অ্যাম্বুলেন্সে গৃহবধূর লা’শ এনে হাসপাতালে রেখে পালালেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন..

39

অ্যাম্বুলেন্সে গৃহবধূর লা শ এনে হাসপাতালে- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক গৃহবধূর লাশ রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার রাত একটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ওই গৃহবধূর নাম রিবা আক্তার (২২)। তিনি উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের সৌদি প্রবাসি কাইয়ুম মিয়ার মেয়ে। পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে মৃ ত এক নারীকে রাত একটার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে আসে ২ জন যুবক।

হাসপাতালের বারান্দায় লা শ ফেলে কৌশলে পালিয়ে যান তারা। কর্তব্যরত চিকিৎসক শোয়েব মো. শাহরিয়ার পরীক্ষা করে জানান, রোগী মা রা গেছেন। রাতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়। গতকাল শনিবার সকালে পুলিশ লা শ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নি হ ত নারীর মামা ফারুক মিয়া অভিযোগ করে বলেন, শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁর ভাগনিকে হ ত্যা করে হাসপাতালে রেখে পালিয়ে গেছে। তাঁর ভাগনিকে বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দেয়ার জন্য প্রায় সময় নি র্যা তন করা হতো। গত শুক্রবারও রিবাকে নি র্যা তন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ২০১৭ সালে কচুয়ার একেই গ্রামের আবু বক্করের ছেলে লিটন মিয়ার সাথে তার ভাগনির বিয়ে হয়েছিল। ১০ মাসের একটি ছেলে রয়েছে। সকালে চাতলপাড় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মাধ্যমে জানতে পারি সদর হাসপাতালে একটি মেয়ের লা শ পড়ে রয়েছে। আমরা হাসপাতালে গিয়ে লা শটি শনাক্ত করি।

থানার এসআই বাবুল মিয়া জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানালে লা শটি উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়েছে। তবে লা শের ময় না তদন্ত ছাড়া কিছু বলা যাচ্ছে না। লা শের ময় না তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সুত্র- একুশে টি ভি অনলাইন।

রাজধানীতে ওসির বাসায় তরুণীর লা শ

রাজধানীর আদাবর থানার নবদয় বাজার এলাকায় স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত ওসি আক্কাস আলীর বাসা থেকে সাইমা আক্তার সুমা (২২) নামের এক তরুনীর মৃ ত দেহ উদ্ধার করেছে আদাবর থানা পুলিশ।

গতকাল শনিবার বিকাল তিনটায় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তার লা শ উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে। নি হ ত সাইমা আক্তার সুমা কিশোরগঞ্জ জেলার বত্রিশ বিলপাড়া এলাকার মো. আক্কাস আলীর মেয়ে।

নি হ তের ভাই কামরুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাত ১১টায় আমার সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলার পর আজ দুপুরে তার মৃ ত্যুর খবর পাই। দুপুর থেকে আমার বাবা-মা সহ থানায় ঘুরলেও এখন পর্যন্ত তার মুখটাও দেখতে পারিনি। পুলিশ কেন তাকে আমাদের দেখতে দিচ্ছে না? আমার বোনকে আমরা ফেরত চাই। খু নিদের ফাঁ সি চাই।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, নি হ ত সুমা রাজধানীর আদাবরের একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন। তার স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবৎ দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল। পরে স্বামীর অ ত্যা চারে বাবা মায়ের কাছে চলে আসতে বাধ্য হয়। এর কিছুদিনের মাথায় সে নি হ ত হল।

আদাবর থানার ওসি কাউসার আহমেদ জানান, সম্ভবত এটা আত্ম হ ত্যার ঘটনা হতে পারে। আমরা বিকালে খবর পেয়ে তার লা শ উদ্ধার করি। সন্ধায় তার লা শ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। কাল (রোববার) ময় না তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।