অতিরিক্ত ঝাল খেলে স্মৃতিলোপ ঘটাতে পারে

90

অতিরিক্ত ঝাল খেলে স্মৃতিলোপ ঘটাতে- অনেকেরই পছন্দের তালিকার এক নম্বরে রয়েছে ঝাল জাতীয় খাবার। বাঙালির পাতে ঝাল খাবার না হলে তো একবেলাও চলে না। কেউ কেউ আবার একটু বেশিই ঝালপ্রেমী।

খাবারের পাতা আলাদা করে ঝাল আচার বা কাঁচা মরিচ খেতেও ভালোবাসেন অনেকে। কিন্তু গবেষণা বলছে, অত্যন্ত ঝাল খাবার বা অতিরিক্ত মরিচ খাওয়ার অভ্যেস স্মৃতিলোপ ঘটাতে পারে। প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষকে নিয়ে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে, প্রতিদিন যারা ৫০ গ্রাম মরিচ খান, তাদের স্মৃতিশক্তি হারানোর পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে যায়।

গবেষণায় উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। ১৫ বছর ধরে যাদের টানা এই অভ্যাস রয়েছে, তাদের ৫৬ শতাংশ স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। অনেকেই মনে করেন, মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন আমাদের বুদ্ধি তুখোড় করে। কিন্তু আসলে তা নয়। অতিরিক্ত ক্যাপসাইসিন নার্ভের ব্যথা দূর করতে সক্ষম।

সে কারণেই হয়তো ধীরে ধীরে স্মৃতিশক্তি লোপ পায়। অবশ্য হট সস খেলে সেটি হয় না। কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই সমীক্ষা চালিয়েছিলেন। বেশি মরিচ খাওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে অ্যালঝাইমার্স রোগের সম্ভাবনাও দেখা দেয়। তাই ঝাল খেতে যতই ভালোবাসেন, এবার থেকে একটু রয়ে-সয়ে খাবেন।

কামরাঙ্গার উপকারিতা…

টকমিষ্টি ফল কামরাঙ্গা। ফল কাঁচা অবস্থায় দেখতে সবুজ এবং পাকলে হলুদ। এটি টক স্বাদযুক্ত বা টকমিষ্টি হতে পারে। সেপ্টেম্বর থেকে জানুয়ারিতে ফল পাওয়া যায়। কোনো কোনো গাছে একাধিকবার বা সারা বছরই ফল পাওয়া যায়।

ভিটামিন এ ও সি এর ভালো উৎস এটি। এর রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। কামরাঙ্গা পাকার পর পরই খেতে সবচেয়ে ভালো, যখন হলদেটে রঙ ধারণ করে। এর বাদামি কিনারাগুলো কিছুটা শক্ত এবং কষ ভাব যুক্ত। ফল পাকার ঠিক আগেই পাড়া হয় এবং ঘরে রাখলে হলুদ রঙ ধরে। পাকা কামরাঙ্গা অনেক সময় রান্না করেও খাওয়া হয়।

কামরাঙ্গার স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

১. কামরাঙ্গায় প্রচুর পরিমাণে প্রদাহ প্রতিরোধী উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা ত্বকের নানা সমস্যা প্রতিরোধে কাজ করে। এতে থাকা ভিটামিন সি শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান বের করে দিয়ে দেহ সুস্থ রাখে।

২. এই ফল শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়। ফলে র ক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও এতে কিছু পরিমাণে পটাশিয়াম ও সোডিয়াম থাকে যা উচ্চ র ক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৩. এতে ক্যালোরির পরিমাণ কম থাকে। বিকেলে ক্ষুধা নিবারণের জন্য কামরাঙ্গা ভালো খাবার হতে পারে। এর আঁশ উপাদানের জন্য খাবার দ্রুত হজমে সাহায্য করে। যা ওজন কমানোর প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। আঁশযুক্ত খাবার দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে বিধায় বেশি খাওয়ার সুযোগ থাকে না।

৪. আঁশের উপস্থিতির কারণে এটি হজমক্রিয়ার উন্নতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যাদের হজম জনিত সমস্যা আছে তাদের জন্য এটি উপকারী ফল।

৫. ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত কামরাঙ্গা খেতে পারেন। এতে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৬. এই ফল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদানে ভরপুর। এটি ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতির পাশাপাশি চুলেরও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

৭. কামরাঙ্গা শীতল ও টক। ঘাম, কফ ও বাতনাশক হিসেবে কাজ করে। কামরাঙ্গার ভর্তা রুচি ও হজমশক্তি বাড়ায়।