আবরারের ছোট ভাই ফায়াজকে পুলিশের মা’র’ধ’র ?

77

আবরারের ছোট ভাইকে পুলিশের- ‘বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফায়াজকে মা’র’ধ’র করেছে পুলিশ’ এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এমনটা অভিযোগ করেন আবরার এর ছোট ভাই ফায়াজ । আজ ৯ অক্টোবর, বুধবার বুয়েট ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম আবরারদের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী রায়ডাঙ্গায় গেলে এলাকাবাসীর তো’পে’র মুখে পড়েন। এ সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের ধা’ও’য়া-পাল্টা ধা’ও’য়া ও সং’ঘ’র্ষে’র ঘটনা ঘটে। এতে আবরারের ছোট ভাই ও ভাবীসহহ আ’হ’ত হন তিনজন।

কুষ্টিয়ার নিজস্ব প্রতিবেদক তারিকুল হক তারিক টেলিফোনে জানান, বুয়েট ভিসি শুধুমাত্র আবরারের ক’ব’র জিয়ারত করতে পেরেছেন। তিনি আবরারের বাড়িতে ঢুকতে পারেননি। বি’ক্ষু’ব্ধ এলাকাবাসী তাকে বাধা দেন। এ সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে পুলিশের ধা’ও’য়া-পাল্টা ধা’ও’য়া ও সং’ঘ’র্ষে’র ঘটনা ঘটে।

এ সময় আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ, তার ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রী ও আরও একজন নারী আ’হ’ত হন বলেও তিনি জানান।

ফায়াজ বলেন, এখানকার দায়িত্বে থাকা অ্যাডিশনাল এসপি (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মোস্তাফিজুর রহমান আমার বুকে কনুই দিয়ে আ’ঘা’ত করেন এবং কালকেও যখন আমার ভাইয়ের জানাজা হয় তখন তিনি বলেছিলেন দুই মিনিটের মধ্যে জানাজা শেষ করতে হবে। কিভাবে তিনি এটা বলেন?

আজ এখানে আমার ভাবি ছিল, তাঁকে বে’ধ’ড়’ক ভাবে পুলিশ দিয়ে মা”রা হয়েছে। তার কাপড়-চোপড় টেনে তাঁর শ্লী’ল’তা’হা’নি পর্যন্ত করা হয়েছে। এটা বাংলাদেশের কোন ধরনের পুলিশ?

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম তানভীর আরাফাত বিষয়টিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, আবরারের বড় ভাই ভিসি সাহেবকে শারীরিক ভাবে লা’ঞ্ছি’ত করতে হাত তুলেছিলেন। মোস্তাফিজ (অ্যাডিশনাল এসপি, ডিএসবি) সেটা ঠেকিয়েছেন। এটাই তার অপরাধ।

পুলিশ যেন ভি’ক্টি’মা’ই’জ না হয়, সে জন্য আমরা জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, অতিরক্তি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম), উপজেলা চেয়ারম্যানসহ ভিসি সাহেবের সাথে ওই স্থানে যাই। এরপরও এমন একটা অভিযোগ কেন উঠলো। বুঝতে পারলাম না।

এর আগে সকালে ছাত্রলীগ নেতাদের পি’টু’নি’তে মা”রা যাওয়া বুয়েট ছাত্র আবরারকে দা’ফ’নে’র এক দিন পর কুষ্টিয়ায় তার বাড়ির উদ্দেশে যান ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।