ (অ্যাডিশনাল এসপি, ডিএসবি) সেটা ঠেকিয়েছেন। এটাই তার অপরাধ।

পুলিশ যেন ভি’ক্টি’মা’ই’জ না হয়, সে জন্য আমরা জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, অতিরক্তি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম), উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ভিসি সাহেবের সাথে ওই স্থানে যাই। এরপরও এমন একটা অভিযোগ কেন উঠলো। বুঝতে পারলাম না।

এর আগে সকালে ছাত্রলীগ নেতাদের পি’টু’নি’তে মা”রা যাওয়া বুয়েট ছাত্র আবরারকে দা’ফ’নে’র এক দিন পর কুষ্টিয়ায় তার বাড়ির উদ্দেশে যান ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।